
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী নগরীর ডাবতলা এলাকায় মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে তার ছেলে তাওশিফ রহমান সুমনকে (১৮) ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে নিহত সুমনের বাবা বিচারক আব্দুর রহমান নগরীর রাজপাড়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে হামলার সময় ধস্তাধস্তিতে আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন লিমন মিয়াকে (৩৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে মামলা দায়ের শেষে ছেলের লাশ দাফনের উদ্দেশ্যে নিজের গ্রামের বাড়ি জামালপুরে রওনা হন বিচারক আব্দুর রহমান।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) উপ-কমিশনার (মিডিয়া মুখপাত্র) মো. গাজিউর রহমান বলেন, ‘বিচারক নিজে বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার একমাত্র আসামি লিমন মিয়া। মামলা দায়েরের পরই আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আসামি অসুস্থ থাকায় পুলিশের হেফাজতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। সেই সাথে তার রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।
শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের মর্গে তাওসিফ রহমান সুমনের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
ময়নাতদন্ত শেষে বেলা ১১টার দিকে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা সাংবাদিকদের প্রাথমিক তথ্য জানান।
তারা বলেন, ‘ধারালো ও চোখা অস্ত্রের আঘাতে শরীরের তিনটি স্থানে রক্তনালি ছিঁড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিচারকের ছেলেটির মৃত্যু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহীর ডাবতলা এলাকায় মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে তার ছেলে, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাওশিফ রহমান সুমনকে (১৮) ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
একই ঘটনায় বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসীও (৪৪) গুরুতর আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ঘটনাস্থল থেকে লিমন মিয়া নামে একজনকে আটক করা হয়। ঘটনার সময় ধস্তাধস্তিতে আহত হওয়ায় তিনিও বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার লিমন মিয়াকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মদোনেরপাড়া গ্রামের হেমায়েত মিয়া সোলায়মান শাহিদের ছেলে।
বিচারক আবদুর রহমানের গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলায়। তিনি পরিবার নিয়ে নগরীর ডাবতলা এলাকায় স্পার্ক ভিউ নামের ওই ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

রাজশাহী নগরীর ডাবতলা এলাকায় মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে তার ছেলে তাওশিফ রহমান সুমনকে (১৮) ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে নিহত সুমনের বাবা বিচারক আব্দুর রহমান নগরীর রাজপাড়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে হামলার সময় ধস্তাধস্তিতে আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন লিমন মিয়াকে (৩৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে মামলা দায়ের শেষে ছেলের লাশ দাফনের উদ্দেশ্যে নিজের গ্রামের বাড়ি জামালপুরে রওনা হন বিচারক আব্দুর রহমান।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) উপ-কমিশনার (মিডিয়া মুখপাত্র) মো. গাজিউর রহমান বলেন, ‘বিচারক নিজে বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার একমাত্র আসামি লিমন মিয়া। মামলা দায়েরের পরই আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আসামি অসুস্থ থাকায় পুলিশের হেফাজতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। সেই সাথে তার রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।
শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের মর্গে তাওসিফ রহমান সুমনের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
ময়নাতদন্ত শেষে বেলা ১১টার দিকে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা সাংবাদিকদের প্রাথমিক তথ্য জানান।
তারা বলেন, ‘ধারালো ও চোখা অস্ত্রের আঘাতে শরীরের তিনটি স্থানে রক্তনালি ছিঁড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিচারকের ছেলেটির মৃত্যু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহীর ডাবতলা এলাকায় মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে তার ছেলে, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাওশিফ রহমান সুমনকে (১৮) ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
একই ঘটনায় বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসীও (৪৪) গুরুতর আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ঘটনাস্থল থেকে লিমন মিয়া নামে একজনকে আটক করা হয়। ঘটনার সময় ধস্তাধস্তিতে আহত হওয়ায় তিনিও বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার লিমন মিয়াকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মদোনেরপাড়া গ্রামের হেমায়েত মিয়া সোলায়মান শাহিদের ছেলে।
বিচারক আবদুর রহমানের গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলায়। তিনি পরিবার নিয়ে নগরীর ডাবতলা এলাকায় স্পার্ক ভিউ নামের ওই ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

সকাল ৯টার দিকে রানীগঞ্জ বাজারের কাছে একই মোটরসাইকেলে চড়ে ওই তিন আরোহী স্থানীয় একটি সড়ক থেকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় অপর দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
৮ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী একটি ড্রামট্রাকের (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
৯ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ১৩ বন্ধু দেওভোগ এলাকার মোস্তাকুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলে কয়েকজন গোসলে নামেন। এ সময় পা পিছলে আজওয়াদ পানিতে দূরে চলে যান। অপর বন্ধু সোপান উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান।
১ দিন আগে
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হয়। এ সময়ে তালেব মিয়া নিজ জমিতে ধান কাটার সময় এবং স্বপন মুন্ডা স্থানীয় রাবারবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
১ দিন আগে