
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে বিএনপি সরকারের জন্য ‘কঠিন পরীক্ষা’ হিসেবে মনে করছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। গত কয়েক বছর ধরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা যেমন নাজুক, তাতে বাজেটের নানা প্রস্তাবনার বাস্তবায়নযোগ্যতা নিয়ে সংস্থাটি প্রশ্ন তুলেছে।
সিপিডি বলছে, বিএনপি এই বাজেট কতটা বাস্তবায়ন করতে পারবে, তার ওপরই নির্ভর কছে বাজেটের সাফল্য। সে হিসাবে এই বাজেট বিএনপির জন্য একটি বড় সুযোগও। এ সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে বিএনপি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার দিকে নিয়ে যেতে পারবে, সেই সঙ্গে জনবান্ধব নীতির প্রতি নিজেদের অবস্থানও প্রমাণ করতে সক্ষম হবে।
শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: সিপিডির পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার বাজেট প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন বিএনপি সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার রাতেই সিপিডির পক্ষ থেকে বাজেট নিয়ে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক বলেছিলেন, বাজেট কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তার কোনো রূপরেখা বাজেট বক্তৃতায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। প্রস্তাবিত বাজেটে কিছু কিছু প্রাক্কলন, পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ বাস্তবসম্মত নয়।
শুক্রবার সকালে বাজেট নিয়ে নিজেদের বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে সিপিডি। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। এ সময় সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ও জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহকারী তামিম আহমেদসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ফাহমিদা খাতুন উল্লেখ করেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসের সাধারণ নির্বাচনের পর নবগঠিত বিএনপি সরকারের এটিই প্রথম বাজেট। এই বাজেট এমন এক সময় পেশ করা হলো যখন দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি চরম চাপের মুখে রয়েছে। গত প্রায় চার বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজমান। এর পাশাপাশি আমরা দেখছি প্রবৃদ্ধি দুর্বল হয়ে পড়েছে, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে স্থবিরতা চলছে, কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান হচ্ছে না এবং রাজস্ব আহরণে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।

দেশের ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা ও বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট দেশের উৎপাদন খাতকে ব্যাহত করছে বলে উল্লেখ করেন ড. ফাহমিদা। বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ থাকলেও তা বর্তমানে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। এ জটিল পরিস্থিতিতে বাজেটকে মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার যে দর্শন নেওয়া হয়েছে, তাকে স্বাগত জানায় সিপিডি।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার মতো সিপিডির বিস্তারিত পর্যালোচনাতেও প্রস্তাবিত বাজেটের মানব উন্নয়ন, বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক সুরক্ষার মাধ্যমে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করার কৌশলকে ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা ও ব্যবসাবান্ধব নীতির মতো বিষয়গুলো নির্বাচনি ইশতেহারের অঙ্গীকারগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাজেটে এসেছে বলে মনে করছে সংস্থাটি।
এখন এ বাজেট কতটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলে ফাহমিদা খাতুন বলেন, বাজেটের সাফল্য আকারের ওপর নির্ভর করে না, বরং এর বাস্তবায়নের মানের ওপর নির্ভর করে। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা বলে, উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার কারণে কাঙ্ক্ষিত সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় না। বাজেট বাস্তবায়নের লক্ষ্য অর্জনে দেশের কর প্রশাসন, ব্যাংকিং খাত ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্রুত ও কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এ বাজেট দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম। একই সঙ্গে বাজেটের দুই লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার বিশাল ঘাটতিও দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নিয়ে এ ঘাটতি পূরণের কৌশল নিয়েছে সরকার।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ঘাটতি মেটাতে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হবে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে। সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে নেওয়া হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ। বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে এক লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।
সিপিডি মনে করে, ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহকে সংকুচিত করতে পারে, যা নতুন কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা প্রদর্শনের এটিই সরকারের জন্য প্রথম বড় সুযোগ। বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার যদি কাঠামোগত সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিতে পারে, তবেই দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যে প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করেছেন তাতে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬.৫ শতাংশ, জিডিপির প্রাক্কলিত আকার ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকা। সবশেষ মে মাসের ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ মূল্যস্ফীতিকে আগামী অর্থবছরে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে বিএনপি সরকারের জন্য ‘কঠিন পরীক্ষা’ হিসেবে মনে করছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। গত কয়েক বছর ধরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা যেমন নাজুক, তাতে বাজেটের নানা প্রস্তাবনার বাস্তবায়নযোগ্যতা নিয়ে সংস্থাটি প্রশ্ন তুলেছে।
সিপিডি বলছে, বিএনপি এই বাজেট কতটা বাস্তবায়ন করতে পারবে, তার ওপরই নির্ভর কছে বাজেটের সাফল্য। সে হিসাবে এই বাজেট বিএনপির জন্য একটি বড় সুযোগও। এ সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে বিএনপি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার দিকে নিয়ে যেতে পারবে, সেই সঙ্গে জনবান্ধব নীতির প্রতি নিজেদের অবস্থানও প্রমাণ করতে সক্ষম হবে।
শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: সিপিডির পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার বাজেট প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন বিএনপি সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার রাতেই সিপিডির পক্ষ থেকে বাজেট নিয়ে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক বলেছিলেন, বাজেট কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তার কোনো রূপরেখা বাজেট বক্তৃতায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। প্রস্তাবিত বাজেটে কিছু কিছু প্রাক্কলন, পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ বাস্তবসম্মত নয়।
শুক্রবার সকালে বাজেট নিয়ে নিজেদের বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে সিপিডি। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। এ সময় সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ও জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহকারী তামিম আহমেদসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ফাহমিদা খাতুন উল্লেখ করেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসের সাধারণ নির্বাচনের পর নবগঠিত বিএনপি সরকারের এটিই প্রথম বাজেট। এই বাজেট এমন এক সময় পেশ করা হলো যখন দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি চরম চাপের মুখে রয়েছে। গত প্রায় চার বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজমান। এর পাশাপাশি আমরা দেখছি প্রবৃদ্ধি দুর্বল হয়ে পড়েছে, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে স্থবিরতা চলছে, কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান হচ্ছে না এবং রাজস্ব আহরণে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।

দেশের ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা ও বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট দেশের উৎপাদন খাতকে ব্যাহত করছে বলে উল্লেখ করেন ড. ফাহমিদা। বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ থাকলেও তা বর্তমানে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। এ জটিল পরিস্থিতিতে বাজেটকে মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার যে দর্শন নেওয়া হয়েছে, তাকে স্বাগত জানায় সিপিডি।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার মতো সিপিডির বিস্তারিত পর্যালোচনাতেও প্রস্তাবিত বাজেটের মানব উন্নয়ন, বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক সুরক্ষার মাধ্যমে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করার কৌশলকে ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা ও ব্যবসাবান্ধব নীতির মতো বিষয়গুলো নির্বাচনি ইশতেহারের অঙ্গীকারগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাজেটে এসেছে বলে মনে করছে সংস্থাটি।
এখন এ বাজেট কতটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলে ফাহমিদা খাতুন বলেন, বাজেটের সাফল্য আকারের ওপর নির্ভর করে না, বরং এর বাস্তবায়নের মানের ওপর নির্ভর করে। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা বলে, উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার কারণে কাঙ্ক্ষিত সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় না। বাজেট বাস্তবায়নের লক্ষ্য অর্জনে দেশের কর প্রশাসন, ব্যাংকিং খাত ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্রুত ও কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এ বাজেট দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম। একই সঙ্গে বাজেটের দুই লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার বিশাল ঘাটতিও দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নিয়ে এ ঘাটতি পূরণের কৌশল নিয়েছে সরকার।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ঘাটতি মেটাতে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হবে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে। সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে নেওয়া হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ। বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে এক লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।
সিপিডি মনে করে, ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহকে সংকুচিত করতে পারে, যা নতুন কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা প্রদর্শনের এটিই সরকারের জন্য প্রথম বড় সুযোগ। বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার যদি কাঠামোগত সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিতে পারে, তবেই দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যে প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করেছেন তাতে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬.৫ শতাংশ, জিডিপির প্রাক্কলিত আকার ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকা। সবশেষ মে মাসের ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ মূল্যস্ফীতিকে আগামী অর্থবছরে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ হাজার ৪৯ টাকা কমে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ৯৩৩ টাকা কমে ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকায় বিক্রি হবে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টা
২ দিন আগে
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যমতে, বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৪৯ ডলারে উঠেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্যাটাগরির তেলের দাম ১ দশমিক ৭২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৯৪ দশমিক ৬৩ ডলারে। হর
৩ দিন আগে
উচ্চ শুল্ক ও প্যারা-ট্যারিফ বাংলাদেশের রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বৈষম্য তৈরি করছে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির মতে, বর্তমান শুল্ক কাঠামোর কারণে স্থানীয় বাজারে পণ্য বিক্রি অনেক ক্ষেত্রে রপ্তানির চেয়ে বেশি লাভজনক হয়ে উঠেছে। এতে অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে ‘রপ্তানি-বিরোধী প্রবণতা’।
৩ দিন আগে
সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিটি ব্যাংক ও আইটিএফসি নিজেদের মধ্যে ক্ষমতাশালী কৌশলগত অংশীদারিত্ব পুনর্ব্যক্ত করে। রপ্তানি অর্থায়ন, পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন ও ওআইসি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃওআইসি বাণিজ্য লেনদেন সম্প্রসারণের সুযোগসহ আরও সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোও বিশেষ
৪ দিন আগে