
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় বিয়ের দাওয়াতে উপস্থিত হওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে জিতু মিয়া (৫৫) নামে এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ধরমন্ডল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত জিতু মিয়া ধরমন্ডল গ্রামের আলাই মিয়ার ছেলে। তিনি ধরমন্ডল ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে জিতু মিয়ার গোষ্ঠী ও রমজান মিয়ার গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর আগেও তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এক পর্যায়ে আজ বিকেলে ধরমন্ডল গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে জিতু মিয়ার উপস্থিতি নিয়ে রমজান মিয়া গোষ্ঠীর লোকজন আপত্তি জানায়। এ নিয়ে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করা হলে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জিতু মিয়া গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় জিতু মিয়াকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় বিয়ের দাওয়াতে উপস্থিত হওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে জিতু মিয়া (৫৫) নামে এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ধরমন্ডল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত জিতু মিয়া ধরমন্ডল গ্রামের আলাই মিয়ার ছেলে। তিনি ধরমন্ডল ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে জিতু মিয়ার গোষ্ঠী ও রমজান মিয়ার গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর আগেও তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এক পর্যায়ে আজ বিকেলে ধরমন্ডল গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে জিতু মিয়ার উপস্থিতি নিয়ে রমজান মিয়া গোষ্ঠীর লোকজন আপত্তি জানায়। এ নিয়ে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করা হলে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জিতু মিয়া গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় জিতু মিয়াকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৯ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে