কুমিল্লা-৪ এ হাসনাত আবদুল্লাহর নিরঙ্কুশ বিজয়

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
হাসনাত আব্দুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) সংসদীয় আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও জামায়াত সমর্থিত জোটের নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন। ইলেকশনওয়াচ বাংলাদেশ নামের একটি বেসরকারি সংস্থার ওয়েবসাইটে এ তথ্য উঠে আসে।

সংস্থাটির গণনা অনুসারে, কুমিল্লা-৪ এ হাসনাত আবদুল্লাহ পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জসিম উদ্দীন (ট্রাক প্রতীক) পেয়েছেন মাত্র ২৬ হাজার ভোট।

এ আসনের নির্বাচনি লড়াই শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনায় ঠাসা। শুরুতে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ও চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী দলীয় মনোনয়ন পেলেও ঋণখেলাপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়ন বাতিল করে। এরপর উচ্চ আদালতেও তার রিট খারিজ হয়ে গেলে তিনি চূড়ান্তভাবে প্রার্থিতা হারান।

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ছিটকে পড়ার পর বিএনপি কার্যত প্রার্থীশূন্য হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে জামায়াত-এনসিপি জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহকে ঠেকাতে বিএনপি জোটগতভাবে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জসিম উদ্দীনকে (ট্রাক প্রতীক) সমর্থন দেয়।

তবে ট্রাকের সমর্থনে নির্বাচনি প্রচারের সময় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর 'ভোট না দিলে হামলা ও ভাঙচুরের' মতো হুমকির বিষয়টি সামনে এলে ব্যপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত দলের কেন্দ্রীয় সদস্য পদ, এমনকি প্রাথমিক সদস্য পদ থেকেও তাকে বহিষ্কার করা হয়।

এদিকে নির্বাচনের দিন ভোট চলাকালীন নানা অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে বিকাল ৫টায় ফেসবুক লাইভে এসে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসিম উদ্দিন। তার দাবি ছিল, বিভিন্ন কেন্দ্রে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে এবং ভোটগ্রহণে স্বচ্ছতা ছিল না।

হাসনাত আবদুল্লাহর বিশাল ব্যবধানে এ জয়ের পেছনে জুলাই অভ্যুত্থান এবং এর পরবর্তী সময়ে ভূমিকা থাকায় যুবসমাজের সমর্থন, জামায়াত জোটের সংহতি এবং বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল বড় ভূমিকা পালন করেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর অনুপস্থিতি এবং হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য পথ আরও প্রশস্ত করে দেয়।

হাসনাত আবদুল্লাহর সমর্থকরা এই জয়কে 'নতুন রাজনীতির বিজয়' হিসেবে দেখছেন। দেবীদ্বার পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এখন জয়ের উল্লাস চলছে।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

পরিত্যক্ত কূপে নেমে প্রাণ গেল বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।

১৫ ঘণ্টা আগে

মেহেরপুর সীমান্তে ৪ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।

১ দিন আগে

শিশুসহ ৪ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে রৌমারী সীমান্ত থেকে

স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।

২ দিন আগে

সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ আটক ‘জুলাই যোদ্ধা’, গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।

২ দিন আগে