
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে সার্ককে (SAARC) আবারও উজ্জীবিত করার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার বাসস জানিয়েছে, ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানি হাইকমিশনারের মাধ্যমে দেশটির সরকারের প্রতি ওই আহ্বান জানান অধ্যাপক ইউনূস।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমদ মারুফ মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সার্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো একটি মডেল হতে পারে বলে উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘আমাদের পারস্পরিক সুবিধার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করার পাশাপাশি বহুপক্ষীয় প্ল্যাটফর্মে সহযোগিতা বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
পাকিস্তানি হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং দেশটির জনগণ বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। পাকিস্তান বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন তিনি।
আহমদ মারুফ পাকিস্তানি নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ এবং উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুরও আহ্বান জানান। তিনি উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব আরও জোরালো করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
এ ছাড়াও রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট জয়ের কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন পাক হাইকমিশনার।

দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে সার্ককে (SAARC) আবারও উজ্জীবিত করার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার বাসস জানিয়েছে, ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানি হাইকমিশনারের মাধ্যমে দেশটির সরকারের প্রতি ওই আহ্বান জানান অধ্যাপক ইউনূস।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমদ মারুফ মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সার্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো একটি মডেল হতে পারে বলে উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘আমাদের পারস্পরিক সুবিধার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করার পাশাপাশি বহুপক্ষীয় প্ল্যাটফর্মে সহযোগিতা বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
পাকিস্তানি হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং দেশটির জনগণ বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। পাকিস্তান বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন তিনি।
আহমদ মারুফ পাকিস্তানি নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ এবং উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুরও আহ্বান জানান। তিনি উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব আরও জোরালো করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
এ ছাড়াও রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট জয়ের কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন পাক হাইকমিশনার।

নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের
১৬ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত
১ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার পোস্টে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থা এখনও কোনো সুস্পষ্ট জাতীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি এবং বর্তমান বিজ্ঞান, কলা ও ব্যবসায় শিক্ষার কাঠামো দক্ষ জনশক্তি গড়ার পরিবর্তে একটি বৃহৎ শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি করছে।
২ দিন আগে
বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, 'গুম, খুন ও চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও আপনারা সবাই মিলে দল সামলেছেন। নিজের পরিবারের চেয়ে দলকে বেশি সময় ও অর্থ দিয়েছেন। তখন সবাই সবার পাশে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে দল চালিয়েছেন। এখন নির্যাতনের সেই ভয় নেই, তাহলে এখন কেন ঐক্যবদ্ধ থা
৩ দিন আগে