
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে মো. সেলিম ভূইয়া (৫৫) নামের এক নেতা মারা গেছেন। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাঙ্গড্ডা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হন।
সেলিম হেসাখাল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি একই ইউনিয়নের হেসাখাল গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক জানান, শনিবার বিকেলে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোবাশ্বের আলম ভূইয়ার সমর্থকরা বাঙ্গড্ডা বাদশা মিয়া স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন যুবদলের কর্মিসভার আয়োজন করেন। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে সাবেক এমপি আবদুল গফুর ভূঁইয়ার সমর্থকরা সভাস্থলের পাশ নিয়ে যাওয়ার পথে তাদের ওপর হামলা করেন আলম ভূইয়ার লোকজন।
তিনি আরো জানান, উভয় গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় গফুর ভূঁইয়া গ্রুপের একাধিক নেতাকর্মী আহত হন। তাদের উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেলিমকে মৃত ঘোষণা করেন ডাক্তার। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে গফুর ভূঁইয়া বলেন, রায়কোট ইউনিয়নের বাসন্ডা গ্রামে আমাদের এক কর্মীর বাড়িতে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে দুপুরে দাওয়াত খেতে যাই। বিকেল ৩টার দিকে সেখান থেকে ফেরার পথে বাঙ্গড্ডা বাজার এলাকায় আমার নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে মোবাশ্বেরের লোকজন। এক পর্যায়ে তারা আমার ৫-৬ জন নেতাকর্মীকে পিটিয়ে আহত করেন।
আলম ভূইয়ার বলেন, ‘আমার নেতাকর্মীদের সঙ্গে আজ কারো হামলার ঘটনা ঘটেনি। আমি বিকেল সাড়ে ৪টায় কর্মিসভা স্থলে প্রবেশ করে শান্তিপূর্ণভাবে বক্তব্য দিয়ে সাড়ে ৫টায় স্থান ত্যাগ করি। এমন কোনো খবর পাইনি। আপনার মাধ্যমে এই মাত্র জানতে পারলাম।’

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে মো. সেলিম ভূইয়া (৫৫) নামের এক নেতা মারা গেছেন। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাঙ্গড্ডা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হন।
সেলিম হেসাখাল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি একই ইউনিয়নের হেসাখাল গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক জানান, শনিবার বিকেলে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোবাশ্বের আলম ভূইয়ার সমর্থকরা বাঙ্গড্ডা বাদশা মিয়া স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন যুবদলের কর্মিসভার আয়োজন করেন। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে সাবেক এমপি আবদুল গফুর ভূঁইয়ার সমর্থকরা সভাস্থলের পাশ নিয়ে যাওয়ার পথে তাদের ওপর হামলা করেন আলম ভূইয়ার লোকজন।
তিনি আরো জানান, উভয় গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় গফুর ভূঁইয়া গ্রুপের একাধিক নেতাকর্মী আহত হন। তাদের উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেলিমকে মৃত ঘোষণা করেন ডাক্তার। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে গফুর ভূঁইয়া বলেন, রায়কোট ইউনিয়নের বাসন্ডা গ্রামে আমাদের এক কর্মীর বাড়িতে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে দুপুরে দাওয়াত খেতে যাই। বিকেল ৩টার দিকে সেখান থেকে ফেরার পথে বাঙ্গড্ডা বাজার এলাকায় আমার নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে মোবাশ্বেরের লোকজন। এক পর্যায়ে তারা আমার ৫-৬ জন নেতাকর্মীকে পিটিয়ে আহত করেন।
আলম ভূইয়ার বলেন, ‘আমার নেতাকর্মীদের সঙ্গে আজ কারো হামলার ঘটনা ঘটেনি। আমি বিকেল সাড়ে ৪টায় কর্মিসভা স্থলে প্রবেশ করে শান্তিপূর্ণভাবে বক্তব্য দিয়ে সাড়ে ৫টায় স্থান ত্যাগ করি। এমন কোনো খবর পাইনি। আপনার মাধ্যমে এই মাত্র জানতে পারলাম।’

রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
১ দিন আগে
এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে ডিবি পুলিশের দাবি, ওই যুবককে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। বরং তার সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছে এবং তাকে খাবারও দেওয়া হয়েছিল।
২ দিন আগে
হারুন অর রশিদ বলেন, গত শুক্রবার সাবেক এমপি মাহমুদ হাসান সুমনের ‘স্পার্ক ভিশন’ নামে একটি বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনার পর থেকে বিএনপিকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
২ দিন আগে
পরিবার সূত্র জানায়, রবিবার বাদ আসর রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুম মোশাররফের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে তিনি আক্রান্ত ছিলেন।
২ দিন আগে