
মু. আ. মোতালিব, তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলীতে বাস ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাদের দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শনিবার দুপুরে আমতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কের কেওয়াবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- আমতলী উপজেলার গাজিপুর সোনাখালী নামক এলাকার মো. আজিজুল ইসলাম (৬৫), গলাচিপা উপজেলার নলুয়া বগী নামক এলাকার খালেদা বেগম (৫০) ও মোসাদ্দেকা বেগম
জানা গেছে, কলাপাড়া উপজেলার গোলাখালী ইউনিয়নের বলইবুনিয়া গ্রাম থেকে বাবা মাওলানা জাহিদুল ইসলাম তার নবজাতক শিশু কন্যাকে ডাক্তার দেখাতে ইজিবাইকে পটুয়াখালী যাচ্ছিলেন। আমতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কের কেওয়াবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে গেলে কুয়াকাটাগামী ইকরা লাক্সারি পরিবহণ ইজিবাইকটিকে চাপা দেয়। এতে মুহূর্তের মধ্যে ইজিবাইকটি দুমড়ে মুচড়ে যায়।
এতে থাকা আজিজুল হক, খালেদা বেগম ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং মোসাদ্দেকা বেগম, ও তার নবজাতক, বাবা মাওলানা জাহিদুল ইসলাম ও তার বাবা মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস ও ইজিবাইক ওহাব গাজী (৫২) গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পরে মোসাদ্দেকার মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে ইজিবাইক চালক ওহাব ও আব্দুল কুদ্দুসের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর পেয়ে আমতলী থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে নিহত আজিজুল হক ও খালেদা বেগমের লাশ উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শী সোহেল হাওলাদার ও মেহেদী হাসান বলেন, কুয়াকাটাগামী বেপরোয়া গতির ইকরা লাক্সারি পরিবহণটি পটুয়াখালীগামী ইজিবাইককে চাপা দেয়। এতে ইজিবাইকটি দুমড়ে মুচড়ে সড়কের পাশে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলে ইজিবাইকে থাকা যাত্রী একজন পুরুষ ও নারী নিহত হয়। এছাড়া একটি কন্যাশিশুসহ আহত ৪ জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত মোসাদ্দেকার স্বামী জাহিদুল ইসলাম বলেন, নবজাতক শিশু কন্যা নিয়ে পটুয়াখালী ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছিলাম। আমার সঙ্গে আমার স্ত্রী, শ্বশুর, দাদি, ফুফা ছিল। বেপরোয়া ইকরা পরিবহণ আমাদের ইজিবাইকের ওপরে তুলে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার দাদি ও শ্বশুর মারা যান। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আমার স্ত্রীর মৃত্যু হয়। আমার শিশুকন্যাও আহত। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান তাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
আমতলী থানার এসআই মো. জলিলুর রহমান বলেন, লাশ দুটি উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।
আমতলী থানার ওসি মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, নিহত দুইজনের লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। খবর পেয়েছি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুটির মা মারা গেছে। ঘাতক গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।

বরগুনার আমতলীতে বাস ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাদের দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শনিবার দুপুরে আমতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কের কেওয়াবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- আমতলী উপজেলার গাজিপুর সোনাখালী নামক এলাকার মো. আজিজুল ইসলাম (৬৫), গলাচিপা উপজেলার নলুয়া বগী নামক এলাকার খালেদা বেগম (৫০) ও মোসাদ্দেকা বেগম
জানা গেছে, কলাপাড়া উপজেলার গোলাখালী ইউনিয়নের বলইবুনিয়া গ্রাম থেকে বাবা মাওলানা জাহিদুল ইসলাম তার নবজাতক শিশু কন্যাকে ডাক্তার দেখাতে ইজিবাইকে পটুয়াখালী যাচ্ছিলেন। আমতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কের কেওয়াবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে গেলে কুয়াকাটাগামী ইকরা লাক্সারি পরিবহণ ইজিবাইকটিকে চাপা দেয়। এতে মুহূর্তের মধ্যে ইজিবাইকটি দুমড়ে মুচড়ে যায়।
এতে থাকা আজিজুল হক, খালেদা বেগম ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং মোসাদ্দেকা বেগম, ও তার নবজাতক, বাবা মাওলানা জাহিদুল ইসলাম ও তার বাবা মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস ও ইজিবাইক ওহাব গাজী (৫২) গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পরে মোসাদ্দেকার মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে ইজিবাইক চালক ওহাব ও আব্দুল কুদ্দুসের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর পেয়ে আমতলী থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে নিহত আজিজুল হক ও খালেদা বেগমের লাশ উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শী সোহেল হাওলাদার ও মেহেদী হাসান বলেন, কুয়াকাটাগামী বেপরোয়া গতির ইকরা লাক্সারি পরিবহণটি পটুয়াখালীগামী ইজিবাইককে চাপা দেয়। এতে ইজিবাইকটি দুমড়ে মুচড়ে সড়কের পাশে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলে ইজিবাইকে থাকা যাত্রী একজন পুরুষ ও নারী নিহত হয়। এছাড়া একটি কন্যাশিশুসহ আহত ৪ জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত মোসাদ্দেকার স্বামী জাহিদুল ইসলাম বলেন, নবজাতক শিশু কন্যা নিয়ে পটুয়াখালী ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছিলাম। আমার সঙ্গে আমার স্ত্রী, শ্বশুর, দাদি, ফুফা ছিল। বেপরোয়া ইকরা পরিবহণ আমাদের ইজিবাইকের ওপরে তুলে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার দাদি ও শ্বশুর মারা যান। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আমার স্ত্রীর মৃত্যু হয়। আমার শিশুকন্যাও আহত। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান তাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
আমতলী থানার এসআই মো. জলিলুর রহমান বলেন, লাশ দুটি উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।
আমতলী থানার ওসি মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, নিহত দুইজনের লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। খবর পেয়েছি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুটির মা মারা গেছে। ঘাতক গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে