
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, আমাদের রাষ্ট্র ২৪-এর শহীদদের প্রতি উদাসীন। বুধবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বরিশাল সোসাইটি নামক একটি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই, আপনারা ক্ষমতায় এসেছেন, ভুলে যাবেন না, বাংলাদেশের প্রত্যেকটা শহীদের রক্তের দাম একই রকম। বরিশালের শহীদ হোক বা চট্টগ্রাম এবং ঢাকার হোক। আমরা জেনেছি জুলাই অভ্যুত্থানে বরিশাল বিভাগে ৩৭ এর বেশি শহীদ হয়েছে। আমি কয়েকজনের কবর জিয়ারতও করে এসেছি। তবে খুব দুঃখের বিষয় হচ্ছে, লাশ দাফন করার সময় প্রশাসন এবং অন্তর্বর্তী সরকার যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছিল তার কিছুই করেনি। এই রাষ্ট্র ২৪-এর শহীদদের প্রতি উদাসীন।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রতিটা শহীদ হচ্ছে বাংলাদেশ বিনির্মাণের ফাউন্ডেশন। প্রতিটা শহীদ এবং শহীদ পরিবারকে আপনারা কীভাবে ট্রিট করছেন, তাদের জীবন এবং মৃত্যুকে আপনারা কীভাবে দেখভাল করছেন, এর মধ্য দিয়ে আপনাদের আন্তরিকতাকে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেবেন না।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরও বলেন, প্রতিটা বিভাগ এবং তার অঞ্চলের মানুষকে ন্যায্যতা এবং সমতার ভিত্তিতে কীভাবে দারিদ্র্যসীমা থেকে উঠিয়ে আনা যায়, কীভাবে নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মানুষের জীবনকে আরামদায়ক করা যায়, এটাই হচ্ছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের গণঅভ্যুত্থানের কথা।
মানববন্ধনে এই সময় তিনি বরিশাল বিভাগ ও ভোলা জেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আহ্বান জানান।
বরিশাল সোসাইটির আহ্বায়ক আমানুল্লাহ নোমানের সভাপতিত্বে এবি পার্টির বরিশাল মহানগরের আহ্বায়ক এম ডি কল্লোল চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, আমাদের রাষ্ট্র ২৪-এর শহীদদের প্রতি উদাসীন। বুধবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বরিশাল সোসাইটি নামক একটি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই, আপনারা ক্ষমতায় এসেছেন, ভুলে যাবেন না, বাংলাদেশের প্রত্যেকটা শহীদের রক্তের দাম একই রকম। বরিশালের শহীদ হোক বা চট্টগ্রাম এবং ঢাকার হোক। আমরা জেনেছি জুলাই অভ্যুত্থানে বরিশাল বিভাগে ৩৭ এর বেশি শহীদ হয়েছে। আমি কয়েকজনের কবর জিয়ারতও করে এসেছি। তবে খুব দুঃখের বিষয় হচ্ছে, লাশ দাফন করার সময় প্রশাসন এবং অন্তর্বর্তী সরকার যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছিল তার কিছুই করেনি। এই রাষ্ট্র ২৪-এর শহীদদের প্রতি উদাসীন।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রতিটা শহীদ হচ্ছে বাংলাদেশ বিনির্মাণের ফাউন্ডেশন। প্রতিটা শহীদ এবং শহীদ পরিবারকে আপনারা কীভাবে ট্রিট করছেন, তাদের জীবন এবং মৃত্যুকে আপনারা কীভাবে দেখভাল করছেন, এর মধ্য দিয়ে আপনাদের আন্তরিকতাকে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেবেন না।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরও বলেন, প্রতিটা বিভাগ এবং তার অঞ্চলের মানুষকে ন্যায্যতা এবং সমতার ভিত্তিতে কীভাবে দারিদ্র্যসীমা থেকে উঠিয়ে আনা যায়, কীভাবে নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মানুষের জীবনকে আরামদায়ক করা যায়, এটাই হচ্ছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের গণঅভ্যুত্থানের কথা।
মানববন্ধনে এই সময় তিনি বরিশাল বিভাগ ও ভোলা জেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আহ্বান জানান।
বরিশাল সোসাইটির আহ্বায়ক আমানুল্লাহ নোমানের সভাপতিত্বে এবি পার্টির বরিশাল মহানগরের আহ্বায়ক এম ডি কল্লোল চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে