
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমানোর দাবিতে সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে ‘লং মার্চ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। লং মার্চ কর্মসূচি শেষে আগামী নভেম্বরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে জোটটি।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকার পুরানা পল্টনের মুক্তাঙ্গণে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে বিরোধীদলীয় নেতা ও ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রসংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের রায় কার্যকর করতে সরকার ইতোমধ্যে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ হওয়ার দুই দিন আগে, গত ১৩ জুলাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে ১২ সদস্যের এ বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়।
শুরুতে ১৭ সদস্যের কমিটি করার পরিকল্পনা ছিল। এতে বিএনপির সাতজন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির একজন, গণসংহতি আন্দোলনের একজন, গণঅধিকার পরিষদের একজন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন, একজন স্বতন্ত্র সদস্য এবং বিরোধী দলের জন্য পাঁচটি আসন রাখার প্রস্তাব ছিল।
তবে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কোনো প্রতিনিধি দেয়নি। ফলে বিরোধী দলের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি পদ শূন্য রেখেই ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সংবিধান সংস্কার নাকি সংশোধন— এ মৌলিক মতপার্থক্যের কারণেই তারা এখনো কমিটিতে যোগ দেয়নি। কমিটি গঠনের দিনই সংবিধান সংস্কারের দাবিতে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধী দল।
এর পর থেকেই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ধারাবাহিকভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে আসছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। এ ছাড়া সম্প্রতি সরকার জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরও এর বিরোধিতা করে আসছে জোটটি। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক গ্যাস সংকট সরকারেরই সৃষ্টি এবং গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এ সংকট তৈরি করা হয়েছে।
জনভোগান্তি নিরসনসহ বিভিন্ন দাবিতে ঘোষিত নতুন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লং মার্চ, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর লং মার্চ, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা লং মার্চ, ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট লং মার্চ (রেলপথে) এবং ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ।
কর্মসূচি ঘোষণা করে শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, সকল ক্ষেত্রে বৈষম্য দূরীকরণ, তেল, গ্যাস বিদ্যুতের দাম নিয়ন্ত্রণ করে কমিয়ে আনা, জনভোগান্তি নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, খুনিদের বিচার নিশ্চিত এবং সম্পদ লুণ্ঠনকারীদের বিচারের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য আন্দোলনে নেমেছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে ১১ দল অনেকগুলো কর্মসূচি পালন করেছে। নতুন ঘোষিত লংমার্চ জনগণের দাবি আদায়ের জন্য। অতীতের মতো যেন বাধা দেওয়া না হয়। বাধা দিলে, লংমার্চ দ্বিগুণ গতিতে গন্তব্যে পৌঁছবে।’
‘জ্বালানি তেল, গ্যাস সংকট, বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল ও মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে’ আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) নেতা অলি আহমদ, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে শফিকুর রহমান জোটের ১১ দফা দাবি তুলে ধরে বলেন, ‘জনগণের ১১ দফা জনগণের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য আমরা আজ এখানে এসেছি। এই ১১ দফা কোনো দলের নয়, কোনো ব্যক্তির নয়, কোনো গোষ্ঠীর নয়, ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য। আমরা অধিকারের পক্ষে লড়াই করতে নেমেছি। আমরা জনগণের দাবি আদায় করে ছাড়ব। আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’
আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘যারা বিরোধীমতের প্রতিবাদী কণ্ঠ স্তব্ধ করার জন্য গুলি চালিয়েছে, খুন করেছে, গুম করেছে, জুলুম-নির্যাতন করেছে, ঘরছাড়া করেছে, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে, জীবিত থাকতে আমরা তাদের আর এদেশে আস্ফালন করার সুযোগ দেব না।’
সচিবালয়ের দিকে অংশগ্রহণকারীদের রওনা হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘সচিবালয়ে যারা বসে আছেন— মন্ত্রী, এমপি, সচিব তাদের জনগণের কথা শুনতে হবে, মানতে হবে। সচিবালয় কোনো দলের নয়। সংসদে যেন আর মিথ্যা বিবৃতি না দেওয়া হয়।’
এরপর শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জোটের নেতারা সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা হন। তবে সচিবালয়ের ফটকে পৌঁছানোর আগেই তাদের আটকে দেওয়া হয়। পরে সেখানেই সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে অবস্থান কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন জামায়াতের আমির।
জোটের দুই নেতা জানান, মুক্তাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ‘আমরা আজকে জনদুর্ভোগ লাঘবে ১১ দফা দিয়ে সরকারকে বার্তা দিয়েছি। মুক্তাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালীন সরকারের পক্ষ থেকে কয়েকবার প্রতিনিধি পাঠানোর কথা এসেছে। কিন্তু সময়ক্ষেপণ করলেও তারা কোনো প্রতিনিধি দল পাঠায়নি।’

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমানোর দাবিতে সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে ‘লং মার্চ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। লং মার্চ কর্মসূচি শেষে আগামী নভেম্বরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে জোটটি।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকার পুরানা পল্টনের মুক্তাঙ্গণে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে বিরোধীদলীয় নেতা ও ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রসংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের রায় কার্যকর করতে সরকার ইতোমধ্যে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ হওয়ার দুই দিন আগে, গত ১৩ জুলাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে ১২ সদস্যের এ বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়।
শুরুতে ১৭ সদস্যের কমিটি করার পরিকল্পনা ছিল। এতে বিএনপির সাতজন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির একজন, গণসংহতি আন্দোলনের একজন, গণঅধিকার পরিষদের একজন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন, একজন স্বতন্ত্র সদস্য এবং বিরোধী দলের জন্য পাঁচটি আসন রাখার প্রস্তাব ছিল।
তবে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কোনো প্রতিনিধি দেয়নি। ফলে বিরোধী দলের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি পদ শূন্য রেখেই ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সংবিধান সংস্কার নাকি সংশোধন— এ মৌলিক মতপার্থক্যের কারণেই তারা এখনো কমিটিতে যোগ দেয়নি। কমিটি গঠনের দিনই সংবিধান সংস্কারের দাবিতে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধী দল।
এর পর থেকেই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ধারাবাহিকভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে আসছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। এ ছাড়া সম্প্রতি সরকার জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরও এর বিরোধিতা করে আসছে জোটটি। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক গ্যাস সংকট সরকারেরই সৃষ্টি এবং গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এ সংকট তৈরি করা হয়েছে।
জনভোগান্তি নিরসনসহ বিভিন্ন দাবিতে ঘোষিত নতুন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লং মার্চ, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর লং মার্চ, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা লং মার্চ, ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট লং মার্চ (রেলপথে) এবং ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ।
কর্মসূচি ঘোষণা করে শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, সকল ক্ষেত্রে বৈষম্য দূরীকরণ, তেল, গ্যাস বিদ্যুতের দাম নিয়ন্ত্রণ করে কমিয়ে আনা, জনভোগান্তি নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, খুনিদের বিচার নিশ্চিত এবং সম্পদ লুণ্ঠনকারীদের বিচারের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য আন্দোলনে নেমেছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে ১১ দল অনেকগুলো কর্মসূচি পালন করেছে। নতুন ঘোষিত লংমার্চ জনগণের দাবি আদায়ের জন্য। অতীতের মতো যেন বাধা দেওয়া না হয়। বাধা দিলে, লংমার্চ দ্বিগুণ গতিতে গন্তব্যে পৌঁছবে।’
‘জ্বালানি তেল, গ্যাস সংকট, বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল ও মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে’ আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) নেতা অলি আহমদ, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে শফিকুর রহমান জোটের ১১ দফা দাবি তুলে ধরে বলেন, ‘জনগণের ১১ দফা জনগণের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য আমরা আজ এখানে এসেছি। এই ১১ দফা কোনো দলের নয়, কোনো ব্যক্তির নয়, কোনো গোষ্ঠীর নয়, ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য। আমরা অধিকারের পক্ষে লড়াই করতে নেমেছি। আমরা জনগণের দাবি আদায় করে ছাড়ব। আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’
আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘যারা বিরোধীমতের প্রতিবাদী কণ্ঠ স্তব্ধ করার জন্য গুলি চালিয়েছে, খুন করেছে, গুম করেছে, জুলুম-নির্যাতন করেছে, ঘরছাড়া করেছে, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে, জীবিত থাকতে আমরা তাদের আর এদেশে আস্ফালন করার সুযোগ দেব না।’
সচিবালয়ের দিকে অংশগ্রহণকারীদের রওনা হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘সচিবালয়ে যারা বসে আছেন— মন্ত্রী, এমপি, সচিব তাদের জনগণের কথা শুনতে হবে, মানতে হবে। সচিবালয় কোনো দলের নয়। সংসদে যেন আর মিথ্যা বিবৃতি না দেওয়া হয়।’
এরপর শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জোটের নেতারা সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা হন। তবে সচিবালয়ের ফটকে পৌঁছানোর আগেই তাদের আটকে দেওয়া হয়। পরে সেখানেই সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে অবস্থান কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন জামায়াতের আমির।
জোটের দুই নেতা জানান, মুক্তাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ‘আমরা আজকে জনদুর্ভোগ লাঘবে ১১ দফা দিয়ে সরকারকে বার্তা দিয়েছি। মুক্তাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালীন সরকারের পক্ষ থেকে কয়েকবার প্রতিনিধি পাঠানোর কথা এসেছে। কিন্তু সময়ক্ষেপণ করলেও তারা কোনো প্রতিনিধি দল পাঠায়নি।’

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ ফটকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১১-দলীয় জোট আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
১ দিন আগে
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য শেষে তিনি রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জানিয়ে নীরবে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনা ছিলেন ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ও ঘৃণ্য ফ্যাসিস্ট। পৃথিবীর নিষ্ঠুর ফ্যাসিস্ট ও নাৎসিরা জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকলেও শেখ হাসিনার সঙ্গে তাদের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে বলে জানান তিনি।
১ দিন আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘আমরা শুনলাম, ডিসেম্বরে তিনি (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশে আসতে চান। আমার মনে হয়, এটা কোনো রিলায়েবল ঘোষণা না। আমাদের মনে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকে কেন্দ্র করে সরকারকে এক ধরনের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।’
১ দিন আগে