
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার ভার বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি। শনিবার রাতে গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রশাসনিক অবস্থা, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়।
রাত সাড়ে ৯টায় বৈঠক শেষে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, “আমাদের দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্বাচন, কবে নির্বাচন হবে, সব দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।”

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দেশের প্রশাসনিক অবস্থা এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সবশেষে আলোচনা হয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে। দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী মনোনয়ন এবং কবে নির্বাচন হবে— সব দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
তিনি জানান, বৈঠকে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রশাসনিক অবস্থা, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সবশেষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়। এরপর দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়ন এবং নির্বাচন-সংক্রান্ত সব দায়িত্ব চেয়ারম্যানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য কোনো প্রার্থীর নাম নিয়ে আলোচনা হয়নি।
তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে এবং নির্বাচন কমিশনও সে অনুযায়ী প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “তারা (নির্বাচন কমিশন) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলে দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী কে হবেন, সেই দায়িত্ব আমরা (স্থায়ী কমিটি) দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপরই ন্যস্ত করেছি।”
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংসদের বিশেষ অধিবেশনের প্রয়োজন হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর প্রয়োজন হলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শনিবার রাত ৮টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে শুরু হওয়া স্থায়ী কমিটির বৈঠক প্রায় দেড় ঘণ্টা চলে।
বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু) এবং এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
সংবিধানে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মনোনীত প্রার্থীরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার ভার বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি। শনিবার রাতে গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রশাসনিক অবস্থা, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়।
রাত সাড়ে ৯টায় বৈঠক শেষে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, “আমাদের দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্বাচন, কবে নির্বাচন হবে, সব দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।”

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দেশের প্রশাসনিক অবস্থা এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সবশেষে আলোচনা হয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে। দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী মনোনয়ন এবং কবে নির্বাচন হবে— সব দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
তিনি জানান, বৈঠকে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রশাসনিক অবস্থা, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সবশেষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়। এরপর দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়ন এবং নির্বাচন-সংক্রান্ত সব দায়িত্ব চেয়ারম্যানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য কোনো প্রার্থীর নাম নিয়ে আলোচনা হয়নি।
তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে এবং নির্বাচন কমিশনও সে অনুযায়ী প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “তারা (নির্বাচন কমিশন) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলে দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী কে হবেন, সেই দায়িত্ব আমরা (স্থায়ী কমিটি) দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপরই ন্যস্ত করেছি।”
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংসদের বিশেষ অধিবেশনের প্রয়োজন হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর প্রয়োজন হলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শনিবার রাত ৮টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে শুরু হওয়া স্থায়ী কমিটির বৈঠক প্রায় দেড় ঘণ্টা চলে।
বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু) এবং এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
সংবিধানে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মনোনীত প্রার্থীরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া তাদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে এ অভিনন্দন পৌঁছে দেন। এ সময় সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
২ দিন আগে
চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫১ বছরে দুই দেশ সবসময় একে অন্যকে সম্মান করেছে এবং সমতার ভিত্তিতে আচরণ করেছে। নিজ দেশের মূল স্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরস্পরকে সহযোগিতা করেছে। একই সঙ্গে আধুনিকায়নের পথে হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে।
২ দিন আগে
জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, আপনি বলেন নেটিজেন! মানে কোন নেটিজেন? আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, কাজ করি। আপনি বলেন নেটিজেন! তো মানে কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা, যে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ?’
২ দিন আগে
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ‘দলের মধ্যে শৃঙ্খলা রক্ষা করাই আমার মূল দায়িত্ব। দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অনৈতিক কাজে জড়ালে এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২ দিন আগে