
ঢাবি প্রতিনিধি

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে আচরণবিধি লঙ্ঘনে ছাত্রশিবিরের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েমে তোলা অভিযোগ অস্বীকার করলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। বলেছেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে আগে যারা যুক্ত ছিল, তারাই এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উদয়ন স্কুল কেন্দ্রের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন নাছির। এ সময় তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের একটি শুভ সূচনা হবে।
ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্রে ডেস্ক বসানো ও ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটারদের হাতে ব্যালট নম্বরের টোকেন দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাছির বলেন, আপনারাই দেখেছেন— এটি মুজিব হলের ভোটকেন্দ্র। এখান থেকে ছাত্রদলের ভোটকেন্দ্র প্রায় ১৫০ মিটার দূরে, প্রোভিসি স্যারের বাংলোর পরে। সুতরাং এ রকম অভিযোগ ভিত্তিহীন।
অভিযোগ প্রমাণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় এই সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিশেষ করে শিবিরপন্থি ভিপি ও জিএস প্রার্থী, যারা অতীতে ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছে ও গণঅভ্যুত্থানের পরে তাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে, তারাই এখন এ ধরনের অভিযোগ করছে। আমরা যদি মিথ্যা বলি, আপনারাই প্রমাণ করুন।
শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ নিয়ে স্বস্তি জানিয়ে নাছির বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা দেখছি, ঢাবির আটটি ভোটকেন্দ্রে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছে। দিন যত গড়াবে, আমরা সার্বিক পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে বিশ্লেষণ করতে পারব বলে মনে করি। শিক্ষার্থীরা আসছেন, বিশেষ করে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের বাসগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করছে— এটি আমাদের জন্য স্বস্তির খবর।
অবশ্য ভোটকেন্দ্রগুলোতে কয়েকজন শিক্ষকের আচরণে মর্মাহত হওয়ার কথাও জানিয়েছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির।
এর আগে সকাল ৮টায় ঢাবির আটটি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে একযোগে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোট চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে আচরণবিধি লঙ্ঘনে ছাত্রশিবিরের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েমে তোলা অভিযোগ অস্বীকার করলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। বলেছেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে আগে যারা যুক্ত ছিল, তারাই এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উদয়ন স্কুল কেন্দ্রের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন নাছির। এ সময় তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের একটি শুভ সূচনা হবে।
ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্রে ডেস্ক বসানো ও ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটারদের হাতে ব্যালট নম্বরের টোকেন দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাছির বলেন, আপনারাই দেখেছেন— এটি মুজিব হলের ভোটকেন্দ্র। এখান থেকে ছাত্রদলের ভোটকেন্দ্র প্রায় ১৫০ মিটার দূরে, প্রোভিসি স্যারের বাংলোর পরে। সুতরাং এ রকম অভিযোগ ভিত্তিহীন।
অভিযোগ প্রমাণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় এই সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিশেষ করে শিবিরপন্থি ভিপি ও জিএস প্রার্থী, যারা অতীতে ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছে ও গণঅভ্যুত্থানের পরে তাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে, তারাই এখন এ ধরনের অভিযোগ করছে। আমরা যদি মিথ্যা বলি, আপনারাই প্রমাণ করুন।
শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ নিয়ে স্বস্তি জানিয়ে নাছির বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা দেখছি, ঢাবির আটটি ভোটকেন্দ্রে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছে। দিন যত গড়াবে, আমরা সার্বিক পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে বিশ্লেষণ করতে পারব বলে মনে করি। শিক্ষার্থীরা আসছেন, বিশেষ করে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের বাসগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করছে— এটি আমাদের জন্য স্বস্তির খবর।
অবশ্য ভোটকেন্দ্রগুলোতে কয়েকজন শিক্ষকের আচরণে মর্মাহত হওয়ার কথাও জানিয়েছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির।
এর আগে সকাল ৮টায় ঢাবির আটটি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে একযোগে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোট চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, কৃষকদের জন্য বিশেষ কার্ড চালু এবং সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করে কৃষির উন্নয়নে কাজ করবে বিএনপি। পাশাপাশি যুবকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার ব্যবস্থা করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে, যাতে তারা দেশে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করতে পারে, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক হিসেব
১৫ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকার চরবস্তি, বিজয়নগর, ফুলছরি পাড়া, নিজাম মার্কেট, দক্ষিণপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে বিভিন্ন পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। গণসংযোগে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, সাধারণ জণগণ, নারী, তরুণের অংশগ্রহণ করেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ১৯৯১ সালেও ধানের শীষ বিজয়ী হওয়ার মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছিল। এরপর তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ দেড়যুগ আন্দোলনের মাধ্যমে দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে। যখনই ধানের শীষ জয়ী হয়, তখন দেশের গণতন্ত্র জয়লাভ করে।
১৬ ঘণ্টা আগে
হাসনাত আব্দুল্লাহ আরো বলেন, গত ১৭ বছর আমাদের টুটি চেপে ধরা হয়েছিল, যারা ভিন্নমত পোষণ করত তাদের সামনে থেকে মাইক কেড়ে নেওয়া হতো, বাংলাদেশ একটা উন্মুক্ত কারাগারে পরিণত হয়েছিল, গুম করা হতো, আয়না ঘরে নেওয়া হতো, ক্রসফায়ারে দেওয়া হতো, ভিন্ন মত ও চিন্তার মানুষগুলোকে বলা হতো পিন্ডি বা দিল্লি চলে যেতে। এ
১৭ ঘণ্টা আগে