
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের কান্দিপাড়া এলাকায় প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনায় টুটুল মিয়া ও শিহাব উদ্দিন নামে দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে জেলা পৌর শহরের মাদরাসা রোডের পপুলার প্রেসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। টুটুলের পায়ে ২০–২৫টি রাবার বুলেট এবং শিহাব উদ্দিনের হাত-পায়ে কয়েকটি ছররা গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে হাসপাতালের চিকিৎসকরা দুজনই শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীরা জানায়, শহরের মাদরাসা রোডের পপুলার প্রেসের সামনে দাঁড়িয়ে চা পান করছিলেন টুটুল মিয়া। এসময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে তার ডান পায়ে একাধিক রাবার বুলেট লাগে। পাশে থাকা শিহাব উদ্দিনও গুলিবিদ্ধ হন।
আহত টুটুল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় শাকিল নামে একজন তাকে সরাসরি গুলি করে। বিভিন্ন সময়ে শাকিলের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় এই হামলার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
আহত শিহাব উদ্দিন জানান, তিনি টুটুলের পাশে দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন। হঠাৎ গুলিবর্ষণের পর তার হাত-পায়ে গুলি লাগে। এরপর পরিস্থিতি বুঝতে এগিয়ে গেলে তাকেও লক্ষ্য করে গুলি করতে উদ্যত হয় হামলাকারী।
এদিকে অভিযুক্ত শাকিল নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, চোরাচালান পণ্য নিয়ে তাদের নিজেদের মধ্যেই গোলাগুলি হয়েছে, তিনি এর সঙ্গে জড়িত নন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নূর ই আবেদীন সিফাত বলেন, একজনের পায়ে ২০–২৫টির মতো রাবার বুলেট রয়েছে। দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুজনেই শঙ্কামুক্ত।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, আধ্যিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পাওয়া গেছে। কারা জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের কান্দিপাড়া এলাকায় প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনায় টুটুল মিয়া ও শিহাব উদ্দিন নামে দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে জেলা পৌর শহরের মাদরাসা রোডের পপুলার প্রেসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। টুটুলের পায়ে ২০–২৫টি রাবার বুলেট এবং শিহাব উদ্দিনের হাত-পায়ে কয়েকটি ছররা গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে হাসপাতালের চিকিৎসকরা দুজনই শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীরা জানায়, শহরের মাদরাসা রোডের পপুলার প্রেসের সামনে দাঁড়িয়ে চা পান করছিলেন টুটুল মিয়া। এসময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে তার ডান পায়ে একাধিক রাবার বুলেট লাগে। পাশে থাকা শিহাব উদ্দিনও গুলিবিদ্ধ হন।
আহত টুটুল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় শাকিল নামে একজন তাকে সরাসরি গুলি করে। বিভিন্ন সময়ে শাকিলের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় এই হামলার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
আহত শিহাব উদ্দিন জানান, তিনি টুটুলের পাশে দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন। হঠাৎ গুলিবর্ষণের পর তার হাত-পায়ে গুলি লাগে। এরপর পরিস্থিতি বুঝতে এগিয়ে গেলে তাকেও লক্ষ্য করে গুলি করতে উদ্যত হয় হামলাকারী।
এদিকে অভিযুক্ত শাকিল নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, চোরাচালান পণ্য নিয়ে তাদের নিজেদের মধ্যেই গোলাগুলি হয়েছে, তিনি এর সঙ্গে জড়িত নন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নূর ই আবেদীন সিফাত বলেন, একজনের পায়ে ২০–২৫টির মতো রাবার বুলেট রয়েছে। দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুজনেই শঙ্কামুক্ত।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, আধ্যিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পাওয়া গেছে। কারা জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপনাদের এলাকায় যত রাস্তাঘাট ও সেতু রয়েছে, ইনশাআল্লাহ পাঁচ বছরের মধ্যে সব সম্পন্ন করা হবে। তিন মাসে যে কাজ হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি।”
১ দিন আগে
বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে