
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ঘুরছে মোংলা বন্দরের অর্থনীতি। কয়েক বছর আগেও মৃত বন্দর হিসেবে বিবেচিত হত বন্দরটি। অথচ বর্তমানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সুবাদে মোংলা বন্দরে জাহাজ চলাচল বাড়ায় কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও রাজস্ব দুটোই বেড়েছে। ফলে মোংলা বন্দরের প্রতি বছর ১০০ কোটিরও বেশি লাভ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের (এমপিএ) তথ্য অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং বেড়েছে ৩০.৫৯ শতাংশ, আর আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় নিট মুনাফা বেড়েছে ২১.২৮ শতাংশ। কনটেইনার জাহাজ আগমণের নতুন রেকর্ড করেছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ (এমপিএ)। এপ্রিল মাসে মোংলা বন্দরে ৮টি কনটেইনারবাহী জাহাজ এসেছে, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
এমপিএ’র উপপরিচালক মো. মাকরুজ্জামান জানান, 'এপ্রিল মাসে যে আটটি কনটেইনারবাহী জাহাজ এসেছিল, তাতে ১,৮৭৫ টিইইউএস (২০ ফুট দৈর্ঘ্যের কনটেইনার) পণ্য ছিল।'
তিনি জানান, ২০১৯ ও ২০২০ সালের এপ্রিল মাসেও আটটি জাহাজ বন্দরে এসেছিল। তবে সেই সময়ে কনটেইনারের সংখ্যা কম ছিল।
চলতি অর্থবছরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সংখ্যাও বেড়েছে জানিয়ে মাকরুজ্জামান বলেন, এই অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে মোংলা বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২৫ হাজার ২৮ টিইইউএস। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ১৬৫ টিইইউএস। এসব কনটেইনারবাহী জাহাজ আগমনের ফলে চলতি অর্থবছরে মোংলা বন্দরের রাজস্বও বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে মোংলা বন্দরের নিট মুনাফা হয়েছে ৭০.১৯ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে একই সময়ে যা ছিল ৫৭.৮৭ কোটি টাকা।

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ঘুরছে মোংলা বন্দরের অর্থনীতি। কয়েক বছর আগেও মৃত বন্দর হিসেবে বিবেচিত হত বন্দরটি। অথচ বর্তমানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সুবাদে মোংলা বন্দরে জাহাজ চলাচল বাড়ায় কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও রাজস্ব দুটোই বেড়েছে। ফলে মোংলা বন্দরের প্রতি বছর ১০০ কোটিরও বেশি লাভ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের (এমপিএ) তথ্য অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং বেড়েছে ৩০.৫৯ শতাংশ, আর আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় নিট মুনাফা বেড়েছে ২১.২৮ শতাংশ। কনটেইনার জাহাজ আগমণের নতুন রেকর্ড করেছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ (এমপিএ)। এপ্রিল মাসে মোংলা বন্দরে ৮টি কনটেইনারবাহী জাহাজ এসেছে, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
এমপিএ’র উপপরিচালক মো. মাকরুজ্জামান জানান, 'এপ্রিল মাসে যে আটটি কনটেইনারবাহী জাহাজ এসেছিল, তাতে ১,৮৭৫ টিইইউএস (২০ ফুট দৈর্ঘ্যের কনটেইনার) পণ্য ছিল।'
তিনি জানান, ২০১৯ ও ২০২০ সালের এপ্রিল মাসেও আটটি জাহাজ বন্দরে এসেছিল। তবে সেই সময়ে কনটেইনারের সংখ্যা কম ছিল।
চলতি অর্থবছরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সংখ্যাও বেড়েছে জানিয়ে মাকরুজ্জামান বলেন, এই অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে মোংলা বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২৫ হাজার ২৮ টিইইউএস। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ১৬৫ টিইইউএস। এসব কনটেইনারবাহী জাহাজ আগমনের ফলে চলতি অর্থবছরে মোংলা বন্দরের রাজস্বও বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে মোংলা বন্দরের নিট মুনাফা হয়েছে ৭০.১৯ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে একই সময়ে যা ছিল ৫৭.৮৭ কোটি টাকা।

সেলাই মেশিন পেয়ে উচ্ছ্বসিত আরেক উপকারভোগী সানজিদা আক্তার বলেন, ‘আমি নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়ে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা সেলাই কাজে দক্ষ হয়েছি। এখন মেশিন হাতে পাওয়ার পর কাজ করে নিজেরা স্বাবলম্বী হতে পারব, পরিবারের হালও ধরতে পারব। বসুন্ধরা গ্রুপসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’
২ দিন আগে
নূর নবী বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সৎ, যোগ্য, অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। একই সঙ্গে ২০১৭ সালে যেসব শেয়ারহোল্ডারের মালিকানা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, তা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
২ দিন আগে
অর্থনীতি নানামুখী চাপে থাকায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্য পরিস্থিতিরও তেমন ‘উন্নতি না মেলায়’ আগামী দুই বছর সময় ‘কঠিন’ যাবে বলে সতর্ক করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে ব্যবসায় চাঙ্গা ভাব না এলেও এবং অর্থনীতি স্থিতিশীল না হওয়া সত্ত্বেও চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির বাজেট
২ দিন আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) ০৬টা ৩৩মিনিট নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১ দশমিক ৬৮ ডলার বা ২ দশমিক ০৯ শতাংশ কমে ৭৮ দশমিক ৮৯ ডলারে নেমে আসে। অথচ আজ দিনের শুরুতে লেনদেনের শুরুতে এই দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৮২ দশমিক ৩০ ডলারে পৌঁছেছি
২ দিন আগে