
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর ১০ শতাংশ নয়, ৫ শতাংশ কাটা হবে— এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এনবিআর থেকে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা জানানো হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, আগের মতোই পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কোনো উৎসে কর কাটা হবে না।
গত জানুয়ারি থেকে গ্রাহকরা অভিযোগ করে আসছিলেন, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হচ্ছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। বিষয়টি এনবিআরের নজরে আসার পর আজ উৎসে কর সংক্রান্ত এই স্পষ্টীকরণ ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।
এনবিআরের ব্যাখ্যা
এনবিআরের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের পরিমাণ যদি পাঁচ লাখ টাকার বেশি না হয়, তবে অর্জিত মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে ৫ শতাংশ।
এ ছাড়া কোনো ব্যক্তির কোনো আয়বর্ষে কেবল পেনশনার সঞ্চয়পত্রে পুঞ্জীভূত বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকা অতিক্রম না করলে সেই মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে শূন্য শতাংশ। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে কোনো উৎসে কর কাটা যাবে না।
তবে আয়কর আইন ২০২৩–এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির কোনো আয়বর্ষে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের পরিমাণ পাঁচ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেলে অর্জিত মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে ১০ শতাংশ।
সঞ্চয়পত্রের ধরন
বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো— পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া অন্য সব সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানও বিনিয়োগ করতে পারে।

পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর ১০ শতাংশ নয়, ৫ শতাংশ কাটা হবে— এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এনবিআর থেকে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা জানানো হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, আগের মতোই পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কোনো উৎসে কর কাটা হবে না।
গত জানুয়ারি থেকে গ্রাহকরা অভিযোগ করে আসছিলেন, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হচ্ছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। বিষয়টি এনবিআরের নজরে আসার পর আজ উৎসে কর সংক্রান্ত এই স্পষ্টীকরণ ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।
এনবিআরের ব্যাখ্যা
এনবিআরের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের পরিমাণ যদি পাঁচ লাখ টাকার বেশি না হয়, তবে অর্জিত মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে ৫ শতাংশ।
এ ছাড়া কোনো ব্যক্তির কোনো আয়বর্ষে কেবল পেনশনার সঞ্চয়পত্রে পুঞ্জীভূত বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকা অতিক্রম না করলে সেই মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে শূন্য শতাংশ। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে কোনো উৎসে কর কাটা যাবে না।
তবে আয়কর আইন ২০২৩–এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির কোনো আয়বর্ষে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের পরিমাণ পাঁচ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেলে অর্জিত মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে ১০ শতাংশ।
সঞ্চয়পত্রের ধরন
বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো— পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া অন্য সব সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানও বিনিয়োগ করতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
৩ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
৩ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
৩ দিন আগে