
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর শান্তিনগরে পিঠা উৎসবে গিয়ে হামলার শিকার হওয়া ঢাকা-৮ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের দল থেকে বহিষ্কার দাবি করেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকায় একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলনে করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সেখানে তিনি বলেন, ‘হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে মির্জা আব্বাসের বাহিনী আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তারেক রহমানের কাছে মির্জা আব্বাসের বহিষ্কারের দাবি জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘দলে সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় দেবেন, নাকি তাদের বহিষ্কার করবেন— তা এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। আমি পুরো বাংলাদেশের কাছে হামলার বিচার দিলাম।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এই সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীসহ নির্বাচনি জোটের স্থানীয় কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন।
এ দিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পিঠা উৎসবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই উৎসবের আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে তিনি সেখানে পৌঁছালে কিছু তরুণ তাকে উদ্দেশ করে স্লোগান দেন। এরপর ধাক্কাধাক্কি শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার পর তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করে ফকিরাপুল মোড়ে যান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। নেতাকর্মী-অনুসারীদের নিয়ে তিনি পারাবত হোটেলের সামনে অবস্থান নেন।
তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কোনো দুর্নীতির টাকা নেই, সন্ত্রাসী টাকাও নেই। এরপরই আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে। হাবিবুল্লাহ কলেজে যাওয়ার আগেই প্রশ্ন ফাঁস, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও গভর্নিং বোর্ডের অনিয়মের অভিযোগ শুনেছিলেন। ওই কলেজের অধ্যক্ষ আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত এবং গভর্নিং বোর্ড গঠন করেছেন মির্জা আব্বাস।’
‘অতীতে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলাম, তখন তিনি আমাদের দোয়া করেছিলেন এবং দেশ ঠিক রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন। আজ তিনি বেঁচে থাকলে এসব কর্মকাণ্ড দেখে লজ্জা পেতেন,’— বলেন পাটওয়ারী।
তিনি আরও বলেন, ‘ভোটে জিতি বা না জিতি, ঢাকা-৮ এলাকায় কোনো সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হতে দেবো না। ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে জনগণ সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রায় দেবে।’
এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, “সাবেক ছাত্রদল নেতাসহ কয়েকজন হাবিবুল্লাহ কলেজে হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন, যাদের অনেকেরই এখন ছাত্রত্ব নেই। পুরো ঘটনার ‘মাস্টারমাইন্ড’ মির্জা আব্বাসের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি।”
‘নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে আমরা মাঠে থাকব কেন— সেটা নির্বাচন কমিশনকে পরিষ্কার করতে হবে,’— বলেন তিনি।

রাজধানীর শান্তিনগরে পিঠা উৎসবে গিয়ে হামলার শিকার হওয়া ঢাকা-৮ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের দল থেকে বহিষ্কার দাবি করেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকায় একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলনে করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সেখানে তিনি বলেন, ‘হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে মির্জা আব্বাসের বাহিনী আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তারেক রহমানের কাছে মির্জা আব্বাসের বহিষ্কারের দাবি জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘দলে সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় দেবেন, নাকি তাদের বহিষ্কার করবেন— তা এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। আমি পুরো বাংলাদেশের কাছে হামলার বিচার দিলাম।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এই সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীসহ নির্বাচনি জোটের স্থানীয় কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন।
এ দিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পিঠা উৎসবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই উৎসবের আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে তিনি সেখানে পৌঁছালে কিছু তরুণ তাকে উদ্দেশ করে স্লোগান দেন। এরপর ধাক্কাধাক্কি শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার পর তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করে ফকিরাপুল মোড়ে যান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। নেতাকর্মী-অনুসারীদের নিয়ে তিনি পারাবত হোটেলের সামনে অবস্থান নেন।
তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কোনো দুর্নীতির টাকা নেই, সন্ত্রাসী টাকাও নেই। এরপরই আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে। হাবিবুল্লাহ কলেজে যাওয়ার আগেই প্রশ্ন ফাঁস, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও গভর্নিং বোর্ডের অনিয়মের অভিযোগ শুনেছিলেন। ওই কলেজের অধ্যক্ষ আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত এবং গভর্নিং বোর্ড গঠন করেছেন মির্জা আব্বাস।’
‘অতীতে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলাম, তখন তিনি আমাদের দোয়া করেছিলেন এবং দেশ ঠিক রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন। আজ তিনি বেঁচে থাকলে এসব কর্মকাণ্ড দেখে লজ্জা পেতেন,’— বলেন পাটওয়ারী।
তিনি আরও বলেন, ‘ভোটে জিতি বা না জিতি, ঢাকা-৮ এলাকায় কোনো সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হতে দেবো না। ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে জনগণ সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রায় দেবে।’
এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, “সাবেক ছাত্রদল নেতাসহ কয়েকজন হাবিবুল্লাহ কলেজে হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন, যাদের অনেকেরই এখন ছাত্রত্ব নেই। পুরো ঘটনার ‘মাস্টারমাইন্ড’ মির্জা আব্বাসের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি।”
‘নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে আমরা মাঠে থাকব কেন— সেটা নির্বাচন কমিশনকে পরিষ্কার করতে হবে,’— বলেন তিনি।

মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম মল্লিক জানান, হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেওয়ার পর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করবেন আমির হামজা। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।
২ দিন আগে
বিজিবি জানিয়েছে, গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে এক নারী, দুই শিশু ও তিন যুবককে এবং ইজলামারী সীমান্ত দিয়ে আরও তিনজনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে বিজিবি সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
২ দিন আগে
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম সরকার দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে আপন দুই ভাই নিহত হওয়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
শনিবার (১৩ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার পাহাড়তলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাসুদুল হক চৌধুরী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
২ দিন আগে