
রাঙ্গামাটি প্রতিনিথি

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজিতে জড়িত এবং জুলাই সনদের বিরোধী কারও সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কোনো জোট করবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
নাম উল্লেখ না করে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে হাসনাত বলেন, গুলি খেতে না চাইলে এবং অনিয়ম-ঘুষ-দুর্নীতি থেকে বাঁচতে চাইলে এনসিপিতে চলে আসুন। আমরা আপনাদের সম্মান দেবো।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে এনসিপির তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। রাঙ্গামাটি শহরের কুমার সুমিত রায় জিমনেশিয়ামে এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজ ও জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা গেছেন, তাদের সঙ্গে আমরা জোট করবো না। এনসিপি জোটে বিশ্বাসী নয়, নির্বাচনে আসন ভাগাভাগিতে বিশ্বাসী নয়, এনসিপি রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বিশ্বাসী। কোনো ধরনের টাকা-গুন্ডা ও পেশী শক্তি ছাড়া আমরা যদি ৫০০ ভোটও পাই, সেটাই আমাদের জন্য অনেক বড় পাওনা। আমরা খেলতে আসিনি, পুরো খেলার নিয়ম পরিবর্তন করতে এসেছি।
অন্যদের এনসিপিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দলের কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, যারা বিগত বছরগুলোতে অন্যায়-নির্যাতন-জুলুমের শিকার হয়েছে, তাদের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে। বিএনপি-জামায়াতকে যদি নিরাপদ মনে না করেন, তাহলে এনসিপিতে আসুন। এনসিপি যে অবস্থান নেয়, বিএনপি-জামায়াত সেখানে আসতে বাধ্য হয়। এনসিপির জন্ম রাজপথে। তাই আগামীতে যাই কিছুই আসুক, তা রাজপথেই হবে।
১০ বছরের মধ্যে এনসিপি রাষ্ট্রক্ষমতায় যাবে— এমন আশাবাদ জানিয়ে হাসনাত বলেন, বাংলাদেশের পরবর্তী নেতৃত্ব এনসিপি দেবে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে এনসিপি সরকার গঠন করবে।
অন্যান্য দলের উদ্দেশে এনসিপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, যারা ব্যালটের প্রস্তুতি না নিয়ে বুলেটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, বাংলাদেশের জনগণ সঠিক সময়ে ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে। অস্ত্রের রাজনীতি, চাঁদাবাজির রাজনীতিতে মানুষ অতীষ্ঠ। আগামীর ভোট হবে মাফিয়া, চাঁদাবাজ ও বুলেটের বিরুদ্ধে। যারা ব্যালটের চেয়ে বুলেটকে শক্তিশালী করেছে তাদের বিচার হবে।
এনসিপি রাঙ্গামাটি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী বিপিন জ্যোতি চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সমন্বয়কারী জুবাইরুল হাসান, বিভাগীয় সমন্বয়কারী এ এস এম সুজাউদ্দিন, পার্বত্য অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক ইমন ছৈয়দ, শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক কলিন চাকমা, এনসিপি বান্দরবানের প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল, খাগড়াছড়ির প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমাসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজিতে জড়িত এবং জুলাই সনদের বিরোধী কারও সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কোনো জোট করবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
নাম উল্লেখ না করে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে হাসনাত বলেন, গুলি খেতে না চাইলে এবং অনিয়ম-ঘুষ-দুর্নীতি থেকে বাঁচতে চাইলে এনসিপিতে চলে আসুন। আমরা আপনাদের সম্মান দেবো।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে এনসিপির তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। রাঙ্গামাটি শহরের কুমার সুমিত রায় জিমনেশিয়ামে এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজ ও জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা গেছেন, তাদের সঙ্গে আমরা জোট করবো না। এনসিপি জোটে বিশ্বাসী নয়, নির্বাচনে আসন ভাগাভাগিতে বিশ্বাসী নয়, এনসিপি রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বিশ্বাসী। কোনো ধরনের টাকা-গুন্ডা ও পেশী শক্তি ছাড়া আমরা যদি ৫০০ ভোটও পাই, সেটাই আমাদের জন্য অনেক বড় পাওনা। আমরা খেলতে আসিনি, পুরো খেলার নিয়ম পরিবর্তন করতে এসেছি।
অন্যদের এনসিপিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দলের কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, যারা বিগত বছরগুলোতে অন্যায়-নির্যাতন-জুলুমের শিকার হয়েছে, তাদের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে। বিএনপি-জামায়াতকে যদি নিরাপদ মনে না করেন, তাহলে এনসিপিতে আসুন। এনসিপি যে অবস্থান নেয়, বিএনপি-জামায়াত সেখানে আসতে বাধ্য হয়। এনসিপির জন্ম রাজপথে। তাই আগামীতে যাই কিছুই আসুক, তা রাজপথেই হবে।
১০ বছরের মধ্যে এনসিপি রাষ্ট্রক্ষমতায় যাবে— এমন আশাবাদ জানিয়ে হাসনাত বলেন, বাংলাদেশের পরবর্তী নেতৃত্ব এনসিপি দেবে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে এনসিপি সরকার গঠন করবে।
অন্যান্য দলের উদ্দেশে এনসিপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, যারা ব্যালটের প্রস্তুতি না নিয়ে বুলেটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, বাংলাদেশের জনগণ সঠিক সময়ে ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে। অস্ত্রের রাজনীতি, চাঁদাবাজির রাজনীতিতে মানুষ অতীষ্ঠ। আগামীর ভোট হবে মাফিয়া, চাঁদাবাজ ও বুলেটের বিরুদ্ধে। যারা ব্যালটের চেয়ে বুলেটকে শক্তিশালী করেছে তাদের বিচার হবে।
এনসিপি রাঙ্গামাটি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী বিপিন জ্যোতি চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সমন্বয়কারী জুবাইরুল হাসান, বিভাগীয় সমন্বয়কারী এ এস এম সুজাউদ্দিন, পার্বত্য অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক ইমন ছৈয়দ, শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক কলিন চাকমা, এনসিপি বান্দরবানের প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল, খাগড়াছড়ির প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমাসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপনাদের এলাকায় যত রাস্তাঘাট ও সেতু রয়েছে, ইনশাআল্লাহ পাঁচ বছরের মধ্যে সব সম্পন্ন করা হবে। তিন মাসে যে কাজ হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি।”
১ দিন আগে
বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে