
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের কেন্দুয়ায় বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালী ও দলের ‘বিদ্রোহী’ স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঞার (ঘোড়া প্রতীক) সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের গারাউন্দ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১টার দিকে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মেহেদী মাকসুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুরুতর আহত দুজন হলেন— গড়াডোবা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম ও ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য মোনতাজ মিয়া। তাদের বাড়ি একই ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রামে। দুজনই ধানের শীষের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালীর সমর্থক।
স্থানীয়রা জানান, গারাউন্দ ও দেওপাড়া গ্রাম দুইটি পাশাপাশি অবস্থান। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই দুই গ্রামের লোকজনই রাতে নির্বাচন নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বিএনপি প্রার্থীর অনুসারী যুবদল নেতা আব্দুল হালিমের সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থীর অনুসারী গারাউন্দ গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর মিয়ার তর্ক বাঁধে।
একপর্যায়ে দুই প্রার্থীর অনুসারীরা সংঘর্ষে জড়ান। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হন। দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। বাকিরা স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মেহেদী মাকসুদ জানান, ধানের শীষ ও ঘোড়া প্রতীকের দুই পক্ষের সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ছাড়া সেনা সদস্যরাও ঘটনাস্থলে যান।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। কোনো পক্ষই এখনও থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে শুনেছি আহতদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের কেন্দুয়ায় বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালী ও দলের ‘বিদ্রোহী’ স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঞার (ঘোড়া প্রতীক) সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের গারাউন্দ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১টার দিকে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মেহেদী মাকসুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুরুতর আহত দুজন হলেন— গড়াডোবা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম ও ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য মোনতাজ মিয়া। তাদের বাড়ি একই ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রামে। দুজনই ধানের শীষের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালীর সমর্থক।
স্থানীয়রা জানান, গারাউন্দ ও দেওপাড়া গ্রাম দুইটি পাশাপাশি অবস্থান। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই দুই গ্রামের লোকজনই রাতে নির্বাচন নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বিএনপি প্রার্থীর অনুসারী যুবদল নেতা আব্দুল হালিমের সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থীর অনুসারী গারাউন্দ গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর মিয়ার তর্ক বাঁধে।
একপর্যায়ে দুই প্রার্থীর অনুসারীরা সংঘর্ষে জড়ান। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হন। দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। বাকিরা স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মেহেদী মাকসুদ জানান, ধানের শীষ ও ঘোড়া প্রতীকের দুই পক্ষের সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ছাড়া সেনা সদস্যরাও ঘটনাস্থলে যান।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। কোনো পক্ষই এখনও থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে শুনেছি আহতদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৭ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে