
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্ট’ সংক্রান্ত অনিয়ম নিরসনে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ চেয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে চিঠি দিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে শাহাতা জারাব এরিক এরশাদ।
এতে তিনি ট্রাস্ট সংক্রান্ত অনিয়ম নিরসনে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
এরিক এরশাদ ওই চিঠিতে উপদেষ্টাকে জানান, ‘২০১৯ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তার নিজের নামে ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্ট’ গঠন করেন। যার একমাত্র সুবিধাভোগী শাহাতা জারাব এরিক এরশাদ। ট্রাস্টের বর্তমান আয়ে তার দৈনন্দিন খরচ মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
গত মঙ্গলবার(২১ জানুয়ারি) পাঠানো চিঠিতে এরিক এরশাদ বলেন, আমার ভবিষ্যৎ জীবনযাপনের নিরাপত্তার জন্য আমার বাবা ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্ট’গঠন করেন, যার একমাত্র সুবিধাভোগী আমি। বর্তমানে ট্রাস্টের নির্ভরযোগ্য আয়ের অভাবে আমি কেবল মাত্র দুটি অ্যাপার্টমেন্ট ও একটি দোকানের ভাড়ার ওপর নির্ভরশীল, যা আমার দৈনন্দিন খরচ মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়। ফলে আমাকে নিয়মিতভাবে আমার মায়ের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নিতে হচ্ছে।
অথচ কাজী মামুন এবং ট্রাস্টের অন্য সদস্যরা আমার মায়ের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য ছড়িয়ে আমার ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করছেন এবং আমার মায়ের কাছ থেকে আমাকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। যদি আমার শারীরিক বা মানসিক কোনো ক্ষতি হয়, তার সম্পূর্ণ দায়ভার কাজী মামুন ও সংশ্লিষ্ট ট্রাস্ট সদস্যদের ওপর বর্তাবে। আমি একাধিকবার কাজী মামুন এবং ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা সবসময় সময়ক্ষেপণ ও টালবাহানা করছেন এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ট্রাস্টের হিসাব বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। ’
ট্রাস্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং নিজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ট্রাস্টের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান এবং ট্রাস্টের ব্যাংক হিসাব স্বাভাবিক করার জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এরিক এরশাদ।

‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্ট’ সংক্রান্ত অনিয়ম নিরসনে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ চেয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে চিঠি দিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে শাহাতা জারাব এরিক এরশাদ।
এতে তিনি ট্রাস্ট সংক্রান্ত অনিয়ম নিরসনে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
এরিক এরশাদ ওই চিঠিতে উপদেষ্টাকে জানান, ‘২০১৯ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তার নিজের নামে ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্ট’ গঠন করেন। যার একমাত্র সুবিধাভোগী শাহাতা জারাব এরিক এরশাদ। ট্রাস্টের বর্তমান আয়ে তার দৈনন্দিন খরচ মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
গত মঙ্গলবার(২১ জানুয়ারি) পাঠানো চিঠিতে এরিক এরশাদ বলেন, আমার ভবিষ্যৎ জীবনযাপনের নিরাপত্তার জন্য আমার বাবা ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্ট’গঠন করেন, যার একমাত্র সুবিধাভোগী আমি। বর্তমানে ট্রাস্টের নির্ভরযোগ্য আয়ের অভাবে আমি কেবল মাত্র দুটি অ্যাপার্টমেন্ট ও একটি দোকানের ভাড়ার ওপর নির্ভরশীল, যা আমার দৈনন্দিন খরচ মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়। ফলে আমাকে নিয়মিতভাবে আমার মায়ের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নিতে হচ্ছে।
অথচ কাজী মামুন এবং ট্রাস্টের অন্য সদস্যরা আমার মায়ের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য ছড়িয়ে আমার ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করছেন এবং আমার মায়ের কাছ থেকে আমাকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। যদি আমার শারীরিক বা মানসিক কোনো ক্ষতি হয়, তার সম্পূর্ণ দায়ভার কাজী মামুন ও সংশ্লিষ্ট ট্রাস্ট সদস্যদের ওপর বর্তাবে। আমি একাধিকবার কাজী মামুন এবং ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা সবসময় সময়ক্ষেপণ ও টালবাহানা করছেন এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ট্রাস্টের হিসাব বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। ’
ট্রাস্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং নিজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ট্রাস্টের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান এবং ট্রাস্টের ব্যাংক হিসাব স্বাভাবিক করার জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এরিক এরশাদ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে