
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণঅভ্যুত্থানের পথ ধরে গড়ে ওঠা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশের অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই ঘোষণা করা হবে তরুণদের নতুন এই রাজনৈতিক দলের দায়িত্বে থাকছেন কারা, কী হবে এর আদর্শ, কর্মপন্থা।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রথমে ধর্মীয় গ্রন্থগুলো থেকে পাঠ ও পরে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এই অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরিফ থেকে তেলওয়াত করেন তারেক রেজা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগ্রন্থ গীতা থেকে স্লোক পাঠ করেন অর্পিতা শ্যামা দেব। এরপর বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক থেকে পাঠ করেন আবির বড়ুয়া। সবশেষে খ্রিষ্টান ধর্মগ্রন্থ বাইবেল থেকে পাঠ করেন অলিক মৃ।
চারটি ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের পর সমবেত কণ্ঠে পরিবেশ করা হয় জাতীয় সংগীত। এ সময় সমাবেশস্থলে উপস্থিত নাগরিক পার্টির নেতাকর্মী থেকে শুরু করে আমন্ত্রিত অতিথি ও ছাত্র-জনতা সবাই দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন।
এর আগেই রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশ থেকে আসা ছাত্র-জনতার উপস্থিতিতে লোকারণ্যে পরিণত হয়েছে সমাবেশস্থল। শুক্রবার বেলা গড়াতেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে দলে দলে জড়ো হচ্ছে ছাত্র-জনতা। মিছিল নিয়ে তারা যোগ দিচ্ছেন রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে। ঢাকার বাইরে থেকেও অনেকে এসেছেন সমাবেশে। সিরাজগঞ্জ, রংপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে বাসে করে এসেছেন তারা।

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশের সমাবেশে উপস্থিত ছাত্র-জনতা। ছবি: ভিডিও থেকে
দলের আত্মপ্রকাশের জন্য জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের সড়কে নির্মাণ করা হয়েছে অস্থায়ী মূল মঞ্চ। মঞ্চের পেছনে স্থান পেয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন সময় আর শহিদ আবু সাঈদের বুকে গুলি বরণ করে নেওয়ার ঠিক আগে হাত প্রসারিত করে রাখার মুহূর্তটি।

গণঅভ্যুত্থানের পথ ধরে গড়ে ওঠা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশের অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই ঘোষণা করা হবে তরুণদের নতুন এই রাজনৈতিক দলের দায়িত্বে থাকছেন কারা, কী হবে এর আদর্শ, কর্মপন্থা।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রথমে ধর্মীয় গ্রন্থগুলো থেকে পাঠ ও পরে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এই অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরিফ থেকে তেলওয়াত করেন তারেক রেজা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগ্রন্থ গীতা থেকে স্লোক পাঠ করেন অর্পিতা শ্যামা দেব। এরপর বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক থেকে পাঠ করেন আবির বড়ুয়া। সবশেষে খ্রিষ্টান ধর্মগ্রন্থ বাইবেল থেকে পাঠ করেন অলিক মৃ।
চারটি ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের পর সমবেত কণ্ঠে পরিবেশ করা হয় জাতীয় সংগীত। এ সময় সমাবেশস্থলে উপস্থিত নাগরিক পার্টির নেতাকর্মী থেকে শুরু করে আমন্ত্রিত অতিথি ও ছাত্র-জনতা সবাই দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন।
এর আগেই রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশ থেকে আসা ছাত্র-জনতার উপস্থিতিতে লোকারণ্যে পরিণত হয়েছে সমাবেশস্থল। শুক্রবার বেলা গড়াতেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে দলে দলে জড়ো হচ্ছে ছাত্র-জনতা। মিছিল নিয়ে তারা যোগ দিচ্ছেন রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে। ঢাকার বাইরে থেকেও অনেকে এসেছেন সমাবেশে। সিরাজগঞ্জ, রংপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে বাসে করে এসেছেন তারা।

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশের সমাবেশে উপস্থিত ছাত্র-জনতা। ছবি: ভিডিও থেকে
দলের আত্মপ্রকাশের জন্য জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের সড়কে নির্মাণ করা হয়েছে অস্থায়ী মূল মঞ্চ। মঞ্চের পেছনে স্থান পেয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন সময় আর শহিদ আবু সাঈদের বুকে গুলি বরণ করে নেওয়ার ঠিক আগে হাত প্রসারিত করে রাখার মুহূর্তটি।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে