
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানী ঢাকায় নাশকতার পরিকল্পনা, ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণে জড়িত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আরও ২৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর একাধিক স্থানে অভিযান চালিয়ে ডিবির মতিঝিল, গুলশান, সাইবার, লালবাগ, তেজগাঁও, রমনা, ওয়ারী ও মিরপুর বিভাগের টিম তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন— ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক লীগের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. সোহেল (৫১), বনানী থানা ২০ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. দিদার (৪৮), মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. নাদিম হোসেন (৩৫), আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য মো কামাল হোসেন (৩৮), মিরপুর থানা ১১ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মো জুলহাস সরদার (৪৮), মোহাম্মদপুর থানা ৩২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রাজেশ দেওয়ানজি (৪০), যাত্রাবাড়ী থানা নয়ানগর ইউনিটের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে অমি (৪০), তেজগাঁও থানা ২৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মো. শামিনুর রহমান (৪৯), দক্ষিণখান থানা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান (৫৫), নেত্রকোনা সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খান শুভ (৩৩), নেত্রকোনা সদর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিনুর আলম খান (২৭), নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মুন্না (৩৮), নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাহফুজুল ইসলাম (৩৫)।
এ তালিকায় আরও রয়েছেন— আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য মো. শরীফুল হক (৩০), রমনা থানা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক তাফসির সাদেক রানা (৪৮), ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. কাউসার (৫৫), আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য শাহরিয়ার জয় শিহাব (১৮), কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহসম্পাদক মো. মজিবুর রহমান (৪৭), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোশাররফ হোসেন (৩৯), ডেমরা থানা ৬৭ নম্বর ওয়ার্ড ৫ নম্বর ইউনিটের সহসভাপতি মো. মনোয়ার হোসেন (৬০), কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সহআন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মোছা, খাদিজা আক্তার শিল্পী (৫৭), আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য মো. আরিফুল ইসলাম (৩৮), মিরপুর থানা ৩ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বাদল হাওলাদার (৪৯), আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য মো. পলাশ মোল্লা (৪২) এবং তেজগাঁও থানা কৃষক লীগের সহসভাপতি মো. মিন্টু (৫১)।
ডিবি সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির লক্ষ্যে ঝটিকা মিছিল আয়োজনের পরিকল্পনা, অর্থায়ন, সমন্বয়, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত হিসেবে প্রমাণের ভিত্তিতে এসব নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রাজধানী ঢাকায় নাশকতার পরিকল্পনা, ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণে জড়িত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আরও ২৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর একাধিক স্থানে অভিযান চালিয়ে ডিবির মতিঝিল, গুলশান, সাইবার, লালবাগ, তেজগাঁও, রমনা, ওয়ারী ও মিরপুর বিভাগের টিম তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন— ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক লীগের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. সোহেল (৫১), বনানী থানা ২০ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. দিদার (৪৮), মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. নাদিম হোসেন (৩৫), আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য মো কামাল হোসেন (৩৮), মিরপুর থানা ১১ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মো জুলহাস সরদার (৪৮), মোহাম্মদপুর থানা ৩২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রাজেশ দেওয়ানজি (৪০), যাত্রাবাড়ী থানা নয়ানগর ইউনিটের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে অমি (৪০), তেজগাঁও থানা ২৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মো. শামিনুর রহমান (৪৯), দক্ষিণখান থানা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান (৫৫), নেত্রকোনা সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খান শুভ (৩৩), নেত্রকোনা সদর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিনুর আলম খান (২৭), নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মুন্না (৩৮), নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাহফুজুল ইসলাম (৩৫)।
এ তালিকায় আরও রয়েছেন— আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য মো. শরীফুল হক (৩০), রমনা থানা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক তাফসির সাদেক রানা (৪৮), ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. কাউসার (৫৫), আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য শাহরিয়ার জয় শিহাব (১৮), কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহসম্পাদক মো. মজিবুর রহমান (৪৭), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোশাররফ হোসেন (৩৯), ডেমরা থানা ৬৭ নম্বর ওয়ার্ড ৫ নম্বর ইউনিটের সহসভাপতি মো. মনোয়ার হোসেন (৬০), কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সহআন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মোছা, খাদিজা আক্তার শিল্পী (৫৭), আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য মো. আরিফুল ইসলাম (৩৮), মিরপুর থানা ৩ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বাদল হাওলাদার (৪৯), আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য মো. পলাশ মোল্লা (৪২) এবং তেজগাঁও থানা কৃষক লীগের সহসভাপতি মো. মিন্টু (৫১)।
ডিবি সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির লক্ষ্যে ঝটিকা মিছিল আয়োজনের পরিকল্পনা, অর্থায়ন, সমন্বয়, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত হিসেবে প্রমাণের ভিত্তিতে এসব নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে