খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হচ্ছেন যে ১৪ জন

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

উন্নত চিকিৎসার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হচ্ছে। তার চিকিৎসার জন্য একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মেডিকেল টিমসহ সফরসঙ্গী হিসেবে তার সঙ্গে থাকবেন মোট ১৪ জন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড বর্তমান শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তিনি আজ মধ্যরাতে অথবা আগামীকাল সকালে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। এ সফরের আগে তাঁর পুত্রবধূ জোবাইদা রহমানের ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সফরকালে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকবেন প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান, দীর্ঘদিনের গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম ও রুপা সিকদার।

মেডিকেল টিমে রয়েছেন-আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, ডা. মোহাম্মদ আনামুল হক চৌধুরী, ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী, মো. শাহাবুদ্দিন তালুকদার, নুরুদ্দিন আহমদ, মো. জাফর ইকবাল ও মোহাম্মদ আল মামুন।

সফরে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্য হিসেবে থাকবেন হাসান শাহরিয়ার ইকবাল ও সৈয়দ সামিন মাহফুজ।

এ ছাড়াও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহকারী মো. আব্দুল হাই মল্লিক এবং বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত সচিব মো. মাসুদের রহমান সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন।

বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শের বাইরে আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছি না। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই বিদেশে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে। ইনশাআল্লাহ তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।

এদিকে ঢাকাস্থ কাতার দূতাবাসের পলিটিক্যাল কাউন্সিলর আসাদুর রহমান জানিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার জন্য একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

‘বিএনপি জুলাই সনদের দাবি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পথ চলব। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’

৩ দিন আগে

ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করব— রয়টার্সকে শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’

৩ দিন আগে

কোনোভাবেই আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’

৪ দিন আগে

প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে: রাশেদ

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

৪ দিন আগে