
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে অস্থির পেঁয়াজের বাজার। দাম নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিও দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে গত চার দিনে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এসেছে ১৫৫২ মেট্রিকটন পেঁয়াজ। তবুও ক্রেতাদের নাগালের বাইরে রয়েছে পেঁয়াজের দাম।
হিলি স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত ১০ জুলাই ভারতীয় ১৪টি ট্রাকে ৪০৭ মেট্রিকটন, পরদিন বৃহস্পতিবার ১০টি ট্রাকে ২৯৪ মেট্রিকটন এবং চলতি সপ্তাহের প্রথম দিন শনিবার একদিনেই ১৬টি ট্রাকে ৪৫১ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৩০ থেকে ৩২ লাখ টন। আর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ৩৭ লাখ ৮৯ হাজার ৮৮৭ টন। এর আগের বছর পেঁয়াজের উৎপাদন ছিল ৩৫ লাখ টন। অর্থাৎ চাহিদার চেয়েও দেশে এখন বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হচ্ছে। সেই হিসাবে বাজারে পেঁয়াজের ঘাটতি হওয়ার কথা নয়। তবে পচনশীল পণ্য হওয়ায় মোট উৎপাদিত পেঁয়াজের মধ্যে ৭ থেকে ৮ লাখ টন নষ্ট হয়ে যায়। তবে নষ্ট হওয়ায় পেঁয়াজের সমপরিমাণ আবার আমদানি করা হয় ভারত-চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে। সুতরাং চাহিদার চেয়ে বেশি পেঁয়াজ থাকার পর দাম বেড়েই চলেছে পণ্যটির।
যা বলছেন আমদানিকারকরা
দেশে পেঁয়াজের বাজারে নিয়ন্ত্রণে আমদানি বাড়ানো হয়েছে। তবে ৪০ শতাংশ শুল্কায়নে দিয়েই এসব পেঁয়াজ আমদানি করায় প্রতিকেজি পেঁয়াজের অতিরিক্ত ২৫ টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের। ফলে বাড়তি দামেই পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে। যদি ভারত সরকার শুল্ক কমিয়ে দেয়, তাহলে দেশের বাজারে কমবে পেঁয়াজের দাম।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক শাহীনুর রেজা শাহিন বলেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় মোকামগুলোতে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়া দাম বাড়তে বাড়তে এখন দেশীয় পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তাই দেশের বাজারের স্বাভাবিক রাখতে পেঁয়াজ আমদানি কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েছেন আমদানিকারকরা। তবে ভারত সরকার ৪০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করলে দেশে পেঁয়াজের দাম ৫০ টাকার নিচে নেমে আসবে।
আজ রবিবার হিলি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, তিন সপ্তাহ আগে দেশীয় পেঁয়াজ ৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ সেই পেঁয়াজ মানভেদে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর আমদানি করা পেঁয়াজ ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও সেই আজ পেঁয়াজ মানভেদে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন প্রতাব মল্লিক জানান, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ খানিকটা বেড়েছে। গত সপ্তাহের শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত যেখানে ২ থেকে ৪টি ট্রাকে করে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল। সেখানে গত চার দিনে ১৫৫২ মেট্রিটটন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পেঁয়াজ কাঁচা পণ্য তাই কাস্টমসের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত ছাড়করণ করা হচ্ছে। এতে বন্দর থেকে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি বন্দর কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের দৈনন্দিন আয়ও বাড়বে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে অস্থির পেঁয়াজের বাজার। দাম নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিও দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে গত চার দিনে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এসেছে ১৫৫২ মেট্রিকটন পেঁয়াজ। তবুও ক্রেতাদের নাগালের বাইরে রয়েছে পেঁয়াজের দাম।
হিলি স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত ১০ জুলাই ভারতীয় ১৪টি ট্রাকে ৪০৭ মেট্রিকটন, পরদিন বৃহস্পতিবার ১০টি ট্রাকে ২৯৪ মেট্রিকটন এবং চলতি সপ্তাহের প্রথম দিন শনিবার একদিনেই ১৬টি ট্রাকে ৪৫১ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৩০ থেকে ৩২ লাখ টন। আর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ৩৭ লাখ ৮৯ হাজার ৮৮৭ টন। এর আগের বছর পেঁয়াজের উৎপাদন ছিল ৩৫ লাখ টন। অর্থাৎ চাহিদার চেয়েও দেশে এখন বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হচ্ছে। সেই হিসাবে বাজারে পেঁয়াজের ঘাটতি হওয়ার কথা নয়। তবে পচনশীল পণ্য হওয়ায় মোট উৎপাদিত পেঁয়াজের মধ্যে ৭ থেকে ৮ লাখ টন নষ্ট হয়ে যায়। তবে নষ্ট হওয়ায় পেঁয়াজের সমপরিমাণ আবার আমদানি করা হয় ভারত-চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে। সুতরাং চাহিদার চেয়ে বেশি পেঁয়াজ থাকার পর দাম বেড়েই চলেছে পণ্যটির।
যা বলছেন আমদানিকারকরা
দেশে পেঁয়াজের বাজারে নিয়ন্ত্রণে আমদানি বাড়ানো হয়েছে। তবে ৪০ শতাংশ শুল্কায়নে দিয়েই এসব পেঁয়াজ আমদানি করায় প্রতিকেজি পেঁয়াজের অতিরিক্ত ২৫ টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের। ফলে বাড়তি দামেই পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে। যদি ভারত সরকার শুল্ক কমিয়ে দেয়, তাহলে দেশের বাজারে কমবে পেঁয়াজের দাম।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক শাহীনুর রেজা শাহিন বলেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় মোকামগুলোতে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়া দাম বাড়তে বাড়তে এখন দেশীয় পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তাই দেশের বাজারের স্বাভাবিক রাখতে পেঁয়াজ আমদানি কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েছেন আমদানিকারকরা। তবে ভারত সরকার ৪০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করলে দেশে পেঁয়াজের দাম ৫০ টাকার নিচে নেমে আসবে।
আজ রবিবার হিলি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, তিন সপ্তাহ আগে দেশীয় পেঁয়াজ ৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ সেই পেঁয়াজ মানভেদে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর আমদানি করা পেঁয়াজ ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও সেই আজ পেঁয়াজ মানভেদে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন প্রতাব মল্লিক জানান, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ খানিকটা বেড়েছে। গত সপ্তাহের শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত যেখানে ২ থেকে ৪টি ট্রাকে করে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল। সেখানে গত চার দিনে ১৫৫২ মেট্রিটটন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পেঁয়াজ কাঁচা পণ্য তাই কাস্টমসের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত ছাড়করণ করা হচ্ছে। এতে বন্দর থেকে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি বন্দর কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের দৈনন্দিন আয়ও বাড়বে।

সেলাই মেশিন পেয়ে উচ্ছ্বসিত আরেক উপকারভোগী সানজিদা আক্তার বলেন, ‘আমি নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়ে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা সেলাই কাজে দক্ষ হয়েছি। এখন মেশিন হাতে পাওয়ার পর কাজ করে নিজেরা স্বাবলম্বী হতে পারব, পরিবারের হালও ধরতে পারব। বসুন্ধরা গ্রুপসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’
২ দিন আগে
নূর নবী বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সৎ, যোগ্য, অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। একই সঙ্গে ২০১৭ সালে যেসব শেয়ারহোল্ডারের মালিকানা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, তা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
২ দিন আগে
অর্থনীতি নানামুখী চাপে থাকায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্য পরিস্থিতিরও তেমন ‘উন্নতি না মেলায়’ আগামী দুই বছর সময় ‘কঠিন’ যাবে বলে সতর্ক করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে ব্যবসায় চাঙ্গা ভাব না এলেও এবং অর্থনীতি স্থিতিশীল না হওয়া সত্ত্বেও চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির বাজেট
২ দিন আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) ০৬টা ৩৩মিনিট নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১ দশমিক ৬৮ ডলার বা ২ দশমিক ০৯ শতাংশ কমে ৭৮ দশমিক ৮৯ ডলারে নেমে আসে। অথচ আজ দিনের শুরুতে লেনদেনের শুরুতে এই দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৮২ দশমিক ৩০ ডলারে পৌঁছেছি
২ দিন আগে