
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নতুন বছরের শুরুতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে শুরু করেছে। জানুয়ারি মাসের প্রথম ১২ দিনে প্রবাসীরা ৯১ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। প্রবাসীরা দৈনিক সাত কোটি ৬৩ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। রোববার (১৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ডিসেম্বর মাসের প্রথম ১৫ দিন দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৭ কোটি ডলার। আর নভেম্বরের প্রথম ১০ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৭৯ কোটি ৪৪ হাজার ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে চলতি মাসের ১২ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আট কোটি ১৮ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এক কোটি মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৮২ কোটি ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৩ লাখ মার্কিন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৯৯ কোটি ডলার। তার আগের বছর ২০২২ সালের ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিলো ১৭০ কোটি ডলার। অর্থাৎ আগের বছরের একই মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৯ কোটি ডলার।
সদ্য শেষ হওয়া ২০২৩ সালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন দুই হাজার ১৯২ কোটি (২১ দশমিক ৯২ বিলিয়ন) ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা-যা তার আগের বছরের চেয়ে ৬৩ কোটি ডলার বেশি। ২০২২ সালের ১২ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল দুই হাজার ১২৯ কোটি (২১ দশমিক ২৯ বিলিয়ন)।
গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে দুই হাজার ১৬১ কোটি সাত লাখ মার্কিন ডলার। তার আগের ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিলো দুই হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার।
চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৪০ কোটি মার্কিন ডলার।

নতুন বছরের শুরুতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে শুরু করেছে। জানুয়ারি মাসের প্রথম ১২ দিনে প্রবাসীরা ৯১ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। প্রবাসীরা দৈনিক সাত কোটি ৬৩ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। রোববার (১৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ডিসেম্বর মাসের প্রথম ১৫ দিন দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৭ কোটি ডলার। আর নভেম্বরের প্রথম ১০ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৭৯ কোটি ৪৪ হাজার ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে চলতি মাসের ১২ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আট কোটি ১৮ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এক কোটি মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৮২ কোটি ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৩ লাখ মার্কিন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৯৯ কোটি ডলার। তার আগের বছর ২০২২ সালের ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিলো ১৭০ কোটি ডলার। অর্থাৎ আগের বছরের একই মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৯ কোটি ডলার।
সদ্য শেষ হওয়া ২০২৩ সালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন দুই হাজার ১৯২ কোটি (২১ দশমিক ৯২ বিলিয়ন) ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা-যা তার আগের বছরের চেয়ে ৬৩ কোটি ডলার বেশি। ২০২২ সালের ১২ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল দুই হাজার ১২৯ কোটি (২১ দশমিক ২৯ বিলিয়ন)।
গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে দুই হাজার ১৬১ কোটি সাত লাখ মার্কিন ডলার। তার আগের ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিলো দুই হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার।
চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৪০ কোটি মার্কিন ডলার।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯৯৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন আশিকুর রহমান।
৩ দিন আগে
সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে স্বস্তির খবর হলো—অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকাই থাকছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ <৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বজায় রয়েছে।
৩ দিন আগে
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী দাবি করেছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে তাদের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একমত পোষণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
৪ দিন আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; যা আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
৪ দিন আগে