
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাময়িক শিথিলের সুযোগে দীর্ঘ প্রায় নয় বছর পর ইরান থেকে জ্বালানি তেল আমদানিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত। তবে এই লেনদেনে মার্কিন ডলারের পরিবর্তে চীনের মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি তেল শোধনাগারগুলো।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আইসিআইসিআই ব্যাংকের সাংহাই শাখার মাধ্যমে এই তেলের মূল্য পরিশোধ করা হচ্ছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইরান ও রাশিয়ার তেল সমুদ্রপথে কেনাবেচার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ৩০ দিনের জন্য শিথিল করে। ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেয় ওয়াশিংটন। সেই সুযোগেই ইরানি তেল আমদানিতে সক্রিয় হয় ভারত।
সূত্রগুলো জানায়, ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ‘ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন’ প্রায় নয় বছর পর প্রথমবারের মতো প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল ইরানি তেল আমদানি করেছে। এই চালানের মূল্য প্রায় ২০ কোটি ডলার।
একই সঙ্গে বেসরকারি জ্বালানি জায়ান্ট রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের জন্য ইরানি তেলবাহী চারটি জাহাজ ভারতীয় বন্দরে ভিড়তে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ইতোমধ্যে তেল খালাস সম্পন্ন করেছে।
সূত্রের দাবি, এই দুই প্রতিষ্ঠানই আইসিআইসিআই ব্যাংকের মাধ্যমে ইউয়ানে ইরানের তেলের মূল্য পরিশোধ করেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানি তেলের মূল্য পরিশোধ প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছিল। ফলে অনেক ক্রেতাই আগ্রহ হারিয়েছিল। কিন্তু সাময়িক ছাড়ের ফলে বিকল্প মুদ্রা ব্যবহারের পথ তৈরি হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে দেওয়া এই ছাড়ের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। ফলে ইরানি তেল কেনাবেচায়নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। ফলে ইরানের তেল কেনায় এই ছাড় আজই শেষ হচ্ছে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাময়িক শিথিলের সুযোগে দীর্ঘ প্রায় নয় বছর পর ইরান থেকে জ্বালানি তেল আমদানিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত। তবে এই লেনদেনে মার্কিন ডলারের পরিবর্তে চীনের মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি তেল শোধনাগারগুলো।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আইসিআইসিআই ব্যাংকের সাংহাই শাখার মাধ্যমে এই তেলের মূল্য পরিশোধ করা হচ্ছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইরান ও রাশিয়ার তেল সমুদ্রপথে কেনাবেচার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ৩০ দিনের জন্য শিথিল করে। ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেয় ওয়াশিংটন। সেই সুযোগেই ইরানি তেল আমদানিতে সক্রিয় হয় ভারত।
সূত্রগুলো জানায়, ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ‘ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন’ প্রায় নয় বছর পর প্রথমবারের মতো প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল ইরানি তেল আমদানি করেছে। এই চালানের মূল্য প্রায় ২০ কোটি ডলার।
একই সঙ্গে বেসরকারি জ্বালানি জায়ান্ট রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের জন্য ইরানি তেলবাহী চারটি জাহাজ ভারতীয় বন্দরে ভিড়তে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ইতোমধ্যে তেল খালাস সম্পন্ন করেছে।
সূত্রের দাবি, এই দুই প্রতিষ্ঠানই আইসিআইসিআই ব্যাংকের মাধ্যমে ইউয়ানে ইরানের তেলের মূল্য পরিশোধ করেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানি তেলের মূল্য পরিশোধ প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছিল। ফলে অনেক ক্রেতাই আগ্রহ হারিয়েছিল। কিন্তু সাময়িক ছাড়ের ফলে বিকল্প মুদ্রা ব্যবহারের পথ তৈরি হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে দেওয়া এই ছাড়ের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। ফলে ইরানি তেল কেনাবেচায়নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। ফলে ইরানের তেল কেনায় এই ছাড় আজই শেষ হচ্ছে।

জি-৭ সম্মেলনের এই বিশেষ অধিবেশনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, ইতালি, জাপান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনের সাইডলাইনে প্রেসিডেন্ট জেলেঙ্কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও'র সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সামাজি
৯ ঘণ্টা আগে
তিনটি গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান সংঘাত ইরানকে বুঝিয়ে দিয়েছে— হরমুজ প্রণালি সাময়িকভাবে অচল করে দিলেই বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ, বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে বিশাল ধাক্কা দেওয়া সম্ভব। ফলে যুদ্ধ শেষ হলেও ভবিষ্যতের যেকোনো সংকটে এই কৌশল
১৮ ঘণ্টা আগে
হারেৎজের এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইতামার বেন গাভিরকে ব্যক্তিগতভাবে মার্কিন দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) দেওয়ার জন্য কড়া নির্দেশনা দেয় দূতাবাস কর্তৃপক্ষ।
২০ ঘণ্টা আগে