
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে চলমান আন্দোলন নতুন কর্মসূচির দিকে যাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্থাপিত সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে দৃশ্যমান উদ্যোগ না এলে মঙ্গলবার (১৬ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম। একই দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের কাছে স্মারকলিপিও দেওয়া হবে।
রোববার (১৪ জুন) দুপুরে মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির আহ্বায়ক ও মুখপাত্র অধ্যাপক নুর উন-নবী মানিক।
তিনি বলেন, গ্রাহকদের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে যে সাত দফা দাবি জানানো হয়েছে, সেগুলো আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। অন্যথায় ১৬ জুন ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে সমবেত হবেন এবং গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি জমা দেবেন।
নুর উন-নবী মানিক বলেন, স্মারকলিপির মাধ্যমে দাবিগুলো সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে তুলে ধরা হবে। এরপরও যদি বিষয়গুলো গুরুত্ব না পায়, তাহলে সারাদেশের গ্রাহক ও আমানতকারীদের সম্পৃক্ত করে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি আন্দোলনের মূল দাবিগুলো পুনর্ব্যক্ত করেন। তার ভাষ্য, ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে খোরশেদ আলমকে অপসারণ করে ব্যাংকিং খাতে দক্ষ, সৎ ও পেশাদার ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে হবে। একই সঙ্গে এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা তাদের সহযোগী হিসেবে পরিচিত কাউকে ব্যাংকে পুনঃপ্রবেশের সুযোগ দেওয়া যাবে না। ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে দুর্বল করার যেকোনো উদ্যোগ বন্ধেরও দাবি জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দাবিগুলো উপেক্ষা করা হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হবে এবং সেক্ষেত্রে সৃষ্ট পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে।
ঘোষণা শেষে আন্দোলনকারীদের ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও হবে’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরে দিনের কর্মসূচি শেষ করে তারা সেখান থেকে চলে যান।
এর আগে গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাত দফা দাবি তুলে ধরে সচেতন গ্রাহক ফোরাম। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পরিবর্তন, ব্যাংকের মালিকানা আগের মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া, ব্যাংক লুটের অভিযোগে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, ইসলামী ব্যাংকগুলোকে ঘিরে অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক দূর করা, পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধার, ব্যাংক লুটেরাদের পুনর্বাসনের সুযোগ বন্ধ করা এবং ইসলামী ব্যাংক সম্পর্কিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার।
রাজনীতি/আরআইআর

ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে চলমান আন্দোলন নতুন কর্মসূচির দিকে যাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্থাপিত সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে দৃশ্যমান উদ্যোগ না এলে মঙ্গলবার (১৬ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম। একই দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের কাছে স্মারকলিপিও দেওয়া হবে।
রোববার (১৪ জুন) দুপুরে মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির আহ্বায়ক ও মুখপাত্র অধ্যাপক নুর উন-নবী মানিক।
তিনি বলেন, গ্রাহকদের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে যে সাত দফা দাবি জানানো হয়েছে, সেগুলো আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। অন্যথায় ১৬ জুন ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে সমবেত হবেন এবং গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি জমা দেবেন।
নুর উন-নবী মানিক বলেন, স্মারকলিপির মাধ্যমে দাবিগুলো সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে তুলে ধরা হবে। এরপরও যদি বিষয়গুলো গুরুত্ব না পায়, তাহলে সারাদেশের গ্রাহক ও আমানতকারীদের সম্পৃক্ত করে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি আন্দোলনের মূল দাবিগুলো পুনর্ব্যক্ত করেন। তার ভাষ্য, ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে খোরশেদ আলমকে অপসারণ করে ব্যাংকিং খাতে দক্ষ, সৎ ও পেশাদার ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে হবে। একই সঙ্গে এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা তাদের সহযোগী হিসেবে পরিচিত কাউকে ব্যাংকে পুনঃপ্রবেশের সুযোগ দেওয়া যাবে না। ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে দুর্বল করার যেকোনো উদ্যোগ বন্ধেরও দাবি জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দাবিগুলো উপেক্ষা করা হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হবে এবং সেক্ষেত্রে সৃষ্ট পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে।
ঘোষণা শেষে আন্দোলনকারীদের ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও হবে’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরে দিনের কর্মসূচি শেষ করে তারা সেখান থেকে চলে যান।
এর আগে গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাত দফা দাবি তুলে ধরে সচেতন গ্রাহক ফোরাম। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পরিবর্তন, ব্যাংকের মালিকানা আগের মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া, ব্যাংক লুটের অভিযোগে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, ইসলামী ব্যাংকগুলোকে ঘিরে অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক দূর করা, পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধার, ব্যাংক লুটেরাদের পুনর্বাসনের সুযোগ বন্ধ করা এবং ইসলামী ব্যাংক সম্পর্কিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার।
রাজনীতি/আরআইআর

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
৩ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
৩ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
৩ দিন আগে