
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় নিজ বাড়ির পাশের এক জায়গায় মোটরসাইকেলে থাকা মুখোশধারীরা এক যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে। নিহত জানে আলম সিকদার (৪৮) সিকদার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাউজান উপজেলা যুবদলের সদস্য ও পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলিমিয়াহাট এলাকায় সিকদার পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সিকদার পাড়া গ্রামে বাড়ির অদূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন জানে আলম। এ সময় মোটরসাইকেলে করে মুখোশ পরা তিনজন সেখানে হাজির হন। জানে আলমকে গুলি করেই তারা দ্রুত সটকে পড়েন। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন গিয়ে জানে আলমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান।
স্বজনরা জানান, জানে আলমের বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলির চিহ্ন রয়েছে। এ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
যুবদল নেতা জানে আলমের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। কারা গুলি করেছে, তাদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু হয়েছে। কেন এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত জানে আলম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাউজানে বিএনপি প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। একই আসনে বিএনপি আরেক কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম আকবর খোন্দকারকেও মনোনয়ন দিয়েছে।

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় নিজ বাড়ির পাশের এক জায়গায় মোটরসাইকেলে থাকা মুখোশধারীরা এক যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে। নিহত জানে আলম সিকদার (৪৮) সিকদার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাউজান উপজেলা যুবদলের সদস্য ও পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলিমিয়াহাট এলাকায় সিকদার পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সিকদার পাড়া গ্রামে বাড়ির অদূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন জানে আলম। এ সময় মোটরসাইকেলে করে মুখোশ পরা তিনজন সেখানে হাজির হন। জানে আলমকে গুলি করেই তারা দ্রুত সটকে পড়েন। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন গিয়ে জানে আলমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান।
স্বজনরা জানান, জানে আলমের বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলির চিহ্ন রয়েছে। এ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
যুবদল নেতা জানে আলমের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। কারা গুলি করেছে, তাদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু হয়েছে। কেন এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত জানে আলম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাউজানে বিএনপি প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। একই আসনে বিএনপি আরেক কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম আকবর খোন্দকারকেও মনোনয়ন দিয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
২১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে