
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের পালপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে এই হামলায় চারজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত মফিজুল মৃধা (৩৮) কে প্রথমে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়; পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন—সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জহির উদ্দিন (৪২), আ. রহমান (৪০), কনস্টেবল মো. সাইফুল ইসলাম (২৯) ও মো. মহিবুল্লাহ (৩০)। তাঁদের পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীদের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে, এলাকায় টহল জোরদার করেছে পুলিশ। এদিকে হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘাটের ইজারা ও মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এলাকায় সোহাগ মাঝি (৩৫) ও মফিজুল মৃধার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। প্রায় ১০-১২ দিন আগে এ নিয়ে কথাকাটাকাটির জেরে সোহাগ প্রতিপক্ষ ছোট রেজাকে চড়-থাপ্পড় মারে। এর প্রতিশোধ নিতে বুধবার বিকেলে ছোট রেজা ২০-২৫ জনের দলবল নিয়ে সোহাগের ওপর হামলার উদ্দেশ্যে পালপাড়া বাজারে আসে।
সোহাগকে না পেয়ে তারা স্থানীয় এক চা দোকানি তারেকের দোকানে গিয়ে সোহাগকে আশ্রয় না দেওয়ার হুমকি দেয়। খবর পেয়ে সোহাগও তার লোকজন নিয়ে বাজারে আসে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে মফিজুল ও ছোট রেজার নেতৃত্বে প্রতিপক্ষ দল বাজারে প্রবেশ করে সোহাগ গ্রুপের কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও সন্ত্রাসী হামলা শুরু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীদের ছোড়া ইটপাটকেল ও অস্ত্রের আঘাতে চার পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারের দোকানপাট বন্ধ, রক্তের দাগ এখনো মাটিতে লেগে আছে। স্থানীয়রা ভয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।”
পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার জাহিদ বলেন, “ট্রিপল নাইন থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে পুলিশের সদস্যরা আহত হন। ঘটনাটির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পটুয়াখালীর সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের পালপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে এই হামলায় চারজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত মফিজুল মৃধা (৩৮) কে প্রথমে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়; পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন—সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জহির উদ্দিন (৪২), আ. রহমান (৪০), কনস্টেবল মো. সাইফুল ইসলাম (২৯) ও মো. মহিবুল্লাহ (৩০)। তাঁদের পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীদের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে, এলাকায় টহল জোরদার করেছে পুলিশ। এদিকে হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘাটের ইজারা ও মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এলাকায় সোহাগ মাঝি (৩৫) ও মফিজুল মৃধার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। প্রায় ১০-১২ দিন আগে এ নিয়ে কথাকাটাকাটির জেরে সোহাগ প্রতিপক্ষ ছোট রেজাকে চড়-থাপ্পড় মারে। এর প্রতিশোধ নিতে বুধবার বিকেলে ছোট রেজা ২০-২৫ জনের দলবল নিয়ে সোহাগের ওপর হামলার উদ্দেশ্যে পালপাড়া বাজারে আসে।
সোহাগকে না পেয়ে তারা স্থানীয় এক চা দোকানি তারেকের দোকানে গিয়ে সোহাগকে আশ্রয় না দেওয়ার হুমকি দেয়। খবর পেয়ে সোহাগও তার লোকজন নিয়ে বাজারে আসে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে মফিজুল ও ছোট রেজার নেতৃত্বে প্রতিপক্ষ দল বাজারে প্রবেশ করে সোহাগ গ্রুপের কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও সন্ত্রাসী হামলা শুরু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীদের ছোড়া ইটপাটকেল ও অস্ত্রের আঘাতে চার পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারের দোকানপাট বন্ধ, রক্তের দাগ এখনো মাটিতে লেগে আছে। স্থানীয়রা ভয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।”
পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার জাহিদ বলেন, “ট্রিপল নাইন থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে পুলিশের সদস্যরা আহত হন। ঘটনাটির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে