
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিপুল বিনিয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে বিশ্ব প্রযুক্তি খাত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিনির্ভর শেয়ারবাজার নাসডাক প্রায় ২ শতাংশ পড়ে গেছে।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক চিপ নির্মাতা কোম্পানিগুলোর শেয়ারেও বড় ধরনের বিক্রি হয়েছে। ফলে গত তিন মাস ধরে চলা এআই-নির্ভর শেয়ারবাজারের উত্থান আদৌ টেকসই কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, গত ৯০ দিনের টানা ঊর্ধ্বগতিতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। মূলত এআইকে ঘিরে অতিরিক্ত আশাবাদই বাজারকে রেকর্ড উচ্চতায় নিয়ে যায়। তবে মঙ্গলবার (২৩ জুন) সেই ধারা ভেঙে যায়, যখন বিনিয়োগকারীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন— করপোরেট খাতে এআইয়ের বাস্তব ব্যবহার ও আয় কি সত্যিই এত উচ্চ মূল্যায়নকে সমর্থন করে?
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়ে সেমিকন্ডাক্টর খাত। এনভিডিয়া ও ইন্টেলসহ বড় চিপ নির্মাতাদের শেয়ার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক চিপ কোম্পানিগুলোর প্রধান সূচকও নিম্নমুখী হয়।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০২২ সালের চক্রাকার নিম্ন অবস্থান থেকে প্রযুক্তি খাতের শেয়ারমূল্য দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছিল। মঙ্গলবারের এই দরপতন ইঙ্গিত দিচ্ছে, এআই অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে হয়তো বাজার অতিরিক্ত দ্রুত এগিয়ে গিয়েছিল।
বাজারের এই নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষা পায়নি সদ্য শেয়ারবাজারে আসা স্পেসএক্সও। ১২ জুন তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকেই কোম্পানিটির শেয়ারদরে ব্যাপক ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার লেনদেনের একপর্যায়ে শেয়ারের দাম প্রাথমিক তালিকাভুক্তির মূল্য ১৫০ ডলারের নিচে নেমে গেলেও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রায় ১৫৭ থেকে ১৬০ ডলারের মধ্যে স্থিত হয়।
আশাবাদী কিছু বিনিয়োগকারী এটিকে বাণিজ্যিক মহাকাশ খাতে দীর্ঘমেয়াদি আগ্রহের ইঙ্গিত হিসেবে দেখলেও সংশয়বাদীদের মতে, এত বড় মূল্য ওঠানামা বর্তমান বাজারের অত্যন্ত জল্পনানির্ভর চরিত্রকেই প্রকাশ করছে।
এ পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকদের অভিমতও বিভক্ত। এক পক্ষের মতে, দীর্ঘদিনের রেকর্ড ঊর্ধ্বগতির পর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা স্বাভাবিক এবং এটি সাময়িক সংশোধন মাত্র।
ব্যাংক অব আমেরিকার বিশ্লেষক বিবেক আর্য গ্রাহকদের উদ্দেশে দেওয়া এক নোটে বলেন, স্থায়ী মূল্যস্ফীতি এবং এআই প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদা শেষ পর্যন্ত খাতটির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আরও শক্তিশালী করবে। তার ভাষ্য, শিল্পটি এখন প্রাথমিক বিনিয়োগের রিটার্ন প্রমাণের ধাপ পেরিয়ে অবকাঠামো ও বিদ্যুৎ সরবরাহসংক্রান্ত বাস্তব সীমাবদ্ধতা সমাধানের পর্যায়ে প্রবেশ করছে।
তবে অন্য বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা ভিন্ন। তাদের মতে, করপোরেট আইটি বাজেটের গতি কমে আসা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে প্রযুক্তি খাতের সহজ মুনাফার সময় হয়তো শেষের দিকে।
এজে বেলের আর্থিক বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান ড্যানি হিউসন বলেন, লন্ডনের শেয়ারবাজারে প্রযুক্তি কোম্পানির সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় ওয়াল স্ট্রিটে বড় ধরনের পতন হলেও এফটিএসই ১০০ সূচক ইতিবাচক অবস্থানে থাকতে পেরেছে।
এখন বাজারের নজর আসন্ন করপোরেট আয় প্রতিবেদনের দিকে। কারণ, প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো— এআই খাতে তাদের বিপুল বিনিয়োগ যে কেবল প্রচারণা নয়, বরং বাস্তব মুনাফা তৈরি করছে, সেটি বিনিয়োগকারীদের সামনে প্রমাণ করা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিপুল বিনিয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে বিশ্ব প্রযুক্তি খাত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিনির্ভর শেয়ারবাজার নাসডাক প্রায় ২ শতাংশ পড়ে গেছে।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক চিপ নির্মাতা কোম্পানিগুলোর শেয়ারেও বড় ধরনের বিক্রি হয়েছে। ফলে গত তিন মাস ধরে চলা এআই-নির্ভর শেয়ারবাজারের উত্থান আদৌ টেকসই কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, গত ৯০ দিনের টানা ঊর্ধ্বগতিতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। মূলত এআইকে ঘিরে অতিরিক্ত আশাবাদই বাজারকে রেকর্ড উচ্চতায় নিয়ে যায়। তবে মঙ্গলবার (২৩ জুন) সেই ধারা ভেঙে যায়, যখন বিনিয়োগকারীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন— করপোরেট খাতে এআইয়ের বাস্তব ব্যবহার ও আয় কি সত্যিই এত উচ্চ মূল্যায়নকে সমর্থন করে?
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়ে সেমিকন্ডাক্টর খাত। এনভিডিয়া ও ইন্টেলসহ বড় চিপ নির্মাতাদের শেয়ার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক চিপ কোম্পানিগুলোর প্রধান সূচকও নিম্নমুখী হয়।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০২২ সালের চক্রাকার নিম্ন অবস্থান থেকে প্রযুক্তি খাতের শেয়ারমূল্য দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছিল। মঙ্গলবারের এই দরপতন ইঙ্গিত দিচ্ছে, এআই অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে হয়তো বাজার অতিরিক্ত দ্রুত এগিয়ে গিয়েছিল।
বাজারের এই নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষা পায়নি সদ্য শেয়ারবাজারে আসা স্পেসএক্সও। ১২ জুন তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকেই কোম্পানিটির শেয়ারদরে ব্যাপক ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার লেনদেনের একপর্যায়ে শেয়ারের দাম প্রাথমিক তালিকাভুক্তির মূল্য ১৫০ ডলারের নিচে নেমে গেলেও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রায় ১৫৭ থেকে ১৬০ ডলারের মধ্যে স্থিত হয়।
আশাবাদী কিছু বিনিয়োগকারী এটিকে বাণিজ্যিক মহাকাশ খাতে দীর্ঘমেয়াদি আগ্রহের ইঙ্গিত হিসেবে দেখলেও সংশয়বাদীদের মতে, এত বড় মূল্য ওঠানামা বর্তমান বাজারের অত্যন্ত জল্পনানির্ভর চরিত্রকেই প্রকাশ করছে।
এ পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকদের অভিমতও বিভক্ত। এক পক্ষের মতে, দীর্ঘদিনের রেকর্ড ঊর্ধ্বগতির পর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা স্বাভাবিক এবং এটি সাময়িক সংশোধন মাত্র।
ব্যাংক অব আমেরিকার বিশ্লেষক বিবেক আর্য গ্রাহকদের উদ্দেশে দেওয়া এক নোটে বলেন, স্থায়ী মূল্যস্ফীতি এবং এআই প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদা শেষ পর্যন্ত খাতটির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আরও শক্তিশালী করবে। তার ভাষ্য, শিল্পটি এখন প্রাথমিক বিনিয়োগের রিটার্ন প্রমাণের ধাপ পেরিয়ে অবকাঠামো ও বিদ্যুৎ সরবরাহসংক্রান্ত বাস্তব সীমাবদ্ধতা সমাধানের পর্যায়ে প্রবেশ করছে।
তবে অন্য বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা ভিন্ন। তাদের মতে, করপোরেট আইটি বাজেটের গতি কমে আসা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে প্রযুক্তি খাতের সহজ মুনাফার সময় হয়তো শেষের দিকে।
এজে বেলের আর্থিক বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান ড্যানি হিউসন বলেন, লন্ডনের শেয়ারবাজারে প্রযুক্তি কোম্পানির সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় ওয়াল স্ট্রিটে বড় ধরনের পতন হলেও এফটিএসই ১০০ সূচক ইতিবাচক অবস্থানে থাকতে পেরেছে।
এখন বাজারের নজর আসন্ন করপোরেট আয় প্রতিবেদনের দিকে। কারণ, প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো— এআই খাতে তাদের বিপুল বিনিয়োগ যে কেবল প্রচারণা নয়, বরং বাস্তব মুনাফা তৈরি করছে, সেটি বিনিয়োগকারীদের সামনে প্রমাণ করা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
৩ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
৩ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
৩ দিন আগে