
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মাদারীপুরে পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধাওয়ায় শকুনি লেকের পানিতে ডুবে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এতে গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শকুনি লেক থেকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন তার মরদেহ উদ্ধার করেন। হামলার সময় পালাতে গিয়ে তিনজন নিখোঁজ হয়, একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকি দুজনের মরদেহ উদ্ধারে অভিযান চলছে। মৃত ও নিখোঁজ তরুণদের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস মাদারীপুরের ডিউটি অফিসার মো. ইমারত হোসেন জানান, একজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনো দুজন নিখোজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।
জানা গেছে, কোটা সংস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মাদারীপুর শহরের ডিসিব্রিজ এলাকায় জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা। এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। একপর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ বেধে যায়। পুলিশ, ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধিসহ প্রায় ৩০ জন আহত হন। পরে টিয়ারশেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। পরে ছত্রভঙ্গ হয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় ছয়জনকে।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলাউল হাসান জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করেছেন আন্দোলনকারীরা। এসময় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মাদারীপুরে পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধাওয়ায় শকুনি লেকের পানিতে ডুবে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এতে গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শকুনি লেক থেকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন তার মরদেহ উদ্ধার করেন। হামলার সময় পালাতে গিয়ে তিনজন নিখোঁজ হয়, একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকি দুজনের মরদেহ উদ্ধারে অভিযান চলছে। মৃত ও নিখোঁজ তরুণদের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস মাদারীপুরের ডিউটি অফিসার মো. ইমারত হোসেন জানান, একজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনো দুজন নিখোজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।
জানা গেছে, কোটা সংস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মাদারীপুর শহরের ডিসিব্রিজ এলাকায় জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা। এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। একপর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ বেধে যায়। পুলিশ, ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধিসহ প্রায় ৩০ জন আহত হন। পরে টিয়ারশেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। পরে ছত্রভঙ্গ হয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় ছয়জনকে।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলাউল হাসান জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করেছেন আন্দোলনকারীরা। এসময় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে