
নাজমুল ইসলাম হৃদয়

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, কর ফাঁকি ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দেশের ব্যাংকিং খাতের অন্যতম প্রভাবশালী এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যাংকের উচ্চ পদে থাকাকালীন নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিশাল অঘোষিত সম্পদ গড়ে তুলেছেন।
অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দুদক একটি তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টিম গঠন করেছে। কমিশনের নির্দেশে এখন মোসলেহ উদ্দিনসহ তার স্ত্রী ও তাদের দুই সন্তানের নামে থাকা দেশের সব ব্যাংক হিসাব, ক্রেডিট কার্ড, লকার, বন্ড ও এফডিআরের তথ্য বিশদভাবে যাচাইয়ের কাজ করছে এই টিম।
মোসলেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। এর আগে ২০১৯ সালে তিনি এনসিসি ব্যাংকের এমডি থাকাকালীন বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এক বিশেষ অনুসন্ধানে তার ও তার স্ত্রীর বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ৩৫ কোটি টাকার অস্বাভাবিক ও রহস্যজনক লেনদেনের তথ্য ধরা পড়েছিল। ওই সময় পাঁচটি ব্যাংক ও দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা তাদের সব হিসাব জব্দ করা হয়। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার প্রায় আট কোটি টাকা সরাসরি ফ্রিজ করার নির্দেশ দেন।
বিএফআইইউয়ের সেই প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল, ব্যাংকের এমডি পদে থাকা অবস্থায় মোসলেহ উদ্দিন নিজের ও স্ত্রীর নামে পাঁচটি ব্যাংক ও চারটি ব্রোকারেজ হাউজে অস্বাভাবিক পরিমাণ অর্থ জমা করেছিলেন। এমনকি তার নিজের ব্যাংক এনসিসির ঋণগ্রহীতা ও বিভিন্ন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান থেকেও তার ব্যক্তিগত হিসাবে টাকা জমা হওয়ার চাঞ্চল্যকর প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ দুর্নীতির অভিযোগে ২০২০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক মোসলেহ উদ্দিনকে এনসিসি ব্যাংকে পুনর্নিয়োগ দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
বর্তমানে শাহজালাল ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়ও মোসলেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে সম্পদ অর্জনের নতুন অভিযোগ যুক্ত হয়েছে। দুদকের সাম্প্রতিক নথিতে তার বর্তমান ঠিকানা ঢাকার নিকুঞ্জ-২ এলাকায় ২০ নম্বর সড়ক, উত্তরার ৭ নম্বর ও লালমাটিয়ার একাধিক বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তার স্থায়ী ঠিকানা চুয়াডাঙ্গার সিনেমা হল পাড়া এলাকায় থাকা স্থাবর সম্পত্তির হিসাবও এখন গোয়েন্দা নজরদারিতে।
দুদক দেশের সব ব্যাংককে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এই পরিবারের যাবতীয় ‘অ্যাকাউন্ট ওপেনিং ফরম’ থেকে শুরু করে ‘ট্রানজেকশন প্রোফাইল’ (টিপি) ও কেওয়াইসি জমা দিতে বলা হয়েছে।
সম্প্রতি মোসলেহ উদ্দীনের ৭০ লাখ টাকার একটি চেক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাহজালাল ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ অডিট বিভাগ। সন্দেহজনক লেনদেনের এ চেকটি রাজনীতি ডটকমের হাতে এসেছে।
চেকটিতে দেখা গেছে, মোসলেহ উদ্দীন ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই জিও স্টিল বিডি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জিয়াউর রহমানের নামে ৭০ লাখ টাকার এই চেকটি সই করেন। জিও স্টিলের হিসাব বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা আতাউর রহমান মামুনের মাধ্যমে চেকটি ক্যাশ করানো হয় পরদিন ২৫ জুলাই, দিলকুশায় অবস্থিত শাহজালাল ব্যাংকের প্রধান শাখা থেকে।
এ বিষয়ে জানতে মামুনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে রাজনীতি ডটকম। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা হিসেবে তিনি আদিষ্ট হয়ে চেকটি ক্যাশ করেছেন, এর বাইরে তিনি কিছু জানেন না। বর্তমানে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন না।
শাহজালাল ব্যাংকের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা রাজনীতি ডটকমকে জানান, সাধারণত বড় অঙ্কের টাকা বাহকের মাধ্যমে উত্তোলনের বিষয়টি ব্যাংক অনুমোদন করে না। মোসলেহ উদ্দীনের এই চেকটি অনুমোদন করেছেন একই ব্রাঞ্চের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মোস্তফা হোসেন।
গ্রাহকের কাছ থেকে ডলারের বিপরীতে নির্ধারিত দরের অতিরিক্ত টাকা নিয়ে সেই টাকা আত্মসাত করার অভিযোগে মোস্তফা হোসেনকে গত বছরই বদলি করে ব্যাংকের প্রধান শাখার মানবসম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ নিয়ে জানতে শাহজালাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোসলেহ উদ্দিনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) নজরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে বা তথ্য দিতে অসম্মতি জানান।
পরে তথ্যের প্রয়োজনে তাদের দুজনের সঙ্গে ইমেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। তবে তাদের কোনো সাড়া বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ তার ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে যমুনা ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়ার শীর্ষ পদে ছিলেন। দুদকের চিঠিতে ‘কর ফাঁকি’ ও ‘অবৈধ সম্পদ অর্জন’— এই শব্দগুলোর প্রয়োগ ইঙ্গিত দিচ্ছে, তার ঘোষিত আয়ের চেয়ে দৃশ্যমান সম্পদের পরিমাণ বহু গুণ বেশি।
বিশেষ করে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার গোপন পার্টনারশিপ ও ব্যাংক খাতের প্রভাবশালী পদের সুযোগ নিয়ে বিদেশে অর্থ পাচারের বিষয়টিও এই অনুসন্ধানের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ব্যাংকিং খাতের একজন শীর্ষ অভিভাবক হয়েও বারবার আর্থিক অপরাধের অভিযোগে জড়িয়ে পড়ার এ ঘটনা তার নিজের ব্যাংকেও বেশ আলোচিত।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, কর ফাঁকি ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দেশের ব্যাংকিং খাতের অন্যতম প্রভাবশালী এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যাংকের উচ্চ পদে থাকাকালীন নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিশাল অঘোষিত সম্পদ গড়ে তুলেছেন।
অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দুদক একটি তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টিম গঠন করেছে। কমিশনের নির্দেশে এখন মোসলেহ উদ্দিনসহ তার স্ত্রী ও তাদের দুই সন্তানের নামে থাকা দেশের সব ব্যাংক হিসাব, ক্রেডিট কার্ড, লকার, বন্ড ও এফডিআরের তথ্য বিশদভাবে যাচাইয়ের কাজ করছে এই টিম।
মোসলেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। এর আগে ২০১৯ সালে তিনি এনসিসি ব্যাংকের এমডি থাকাকালীন বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এক বিশেষ অনুসন্ধানে তার ও তার স্ত্রীর বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ৩৫ কোটি টাকার অস্বাভাবিক ও রহস্যজনক লেনদেনের তথ্য ধরা পড়েছিল। ওই সময় পাঁচটি ব্যাংক ও দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা তাদের সব হিসাব জব্দ করা হয়। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার প্রায় আট কোটি টাকা সরাসরি ফ্রিজ করার নির্দেশ দেন।
বিএফআইইউয়ের সেই প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল, ব্যাংকের এমডি পদে থাকা অবস্থায় মোসলেহ উদ্দিন নিজের ও স্ত্রীর নামে পাঁচটি ব্যাংক ও চারটি ব্রোকারেজ হাউজে অস্বাভাবিক পরিমাণ অর্থ জমা করেছিলেন। এমনকি তার নিজের ব্যাংক এনসিসির ঋণগ্রহীতা ও বিভিন্ন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান থেকেও তার ব্যক্তিগত হিসাবে টাকা জমা হওয়ার চাঞ্চল্যকর প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ দুর্নীতির অভিযোগে ২০২০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক মোসলেহ উদ্দিনকে এনসিসি ব্যাংকে পুনর্নিয়োগ দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
বর্তমানে শাহজালাল ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়ও মোসলেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে সম্পদ অর্জনের নতুন অভিযোগ যুক্ত হয়েছে। দুদকের সাম্প্রতিক নথিতে তার বর্তমান ঠিকানা ঢাকার নিকুঞ্জ-২ এলাকায় ২০ নম্বর সড়ক, উত্তরার ৭ নম্বর ও লালমাটিয়ার একাধিক বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তার স্থায়ী ঠিকানা চুয়াডাঙ্গার সিনেমা হল পাড়া এলাকায় থাকা স্থাবর সম্পত্তির হিসাবও এখন গোয়েন্দা নজরদারিতে।
দুদক দেশের সব ব্যাংককে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এই পরিবারের যাবতীয় ‘অ্যাকাউন্ট ওপেনিং ফরম’ থেকে শুরু করে ‘ট্রানজেকশন প্রোফাইল’ (টিপি) ও কেওয়াইসি জমা দিতে বলা হয়েছে।
সম্প্রতি মোসলেহ উদ্দীনের ৭০ লাখ টাকার একটি চেক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাহজালাল ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ অডিট বিভাগ। সন্দেহজনক লেনদেনের এ চেকটি রাজনীতি ডটকমের হাতে এসেছে।
চেকটিতে দেখা গেছে, মোসলেহ উদ্দীন ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই জিও স্টিল বিডি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জিয়াউর রহমানের নামে ৭০ লাখ টাকার এই চেকটি সই করেন। জিও স্টিলের হিসাব বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা আতাউর রহমান মামুনের মাধ্যমে চেকটি ক্যাশ করানো হয় পরদিন ২৫ জুলাই, দিলকুশায় অবস্থিত শাহজালাল ব্যাংকের প্রধান শাখা থেকে।
এ বিষয়ে জানতে মামুনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে রাজনীতি ডটকম। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা হিসেবে তিনি আদিষ্ট হয়ে চেকটি ক্যাশ করেছেন, এর বাইরে তিনি কিছু জানেন না। বর্তমানে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন না।
শাহজালাল ব্যাংকের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা রাজনীতি ডটকমকে জানান, সাধারণত বড় অঙ্কের টাকা বাহকের মাধ্যমে উত্তোলনের বিষয়টি ব্যাংক অনুমোদন করে না। মোসলেহ উদ্দীনের এই চেকটি অনুমোদন করেছেন একই ব্রাঞ্চের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মোস্তফা হোসেন।
গ্রাহকের কাছ থেকে ডলারের বিপরীতে নির্ধারিত দরের অতিরিক্ত টাকা নিয়ে সেই টাকা আত্মসাত করার অভিযোগে মোস্তফা হোসেনকে গত বছরই বদলি করে ব্যাংকের প্রধান শাখার মানবসম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ নিয়ে জানতে শাহজালাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোসলেহ উদ্দিনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) নজরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে বা তথ্য দিতে অসম্মতি জানান।
পরে তথ্যের প্রয়োজনে তাদের দুজনের সঙ্গে ইমেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। তবে তাদের কোনো সাড়া বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ তার ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে যমুনা ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়ার শীর্ষ পদে ছিলেন। দুদকের চিঠিতে ‘কর ফাঁকি’ ও ‘অবৈধ সম্পদ অর্জন’— এই শব্দগুলোর প্রয়োগ ইঙ্গিত দিচ্ছে, তার ঘোষিত আয়ের চেয়ে দৃশ্যমান সম্পদের পরিমাণ বহু গুণ বেশি।
বিশেষ করে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার গোপন পার্টনারশিপ ও ব্যাংক খাতের প্রভাবশালী পদের সুযোগ নিয়ে বিদেশে অর্থ পাচারের বিষয়টিও এই অনুসন্ধানের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ব্যাংকিং খাতের একজন শীর্ষ অভিভাবক হয়েও বারবার আর্থিক অপরাধের অভিযোগে জড়িয়ে পড়ার এ ঘটনা তার নিজের ব্যাংকেও বেশ আলোচিত।

ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী দাবি করেছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে তাদের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একমত পোষণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
৩ দিন আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; যা আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
৩ দিন আগে
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প।
৪ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক শান্তি চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত তথ্যের অভাব এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে এমন আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম।
৫ দিন আগে