
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের ব্যাংক খাতে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় ৬০ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ‘ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট ২০২৫’-এ এমন তথ্য উঠে এসেছে।
গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণের তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। সাধারণত খেলাপি, অবলোপনকৃত এবং পুনঃতফসিল করা ঋণকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ’ হিসেবে বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; যা আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
কেবল ২০২৫ সালেই ব্যাংক খাতে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বেড়েছে ৩ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। এর আগে ২০২৪ সালে এ ধরনের ঋণ বেড়েছিল ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। ওই বছর শেষে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের আকার ছিল ৭ লাখ ৫৬ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা।
এই বিপুল পরিমাণ ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের মধ্যে খেলাপি ঋণই রয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া অবলোপন করা ঋণের পরিমাণ ৮৩ হাজার ৪৭৯ কোটি টাকা এবং পুনঃতফসিলকৃত ঋণ ৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা।
শুধু ২০২৫ সালেই রেকর্ড ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০৩ কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়েছে। এর আগের বছর যার পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে ব্যাংক খাতে মোট ঋণের স্থিতি ছিল ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯১৫ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে করপোরেট ঋণই ৪৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এছাড়া মোট ঋণের ৩১ দশমিক ১৬ শতাংশই বৃহৎ ঋণ।
অন্যদিকে, উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিতাদেশ থাকায় আরও ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকার ঋণকে খেলাপি হিসেবে দেখানো যাচ্ছে না।
ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বেড়ে যাওয়ার ফলে এক বছরের ব্যবধানে গত ডিসেম্বরে ব্যাংকগুলোর মূলধন পর্যাপ্ততা ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ অনুপাত (সিআরএআর) ৩ শতাংশ থেকে কমে ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমে এসেছে। এর অর্থ, ব্যাংক খাতে ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা কমেছে।
বিপুল এই খেলাপি ও ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের বিপরীতে ব্যাংক খাতে প্রয়োজনীয় ৪ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকার নিরাপত্তা সঞ্চিতির (প্রভিশন) বিপরীতে রাখা সম্ভব হয়েছে মাত্র ২ লাখ ৪৯ হাজার কোটি টাকা। ফলে প্রভিশন ঘাটতি থেকে গেছে প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার কোটি টাকা।
এদিকে, গত ডিসেম্বরের পর খেলাপি ঋণের অঙ্ক আরও বেড়ে এখন ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে (মার্চ পর্যন্ত) খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। এতে ব্যাংক খাতে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ সামনে আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দেশের ব্যাংক খাতে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় ৬০ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ‘ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট ২০২৫’-এ এমন তথ্য উঠে এসেছে।
গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণের তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। সাধারণত খেলাপি, অবলোপনকৃত এবং পুনঃতফসিল করা ঋণকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ’ হিসেবে বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; যা আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
কেবল ২০২৫ সালেই ব্যাংক খাতে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বেড়েছে ৩ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। এর আগে ২০২৪ সালে এ ধরনের ঋণ বেড়েছিল ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। ওই বছর শেষে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের আকার ছিল ৭ লাখ ৫৬ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা।
এই বিপুল পরিমাণ ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের মধ্যে খেলাপি ঋণই রয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া অবলোপন করা ঋণের পরিমাণ ৮৩ হাজার ৪৭৯ কোটি টাকা এবং পুনঃতফসিলকৃত ঋণ ৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা।
শুধু ২০২৫ সালেই রেকর্ড ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০৩ কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়েছে। এর আগের বছর যার পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে ব্যাংক খাতে মোট ঋণের স্থিতি ছিল ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯১৫ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে করপোরেট ঋণই ৪৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এছাড়া মোট ঋণের ৩১ দশমিক ১৬ শতাংশই বৃহৎ ঋণ।
অন্যদিকে, উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিতাদেশ থাকায় আরও ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকার ঋণকে খেলাপি হিসেবে দেখানো যাচ্ছে না।
ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বেড়ে যাওয়ার ফলে এক বছরের ব্যবধানে গত ডিসেম্বরে ব্যাংকগুলোর মূলধন পর্যাপ্ততা ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ অনুপাত (সিআরএআর) ৩ শতাংশ থেকে কমে ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমে এসেছে। এর অর্থ, ব্যাংক খাতে ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা কমেছে।
বিপুল এই খেলাপি ও ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের বিপরীতে ব্যাংক খাতে প্রয়োজনীয় ৪ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকার নিরাপত্তা সঞ্চিতির (প্রভিশন) বিপরীতে রাখা সম্ভব হয়েছে মাত্র ২ লাখ ৪৯ হাজার কোটি টাকা। ফলে প্রভিশন ঘাটতি থেকে গেছে প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার কোটি টাকা।
এদিকে, গত ডিসেম্বরের পর খেলাপি ঋণের অঙ্ক আরও বেড়ে এখন ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে (মার্চ পর্যন্ত) খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। এতে ব্যাংক খাতে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ সামনে আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক আর্থিক পারফরম্যান্সের তুলনায় এই লোকসান এখন ব্যাংকের অবস্থায় বড় ধরনের অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত পাঁচ বছর ইসলামী ব্যাংক মুনাফায় ছিল। এর মধ্যে ২০২৫ সালে ১৩৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ২০২৪ সালে ১০৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং ২০২৩ সালে ৬৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা মুনাফা করে ব্যাংকটি। এই
১১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পটি চালু করে। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে রপ্তানি বহুমুখীকরণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে আগামী ১৩ বছর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে সরকার। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পর্যায়ে মোট ৭৮ কার্গো এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত প্রতি
২ দিন আগে
উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। তবে বাংলাদেশের ওপর নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না।
২ দিন আগে