
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই গণহত্যার বিচার নিয়ে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দেওয়ার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আমার বাংলাদেশের পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি ৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হতে পারে। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে বলেও প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি। প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, প্রশাসন তার নিয়ন্ত্রণে এলেই নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন।’
রবিবার (২৫ মে) রাতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মজিবুর রহমান মঞ্জু।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, প্রধান উপদেষ্টা কেন পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন—জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া নিয়ে তিনি শঙ্কায় ছিলেন। আমরা বলেছি, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা ও বিশেষ করে বিএনপির সঙ্গে দূরত্ব কমানোর কথা। সেই সঙ্গে সংস্কার ও নির্বাচনের কথা বলে এসেছি।’
তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে লিয়াজোঁ বজায় রাখতে একটি টিম গঠনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটি না করায় বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দূরত্ব হয়েছে, সেনাবাহিনীর সঙ্গেও দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা সেই লিয়াজোঁ টিমটি বানানোর পরামর্শ দিয়েছি।’
এর আগে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় প্রবেশ করেন বিভিন্ন দলের নেতারা।
তাদের মধ্যে এবি পার্টির মজিবুর রহমান মঞ্জু ছাড়াও এলডিপির প্রেসিডেন্ট অলি আহমেদ, নাগরিক ঐক্য’র সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাবেক আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া, জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি'র সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই গণহত্যার বিচার নিয়ে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দেওয়ার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আমার বাংলাদেশের পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি ৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হতে পারে। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে বলেও প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি। প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, প্রশাসন তার নিয়ন্ত্রণে এলেই নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন।’
রবিবার (২৫ মে) রাতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মজিবুর রহমান মঞ্জু।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, প্রধান উপদেষ্টা কেন পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন—জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া নিয়ে তিনি শঙ্কায় ছিলেন। আমরা বলেছি, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা ও বিশেষ করে বিএনপির সঙ্গে দূরত্ব কমানোর কথা। সেই সঙ্গে সংস্কার ও নির্বাচনের কথা বলে এসেছি।’
তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে লিয়াজোঁ বজায় রাখতে একটি টিম গঠনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটি না করায় বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দূরত্ব হয়েছে, সেনাবাহিনীর সঙ্গেও দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা সেই লিয়াজোঁ টিমটি বানানোর পরামর্শ দিয়েছি।’
এর আগে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় প্রবেশ করেন বিভিন্ন দলের নেতারা।
তাদের মধ্যে এবি পার্টির মজিবুর রহমান মঞ্জু ছাড়াও এলডিপির প্রেসিডেন্ট অলি আহমেদ, নাগরিক ঐক্য’র সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাবেক আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া, জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি'র সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে