
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

উচ্চ মূল্যস্ফীতি আগামী অর্থবছরে সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য অর্জন সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সরকার শুধু অর্থনৈতিক কর্মসূচি নয়, সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সামাজিক দায়িত্ব হিসেবেও দেখছে।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বাজেটে নির্ধারিত ৭ শতাংশ মূল্যস্ফীতি, ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রার পক্ষে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনের শুরুতে বাজেটের ওপর বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। পরে সংসদ নেতা তারেক রহমান বক্তব্য দেন।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি, দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সংকট এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্নের কারণে মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। মে মাসে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায়।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা এপ্রিলে ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত—উভয় খাতেই মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি সার্বিক পরিস্থিতিকে আরও চাপে ফেলেছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি জনগণের কাছে একটি অন্যতম উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সরকার এ বাস্তবতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে আমরা কেবল একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য একটি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছি।”
তিনি বলেন, “আমরা মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রিত রাখার উদ্যোগ নিয়েছি। পাশাপাশি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, কৃষি ও শিল্পসহ সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৬০টি পণ্যের উৎসে কর হ্রাস, বিনিয়ন্ত্রণকরণ এবং ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে ব্যবসার খরচ কমানো, সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটিসমূহ দূর করা, বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং অসাধুচক্রের কৃত্রিম সংকট ও কারসাজি প্রবণতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।”
সরকারের এসব পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের এসব উদ্যোগের ফলে ধাপে ধাপে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং জনজীবনে স্বস্তি আসবে।”
জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশয়ের জবাবে তিনি বলেন, “আগামী অর্থবছরের জন্য আমাদের প্রাক্কলিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ অর্জন নিয়েও কিছুটা সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। আমি মনে করি, প্রবৃদ্ধি কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি অর্থনীতির সামগ্রিক কার্যক্রম, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং আস্থার প্রতিফলন।”
তিনি আরও বলেন, “তাই, আমরা সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প, কৃষি ও আইসিটিসহ সেবাখাত এবং অর্থনীতির সকল প্রতিশ্রুতিশীল খাতের সম্প্রসারণ, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির খাতসমূহকে অর্থনীতির মূলধারায় এনে দেশব্যাপী উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছি, যা প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ অর্জনে সহায়ক হবে।”
রাজনীতি/আরআইআর

উচ্চ মূল্যস্ফীতি আগামী অর্থবছরে সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য অর্জন সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সরকার শুধু অর্থনৈতিক কর্মসূচি নয়, সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সামাজিক দায়িত্ব হিসেবেও দেখছে।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বাজেটে নির্ধারিত ৭ শতাংশ মূল্যস্ফীতি, ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রার পক্ষে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনের শুরুতে বাজেটের ওপর বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। পরে সংসদ নেতা তারেক রহমান বক্তব্য দেন।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি, দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সংকট এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্নের কারণে মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। মে মাসে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায়।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা এপ্রিলে ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত—উভয় খাতেই মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি সার্বিক পরিস্থিতিকে আরও চাপে ফেলেছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি জনগণের কাছে একটি অন্যতম উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সরকার এ বাস্তবতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে আমরা কেবল একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য একটি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছি।”
তিনি বলেন, “আমরা মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রিত রাখার উদ্যোগ নিয়েছি। পাশাপাশি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, কৃষি ও শিল্পসহ সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৬০টি পণ্যের উৎসে কর হ্রাস, বিনিয়ন্ত্রণকরণ এবং ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে ব্যবসার খরচ কমানো, সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটিসমূহ দূর করা, বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং অসাধুচক্রের কৃত্রিম সংকট ও কারসাজি প্রবণতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।”
সরকারের এসব পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের এসব উদ্যোগের ফলে ধাপে ধাপে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং জনজীবনে স্বস্তি আসবে।”
জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশয়ের জবাবে তিনি বলেন, “আগামী অর্থবছরের জন্য আমাদের প্রাক্কলিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ অর্জন নিয়েও কিছুটা সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। আমি মনে করি, প্রবৃদ্ধি কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি অর্থনীতির সামগ্রিক কার্যক্রম, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং আস্থার প্রতিফলন।”
তিনি আরও বলেন, “তাই, আমরা সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প, কৃষি ও আইসিটিসহ সেবাখাত এবং অর্থনীতির সকল প্রতিশ্রুতিশীল খাতের সম্প্রসারণ, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির খাতসমূহকে অর্থনীতির মূলধারায় এনে দেশব্যাপী উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছি, যা প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ অর্জনে সহায়ক হবে।”
রাজনীতি/আরআইআর

সাম্প্রতিক আর্থিক পারফরম্যান্সের তুলনায় এই লোকসান এখন ব্যাংকের অবস্থায় বড় ধরনের অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত পাঁচ বছর ইসলামী ব্যাংক মুনাফায় ছিল। এর মধ্যে ২০২৫ সালে ১৩৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ২০২৪ সালে ১০৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং ২০২৩ সালে ৬৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা মুনাফা করে ব্যাংকটি। এই
১১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পটি চালু করে। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে রপ্তানি বহুমুখীকরণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে আগামী ১৩ বছর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে সরকার। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পর্যায়ে মোট ৭৮ কার্গো এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত প্রতি
২ দিন আগে
উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। তবে বাংলাদেশের ওপর নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না।
২ দিন আগে