রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে দলের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলামকে দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করেন তারেক রহমান। দুপুর সাড়ে ১২টায় এ বৈঠক শুরু হয়।
রাষ্ট্রপতি পদে এলডিপি প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। জামায়াত নেতা এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ মনোনয়নপত্র জমা দেয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কার নাম চূড়ান্ত করা হবে, তা নিয়ে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে। আজকের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।
বিএনপি নিজেই নিজের নির্বাচনি ইশতেহারের খেলাপ করছে অভিযোগ করে নাহিদ লিখেছেন, ‘বিএনপির ৩১ দফা ও নির্বাচনি ইশতেহারে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি ছিল— বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ খাতে দায়মুক্তি আইনসহ সব কালাকানুন বাতিল হবে। কারণ পতিত ফ্যাসিবাদী সরকার এই দায়মুক্তির আড়ালেই কুইক রেন্টাল ও আইপিপির নামে ক্যাপাসিটি চার
সরকার গঠনের পর মাত্র পাঁচ মাস পেরিয়েছে বলে অনেকেই বিএনপিকে নিয়ে এখনই কঠোর সমালোচনা করার পক্ষে নন— এমন অভিমতের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘অনেকেই বলছেন, মাত্র পাঁচ মাস হয়েছে, তাদের আরও সময় ও সুযোগ দেওয়া উচিত। আমি মোটেই একমত নই। কারণ গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই তাদের কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক চরি
কোকোর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বনানী কবরস্থানে মরহুমের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারতের আয়োজন করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এছাড়া নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও দলের মহাসচিবের দায়িত্বে থাকা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম। বিএনপির বাইরে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও তাকেই রাষ্ট্রপতি পদে যোগ্যতম ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন।
ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর প্রধান পরাগ জৈনের ঢাকা সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ডিজিএফআই প্রধান যেমন কিছুদিন আগে ভারতে গিয়েছিলেন, সেরকম সরকারি সফরে ‘র’ প্রধান এবার ঢাকায় এসেছেন। এটা দুই প্রতিবেশী দেশের স্বাভাবিক যোগাযোগের অংশ।’
১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘এখানেও যদি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হয়ে যায়, তাহলে গণতন্ত্র চর্চা হচ্ছে না। আমরা গণতান্ত্রিক ধারাটাকে ফিরিয়ে আনতে চাই, সুস্থ ধারার রাজনীতিকে নিয়ে যেতে চাই। দেশকে পরিচালনা করার জন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।’
সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে সোমবার (১০ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে একজন জনসম্পৃক্ত মানুষ হিসেবে দেখেছেন। তাদের সাক্ষাৎ একজন কূটনীতিক ও প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বৈঠকের চেয়ে দুই জন জনপ্রতিনিধির সাক্ষাতের মতো ছিল। প্রথমবার দেখা হলেও তার মনে হয়নি যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এর আগে কখ
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির পক্ষ থেকে এ বিষয়টিকে ‘রহস্যজনক’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। আর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ক্ষমতাসীন বিএনপির সঙ্গে বিরোধী দল জামায়াতের যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন, তারই বহির্প্রকাশ হতে পারে এই প্রদর্শনী।
রোববারের বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে ঘিরে ধরেছিলেন সাংবাদিকরা। তারা বৈঠকের আলোচ্য বিষয় নিয়ে জানতে চান মন্ত্রীর কাছে। তবে খলিলুর রহমান বৈঠকের আলোচনা নিয়ে কিছু বলেননি। তিনিও কেবল জানিয়েছেন, সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ভারতীয় হাইকমিশনার। ওই বৈঠকের পরই আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে ব