
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

এনসিপি থেকে পদত্যাগ করার কারণে নিজের নির্বাচনী তহবিলে ‘ক্রাউড ফান্ডিং’এর অর্থ যারা ফেরত চাইবেন, তাদের সবার টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তাসনিম জারা।
ঢাকা-৯ আসনের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী তার মনোনয়নপত্রের বৈধতা ফিরে পেতে আপিলে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার মতো শক্ত আইনি যুক্তি রয়েছে।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তাসনিম জারা এসব কথা বলেন।
ভিডিও বার্তায় ‘ক্রাউড ফান্ডিং’ প্রসঙ্গে তাসনিম জারা বলেন, যখন তিনি স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলেন, তখনই জানিয়েছিলেন– এনসিপি ছেড়ে স্বতন্ত্র হওয়ার সিদ্ধান্তের কারণে কেউ টাকা ফেরত চাইলে তা ফেরত দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত ২০৫ জন বিকাশে পাঠানো টাকা ফেরত চেয়েছেন এবং তাদের সবার টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, আরও যারা টাকা ফেরত চান, তাদের জন্য ফর্মের লিংক ভিডিওর ক্যাপশন ও কমেন্টে দেওয়া হয়েছে। ‘যারা যারা টাকা ফেরত চাইবেন, সবার টাকা ফেরত দেওয়া হবে। প্রত্যেকের টাকা ফেরত যাবে। এটা নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই,’–বলেন তাসনিম জারা।
তাসনিম জারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে গতকাল দুপুরে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল প্রক্রিয়া শুরু করেছেন জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী বলেন, ‘মনোনয়নপত্র বাতিলের খবর শুনে অনেকেই চিন্তা করছেন যে নির্বাচন করতে পারব কি না। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, আমরা আপিলে জিতে আসব এবং আপনাদের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে এই নির্বাচনে লড়ব।’
নিজের আইনজীবীর বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, আপিলে বলার মতো শক্ত যুক্তি ও অতীতের নজির রয়েছে।
বাংলাদেশের পরিবর্তন নিয়ে আশাবাদী তাসনিম জারা সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদেরকেও নিরাশ না হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।’
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে তিনি মোট ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার টাকা সংগ্রহ করেছেন।

এনসিপি থেকে পদত্যাগ করার কারণে নিজের নির্বাচনী তহবিলে ‘ক্রাউড ফান্ডিং’এর অর্থ যারা ফেরত চাইবেন, তাদের সবার টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তাসনিম জারা।
ঢাকা-৯ আসনের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী তার মনোনয়নপত্রের বৈধতা ফিরে পেতে আপিলে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার মতো শক্ত আইনি যুক্তি রয়েছে।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তাসনিম জারা এসব কথা বলেন।
ভিডিও বার্তায় ‘ক্রাউড ফান্ডিং’ প্রসঙ্গে তাসনিম জারা বলেন, যখন তিনি স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলেন, তখনই জানিয়েছিলেন– এনসিপি ছেড়ে স্বতন্ত্র হওয়ার সিদ্ধান্তের কারণে কেউ টাকা ফেরত চাইলে তা ফেরত দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত ২০৫ জন বিকাশে পাঠানো টাকা ফেরত চেয়েছেন এবং তাদের সবার টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, আরও যারা টাকা ফেরত চান, তাদের জন্য ফর্মের লিংক ভিডিওর ক্যাপশন ও কমেন্টে দেওয়া হয়েছে। ‘যারা যারা টাকা ফেরত চাইবেন, সবার টাকা ফেরত দেওয়া হবে। প্রত্যেকের টাকা ফেরত যাবে। এটা নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই,’–বলেন তাসনিম জারা।
তাসনিম জারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে গতকাল দুপুরে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল প্রক্রিয়া শুরু করেছেন জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী বলেন, ‘মনোনয়নপত্র বাতিলের খবর শুনে অনেকেই চিন্তা করছেন যে নির্বাচন করতে পারব কি না। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, আমরা আপিলে জিতে আসব এবং আপনাদের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে এই নির্বাচনে লড়ব।’
নিজের আইনজীবীর বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, আপিলে বলার মতো শক্ত যুক্তি ও অতীতের নজির রয়েছে।
বাংলাদেশের পরিবর্তন নিয়ে আশাবাদী তাসনিম জারা সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদেরকেও নিরাশ না হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।’
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে তিনি মোট ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার টাকা সংগ্রহ করেছেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে