
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছে গণ অধিকার পরিষদ। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।
বৈঠকে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁনের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়।
বিএনপির পক্ষে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু।
গণ অধিকার পরিষদের প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলটির উচ্চতর পরিষদ সদস্য শাকিল উজ্জামান, আরিফ তালুকদার, ফাতেমা তাসনিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, মাহফুজুর রহমান খান, মানবাধিকার সম্পাদক খালিদ হাসান, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুন, ছাত্র অধিকার পরিষদ সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর প্রত্যাশা ছিল, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকার দলগুলোকে ধোঁয়াশার মধ্যে রাখায় সন্দেহ-সংশয় তৈরি হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে উপদেষ্টাদের নানামুখী বক্তব্য, পেছন থেকে নতুন দল গঠনের সহযোগিতা, সেই দলের আবার আওয়ামী লীগের কাউন্সিলরদের সহযোগিতা চাওয়া এবং সরকারের সব সেক্টরে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসন করা, আওয়ামী তালিকার ডিসি-এসপি নিয়োগ, আওয়ামী হাইকমান্ডের কাউকে গ্রেপ্তার না করা, শেখ পরিবারকে ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন দাম বৃদ্ধি ইত্যাদি মানুষকে হতাশ করেছে।’
রাশেদ বলেন, ‘সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করে বিএনপির ওপর দায় চাপাচ্ছে। আমাদের স্পষ্ট কথা, আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলব।’
তিনি বলেন, ‘গণহত্যার বিচার যদি সরকার করবে, তাহলে কেন আওয়ামী লীগ ধরতে অভিযান না চালিয়ে বরং পালিয়ে যেতে সহায়তা করল? ওবায়দুল কাদের কিভাবে পালাল, তার কোনো তদন্ত হবে? আপনি একদিকে তাদের ধরবেন না, আবার গণহত্যার বিচারের গান শোনাবেন! এভাবে রাষ্ট্র সংস্কার হয় না।’
তিনি আরো বলেন, ‘সাহস থাকলে আগে আওয়ামী লীগকে ধরুন, তাদের নিষিদ্ধ করুন। কিন্তু আপনারা সেসব না করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দল গঠনেই বেশি সময় দিচ্ছেন। এখনো কেন শহীদের তালিকা হলো না, পরিবারগুলো ক্ষতিপূরণ পেল না, আহতরা কেন সুচিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ পেল না? আপনারা আসলে কী করতে চাচ্ছেন, ক্লিয়ার করুন।’

বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছে গণ অধিকার পরিষদ। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।
বৈঠকে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁনের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়।
বিএনপির পক্ষে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু।
গণ অধিকার পরিষদের প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলটির উচ্চতর পরিষদ সদস্য শাকিল উজ্জামান, আরিফ তালুকদার, ফাতেমা তাসনিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, মাহফুজুর রহমান খান, মানবাধিকার সম্পাদক খালিদ হাসান, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুন, ছাত্র অধিকার পরিষদ সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর প্রত্যাশা ছিল, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকার দলগুলোকে ধোঁয়াশার মধ্যে রাখায় সন্দেহ-সংশয় তৈরি হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে উপদেষ্টাদের নানামুখী বক্তব্য, পেছন থেকে নতুন দল গঠনের সহযোগিতা, সেই দলের আবার আওয়ামী লীগের কাউন্সিলরদের সহযোগিতা চাওয়া এবং সরকারের সব সেক্টরে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসন করা, আওয়ামী তালিকার ডিসি-এসপি নিয়োগ, আওয়ামী হাইকমান্ডের কাউকে গ্রেপ্তার না করা, শেখ পরিবারকে ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন দাম বৃদ্ধি ইত্যাদি মানুষকে হতাশ করেছে।’
রাশেদ বলেন, ‘সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করে বিএনপির ওপর দায় চাপাচ্ছে। আমাদের স্পষ্ট কথা, আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলব।’
তিনি বলেন, ‘গণহত্যার বিচার যদি সরকার করবে, তাহলে কেন আওয়ামী লীগ ধরতে অভিযান না চালিয়ে বরং পালিয়ে যেতে সহায়তা করল? ওবায়দুল কাদের কিভাবে পালাল, তার কোনো তদন্ত হবে? আপনি একদিকে তাদের ধরবেন না, আবার গণহত্যার বিচারের গান শোনাবেন! এভাবে রাষ্ট্র সংস্কার হয় না।’
তিনি আরো বলেন, ‘সাহস থাকলে আগে আওয়ামী লীগকে ধরুন, তাদের নিষিদ্ধ করুন। কিন্তু আপনারা সেসব না করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দল গঠনেই বেশি সময় দিচ্ছেন। এখনো কেন শহীদের তালিকা হলো না, পরিবারগুলো ক্ষতিপূরণ পেল না, আহতরা কেন সুচিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ পেল না? আপনারা আসলে কী করতে চাচ্ছেন, ক্লিয়ার করুন।’

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে