
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাঝনেতা গ্রামে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়েশা মনি হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। বাবার অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জেনে ফেলায় মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে বলে উঠে এসেছে তদন্তে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাবুল প্যাদা ও চাচাতো চাচা রুবেল প্যাদাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, আয়েশার বাবা বাবুল প্যাদার সঙ্গে এক নারীর দীর্ঘদিনের অবৈধ সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে আয়েশা তার বড় বোন ও প্রবাসী মাকে জানালে পরিবারিক কলহ শুরু হয়। নিজের ‘সম্মান’ রক্ষার অজুহাতে বাবুল প্যাদা মেয়েকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন এবং তা বাস্তবায়নে চাচাতো ভাই রুবেল প্যাদাকে নির্দেশ দেন।
গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে বাবুল প্যাদার সহযোগিতায় রুবেল প্যাদা ঘরে ঢুকে আয়েশাকে গলা টিপে হত্যা করেন। পরে মরদেহটি একটি বস্তায় ভরে বাড়ির রান্নাঘরের বারান্দায় রেখে তারা পালিয়ে যান।
নিখোঁজের দুই দিন পর রোববার বেলা ১১টার দিকে বাড়ির রান্নাঘরের বারান্দা থেকে আয়েশার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে নিহত আয়েশা মনির চাচাতো চাচা রুবেল প্যাদা হত্যার দায় স্বীকার করেন।
সোমবার বিকেলে রুবেল প্যাদাকে রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. দোলন হাসান তার জবানবন্দি নেন। পরে তাকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার আগে আয়েশাকে ধর্ষণের কথাও স্বীকার করেছিলেন রুবেল প্যাদা। তবে আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে তিনি কেবল হত্যার দায় স্বীকার করেন।
আদালতে দেওয়া রুবেল প্যাদার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আয়েশার বাবা বাবুল প্যাদাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আজ মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হবে।
এর আগে সোমবার (৫ জানুয়ারি) নিহতের বড় বোন সাথী আক্তার বাদী হয়ে রাঙ্গাবালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় রুবেল প্যাদাকে প্রধান আসামি করা হয়।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রযুক্তির সহায়তা ও নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে আমরা মূল আসামি ও হুকুমের আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে গুমের চেষ্টা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান।’
এলাকাবাসী এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাঝনেতা গ্রামে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়েশা মনি হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। বাবার অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জেনে ফেলায় মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে বলে উঠে এসেছে তদন্তে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাবুল প্যাদা ও চাচাতো চাচা রুবেল প্যাদাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, আয়েশার বাবা বাবুল প্যাদার সঙ্গে এক নারীর দীর্ঘদিনের অবৈধ সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে আয়েশা তার বড় বোন ও প্রবাসী মাকে জানালে পরিবারিক কলহ শুরু হয়। নিজের ‘সম্মান’ রক্ষার অজুহাতে বাবুল প্যাদা মেয়েকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন এবং তা বাস্তবায়নে চাচাতো ভাই রুবেল প্যাদাকে নির্দেশ দেন।
গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে বাবুল প্যাদার সহযোগিতায় রুবেল প্যাদা ঘরে ঢুকে আয়েশাকে গলা টিপে হত্যা করেন। পরে মরদেহটি একটি বস্তায় ভরে বাড়ির রান্নাঘরের বারান্দায় রেখে তারা পালিয়ে যান।
নিখোঁজের দুই দিন পর রোববার বেলা ১১টার দিকে বাড়ির রান্নাঘরের বারান্দা থেকে আয়েশার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে নিহত আয়েশা মনির চাচাতো চাচা রুবেল প্যাদা হত্যার দায় স্বীকার করেন।
সোমবার বিকেলে রুবেল প্যাদাকে রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. দোলন হাসান তার জবানবন্দি নেন। পরে তাকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার আগে আয়েশাকে ধর্ষণের কথাও স্বীকার করেছিলেন রুবেল প্যাদা। তবে আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে তিনি কেবল হত্যার দায় স্বীকার করেন।
আদালতে দেওয়া রুবেল প্যাদার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আয়েশার বাবা বাবুল প্যাদাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আজ মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হবে।
এর আগে সোমবার (৫ জানুয়ারি) নিহতের বড় বোন সাথী আক্তার বাদী হয়ে রাঙ্গাবালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় রুবেল প্যাদাকে প্রধান আসামি করা হয়।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রযুক্তির সহায়তা ও নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে আমরা মূল আসামি ও হুকুমের আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে গুমের চেষ্টা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান।’
এলাকাবাসী এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে