
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১০ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নিয়ে কেবল মে মাসেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি ৫৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার কিনেছে। আর গত জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত কেনা ডলারের পরিমাণ ৬২৩ কোটি ৮৫ লাখ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাজারে এখন চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ বেশি। তাই রপ্তানিকারক ও প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় বাজারমূল্য ধরে রাখতে গত জুলাইয়ে ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ (এফএক্স) নিলাম কমিটির মাধ্যমে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে এসব ডলার কেনা হয়েছে। প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
এর আগে গত জুলাই থেকে দফায় দফায় মার্কিন ডলার কিনে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে গত বছরের ১৩ জুলাই ১৮টি ব্যাংক থেকে ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একদিন পর ১৫ জুলাই ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার ও এর এক সপ্তাহ পর ২৩ জুলাই আরও এক কোটি মার্কিন ডলার কেনে ব্যাংকটি।
এরপর গত ৭ আগস্ট সাড়ে চার কোটি ডলার, ১০ আগস্ট আট কোটি ৩০ লাখ ডলার, ১৪ আগস্ট ১৭ কোটি ৬৫ লাখ ডলার, ২৮ আগস্ট ১৪ কোটি ৯৫ লাখ ডলার, ২ সেপ্টেম্বর চার কোটি ৭৫ লাখ ডলার, ৪ সেপ্টেম্বর ১৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার, ৯ সেপ্টেম্বর সাড়ে ২৬ কোটি ডলার, ১৫ সেপ্টেম্বর ৩৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২২ সেপ্টেম্বর ১২ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ৬ অক্টোবর ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার, ৯ অক্টোবর ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলার ও ২৪ অক্টোবর তিন কোটি ৮০ লাখ ডলার কেনা হয়েছিল।
পরে গত ৯ ডিসেম্বর ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার, ১১ ডিসেম্বর ১৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ১৫ ডিসেম্বর ১৪ কোটি ১৪ লাখ ডলার, ১৭ ডিসেম্বর ছয় কোটি ৭০ লাখ ডলার, ২১ ডিসেম্বর ছয় কোটি ডলার, ২৯ ডিসেম্বর ১১ কোটি ৫০ লাখ ডলার ও ৩০ ডিসেম্বর আট কোটি ৯০ লাখ ডলার কেনা হয়।
এ বছরে ৬ জানুয়ারি ২২ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, ৮ জানুয়ারি ২০ কোটি ৬০ লাখ ডলার, ১২ জানুয়ারি আট কোটি ১০ লাখ ডলার, ২০ জানুয়ারি চার কোটি ৫০ লাখ ডলার, ২৯ জানুয়ারি পাঁচ কোটি ৫০ লাখ ডলার কেনে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এরপর ২ ফেব্রুয়ারি ২১ কোটি ৮৫ লাখ ডলার, ৩ ফেব্রুয়ারি ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ডলার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ১০ ফেব্রুয়ারি ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ২২ ফেব্রুয়ারি ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার ও ২৪ ফেব্রুয়ারি আট কোটি ৭০ লাখ ডলার কেনা হয়।
গত মার্চ ও এপ্রিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডলার কেনার পরিমাণ ছিল খুব কম। এর মধ্যে ২ মার্চ আড়াই কোটি ডলার ও ১৬ এপ্রিল পাঁচ কোটি ডলার কেনা হয়। মে মাসে ফের ডলার কেনার গতি বেড়েছে।
৪ মে তিন কোটি ডলার, ৫ মে পাঁচ কোটি ডলার, ১১ মে সাড়ে চার কোটি ডলার, ১২ মে দুই কোটি ডলার, ১৩ মে আড়াই কোটি ডলার ও ১৪ মে চার কোটি ডলার কেনে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর ১৮ মে ১০ কোটি ডলার ও ২০ মে আরও ১০ কোটি ডলার কেনা হয়।

দেশের ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১০ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নিয়ে কেবল মে মাসেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি ৫৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার কিনেছে। আর গত জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত কেনা ডলারের পরিমাণ ৬২৩ কোটি ৮৫ লাখ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাজারে এখন চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ বেশি। তাই রপ্তানিকারক ও প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় বাজারমূল্য ধরে রাখতে গত জুলাইয়ে ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ (এফএক্স) নিলাম কমিটির মাধ্যমে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে এসব ডলার কেনা হয়েছে। প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
এর আগে গত জুলাই থেকে দফায় দফায় মার্কিন ডলার কিনে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে গত বছরের ১৩ জুলাই ১৮টি ব্যাংক থেকে ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একদিন পর ১৫ জুলাই ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার ও এর এক সপ্তাহ পর ২৩ জুলাই আরও এক কোটি মার্কিন ডলার কেনে ব্যাংকটি।
এরপর গত ৭ আগস্ট সাড়ে চার কোটি ডলার, ১০ আগস্ট আট কোটি ৩০ লাখ ডলার, ১৪ আগস্ট ১৭ কোটি ৬৫ লাখ ডলার, ২৮ আগস্ট ১৪ কোটি ৯৫ লাখ ডলার, ২ সেপ্টেম্বর চার কোটি ৭৫ লাখ ডলার, ৪ সেপ্টেম্বর ১৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার, ৯ সেপ্টেম্বর সাড়ে ২৬ কোটি ডলার, ১৫ সেপ্টেম্বর ৩৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২২ সেপ্টেম্বর ১২ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ৬ অক্টোবর ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার, ৯ অক্টোবর ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলার ও ২৪ অক্টোবর তিন কোটি ৮০ লাখ ডলার কেনা হয়েছিল।
পরে গত ৯ ডিসেম্বর ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার, ১১ ডিসেম্বর ১৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ১৫ ডিসেম্বর ১৪ কোটি ১৪ লাখ ডলার, ১৭ ডিসেম্বর ছয় কোটি ৭০ লাখ ডলার, ২১ ডিসেম্বর ছয় কোটি ডলার, ২৯ ডিসেম্বর ১১ কোটি ৫০ লাখ ডলার ও ৩০ ডিসেম্বর আট কোটি ৯০ লাখ ডলার কেনা হয়।
এ বছরে ৬ জানুয়ারি ২২ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, ৮ জানুয়ারি ২০ কোটি ৬০ লাখ ডলার, ১২ জানুয়ারি আট কোটি ১০ লাখ ডলার, ২০ জানুয়ারি চার কোটি ৫০ লাখ ডলার, ২৯ জানুয়ারি পাঁচ কোটি ৫০ লাখ ডলার কেনে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এরপর ২ ফেব্রুয়ারি ২১ কোটি ৮৫ লাখ ডলার, ৩ ফেব্রুয়ারি ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ডলার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ১০ ফেব্রুয়ারি ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ২২ ফেব্রুয়ারি ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার ও ২৪ ফেব্রুয়ারি আট কোটি ৭০ লাখ ডলার কেনা হয়।
গত মার্চ ও এপ্রিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডলার কেনার পরিমাণ ছিল খুব কম। এর মধ্যে ২ মার্চ আড়াই কোটি ডলার ও ১৬ এপ্রিল পাঁচ কোটি ডলার কেনা হয়। মে মাসে ফের ডলার কেনার গতি বেড়েছে।
৪ মে তিন কোটি ডলার, ৫ মে পাঁচ কোটি ডলার, ১১ মে সাড়ে চার কোটি ডলার, ১২ মে দুই কোটি ডলার, ১৩ মে আড়াই কোটি ডলার ও ১৪ মে চার কোটি ডলার কেনে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর ১৮ মে ১০ কোটি ডলার ও ২০ মে আরও ১০ কোটি ডলার কেনা হয়।

এর আগে গত শুক্রবার সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে আবারও দাম কমানোর ঘোষণা এলো। বাজুস জানিয়েছে, নতুন দামের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় সোনার গয়না কেনার সময় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
৪ দিন আগে
সার্কুলারে বলা হয়, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা বা রপ্তানি ভর্তুকির আবেদনপত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১-এর অনাপত্তি সাপেক্ষে ব্যাংকের হিসাব নিরীক্ষায় নিয়োজিত সমসংখ্যক অডিট ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা করানো যাবে।
৪ দিন আগে
বাংলা কিউআর-এর ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং এ বিষয়ে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বাংলা কিউআর ব্যবহার করে কেনাকাটা করেছেন।
৬ দিন আগে
তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ, সরাসরি বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ- সবই বাংলাদেশে আসছে। বাজেট প্রথমত বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলের যে সম্ভাবনা আছে, সেটিকে মাথায় রেখে বাজেট করা হয়েছে এবং সেই সম্ভাবনাগুলো কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হ
৬ দিন আগে