
বরিশাল প্রতিনিধি

কোটাবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে পিরোজপুরে ছাত্রদলের চার নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে পিরোজপুর শহরের সিও অফিস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিকর সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন কুমার, সহ-সভাপতি মো. মাহাদি হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাওন হোসেন ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. তহিদুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মতো সঙ্গত দাবির আন্দোলনকে রাজনৈতিক রং লাগিয়ে সরকার তা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চাচ্ছে। আর এ কারণেই অন্যায়ভাবে সারা দেশের মতো পিরোজপুরে ছাত্রদলের ওই চার সিনিয়র নেতাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করছে।
জানা গেছে, ওই সব ছাত্রদলের নেতারা দুপুরে কোটাবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়াকালে শহরের সিও অফিস এলাকা থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
তবে থানা পুলিশের দাবি তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন কুমারের মা জানান, তার ছেলে শহরে যাওয়ার কালে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

কোটাবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে পিরোজপুরে ছাত্রদলের চার নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে পিরোজপুর শহরের সিও অফিস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিকর সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন কুমার, সহ-সভাপতি মো. মাহাদি হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাওন হোসেন ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. তহিদুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মতো সঙ্গত দাবির আন্দোলনকে রাজনৈতিক রং লাগিয়ে সরকার তা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চাচ্ছে। আর এ কারণেই অন্যায়ভাবে সারা দেশের মতো পিরোজপুরে ছাত্রদলের ওই চার সিনিয়র নেতাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করছে।
জানা গেছে, ওই সব ছাত্রদলের নেতারা দুপুরে কোটাবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়াকালে শহরের সিও অফিস এলাকা থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
তবে থানা পুলিশের দাবি তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন কুমারের মা জানান, তার ছেলে শহরে যাওয়ার কালে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে