
বগুড়া প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। মোট প্রদত্ত ভোটের একঅষ্টমাংশ না পাওয়ায় তারা জামানতের অর্থ ফেরত পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়।
শনিবার জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না (কেটলি প্রতীক) পেয়েছেন ৩ হাজার ৪২৬ ভোট। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৯৩টি। নিয়ম অনুযায়ী জামানত ফেরত পেতে তার প্রয়োজন ছিল ৩১ হাজারের বেশি ভোট। একই আসনে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ পেয়েছেন মাত্র ৪৩৪ ভোট। তিনিও জামানত হারিয়েছেন।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে ইসলামী আন্দোলনের এ বি এম মোস্তফা কামাল পাশা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আসাদুল হক এবং গণফোরামের মো. জুলফিকার আলী নূন্যতম ভোট না পাওয়ায় জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে জাতীয় পার্টির শাহিনুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের শাহজাহান আলী তালুকদার এবং বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে জাতীয় পার্টির শাহীন মোস্তফা কামাল ও ইসলামী আন্দোলনের মুহা. ইদ্রিস আলীও জমানত হারিয়েছেন।
সবচেয়ে বড় নির্বাচনি এলাকা বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে ৪ লাখ ৯ হাজার ১৯৫টি ভোট পড়ে। এ আসনে এলডিপির খান কুদরত-ই-সাকলায়েন, ইসলামী আন্দোলনের মীর মাহমুদুর রহমান এবং সিপিবির শিপন কুমার রবিদাস জামানত হারিয়েছেন।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনে জেএসডির আবদুল্লাহ আল ওয়াকি, ইসলামী আন্দোলনের মামুনুর রশিদ এবং বাসদের প্রার্থী দিলরুবা জামানত হারিয়েছেন। বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে মুসলিম লীগের আনছার আলী ও ইসলামী আন্দোলনের শফিকুল ইসলামও নূন্যতম ভোট না পাওয়ায় জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম বলেন, আইন অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের একঅষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়া প্রার্থীদের জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হয়। বগুড়ায় এবার ২০ জন প্রার্থীর ক্ষেত্রে সেই বিধান কার্যকর হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। মোট প্রদত্ত ভোটের একঅষ্টমাংশ না পাওয়ায় তারা জামানতের অর্থ ফেরত পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়।
শনিবার জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না (কেটলি প্রতীক) পেয়েছেন ৩ হাজার ৪২৬ ভোট। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৯৩টি। নিয়ম অনুযায়ী জামানত ফেরত পেতে তার প্রয়োজন ছিল ৩১ হাজারের বেশি ভোট। একই আসনে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ পেয়েছেন মাত্র ৪৩৪ ভোট। তিনিও জামানত হারিয়েছেন।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে ইসলামী আন্দোলনের এ বি এম মোস্তফা কামাল পাশা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আসাদুল হক এবং গণফোরামের মো. জুলফিকার আলী নূন্যতম ভোট না পাওয়ায় জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে জাতীয় পার্টির শাহিনুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের শাহজাহান আলী তালুকদার এবং বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে জাতীয় পার্টির শাহীন মোস্তফা কামাল ও ইসলামী আন্দোলনের মুহা. ইদ্রিস আলীও জমানত হারিয়েছেন।
সবচেয়ে বড় নির্বাচনি এলাকা বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে ৪ লাখ ৯ হাজার ১৯৫টি ভোট পড়ে। এ আসনে এলডিপির খান কুদরত-ই-সাকলায়েন, ইসলামী আন্দোলনের মীর মাহমুদুর রহমান এবং সিপিবির শিপন কুমার রবিদাস জামানত হারিয়েছেন।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনে জেএসডির আবদুল্লাহ আল ওয়াকি, ইসলামী আন্দোলনের মামুনুর রশিদ এবং বাসদের প্রার্থী দিলরুবা জামানত হারিয়েছেন। বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে মুসলিম লীগের আনছার আলী ও ইসলামী আন্দোলনের শফিকুল ইসলামও নূন্যতম ভোট না পাওয়ায় জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম বলেন, আইন অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের একঅষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়া প্রার্থীদের জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হয়। বগুড়ায় এবার ২০ জন প্রার্থীর ক্ষেত্রে সেই বিধান কার্যকর হয়েছে।

বন্ধুদের এমন অভিনব উদ্যোগকে ঘিরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। অতিথিদের মাঝে হাস্যরস আর আলোচনা— দুটিই ছিল চোখে পড়ার মতো।
৯ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই আসন। উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম (বাদশা) ধানের শীষ, জামায়াতের আবিদুর রহমান (সোহেল) দাঁড়িপাল্লা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থী আল আমিন তালুকদার ফুলকপি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার পোকরারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাউজদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, করদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিম্নমানের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
১ দিন আগে
খাগড়াছড়িতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিউটন চাকমা (৪৭) নামে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) গ্রুপের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনি সংগঠনটির প্রসীত গ্রুপের সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে।
১ দিন আগে