
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচনে ভোলা-৩ আসনে বিজয়ী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাওয়া ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে যারা আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন তারাই মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন। যাদের দুর্নীতির ইতিহাস নেই এবং যারা জনগণের আস্থাভাজন, তাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ইতিহাসে অন্যতম সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশকে বিপথে নেওয়ার চেষ্টা হলে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করবে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তার জন্য তিনি সামরিক বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
হাফিজ বলেন, নাহিদ ইসলাম ও শফিকুর রহমানের বাসায় গিয়ে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ রাজনীতিতে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। বিরোধীদল হিসেবে তারা শক্ত ভূমিকা রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এ ছাড়া তিনি অভিযোগ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বারবার বিকৃত করা হয়েছে, প্রকৃত ইতিহাস জানতে দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা নিজেদের গুণগান নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। কোনো স্বাধীনতা যুদ্ধ এ দেশে হতো না, যদি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ৭১-এর মার্চে বিদ্রোহ না করত।

নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচনে ভোলা-৩ আসনে বিজয়ী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাওয়া ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে যারা আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন তারাই মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন। যাদের দুর্নীতির ইতিহাস নেই এবং যারা জনগণের আস্থাভাজন, তাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ইতিহাসে অন্যতম সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশকে বিপথে নেওয়ার চেষ্টা হলে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করবে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তার জন্য তিনি সামরিক বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
হাফিজ বলেন, নাহিদ ইসলাম ও শফিকুর রহমানের বাসায় গিয়ে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ রাজনীতিতে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। বিরোধীদল হিসেবে তারা শক্ত ভূমিকা রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এ ছাড়া তিনি অভিযোগ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বারবার বিকৃত করা হয়েছে, প্রকৃত ইতিহাস জানতে দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা নিজেদের গুণগান নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। কোনো স্বাধীনতা যুদ্ধ এ দেশে হতো না, যদি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ৭১-এর মার্চে বিদ্রোহ না করত।

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৩ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৪ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৪ দিন আগে