
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

পুরো মুনাফাসহ আমানত ফেরতের দাবিতে চট্টগ্রামে একীভূত পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহক ও আমানতকারীরা টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যাংকের শাখায় তালা ঝুলিয়ে দেন তারা।
সোমবার (৪ মে) সকালে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশনে’র ব্যানারে বন্দরনগরীর আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড়ে সমাবেশ করেন বিক্ষোভকারীরা। সমাবেশ শেষে তারা এক্সিম ব্যাংকের শাখায় গিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন।
পরে বিক্ষোভকারীরা মিছিল নিয়ে ইউনিয়ন ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখায় যান। সেখানে কর্মকর্তাদের বের করে দিয়ে শাখায় তালা লাগানো হয়। একইভাবে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শাখাতেও তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে গতকাল রোববার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ এলাকাতেও একই দাবিতে বিক্ষোভ করেন গ্রাহক ও আমানতকারীরা।
একীভূত হওয়া ব্যাংক পাঁচটি হলো— ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নওশিন জান্নাত নামের একজন বলেন, ‘আমরা রাস্তায় নামতে চাই না, আমরা শুধু আমাদের টাকা ফেরত চাই। এভাবে চলতে থাকলে গ্রাহকদের আস্থা হারাবে ব্যাংক খাত, দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
আরেক আমানতকারী নাজমুল হাসান জানান, তিনি ২০১৮ সালে ব্যাংকে টাকা রেখেছিলেন এবং আগে মুনাফাও পেয়েছেন। তবে এখন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মুনাফা হয়নি জানিয়ে মূল আমানত থেকেই টাকা কাটার কথা বলছে, যা গ্রাহকদের জন্য ক্ষতির কারণ হচ্ছে।
ইউনিয়ন ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখার ব্যবস্থাপক কায়সারুল আলম বলেন, সব গ্রাহক এক সঙ্গে টাকা তুলতে এলে তা পরিশোধ করা সম্ভব নয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আন্দোলনের কারণে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পুরো মুনাফাসহ আমানত ফেরতের দাবিতে চট্টগ্রামে একীভূত পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহক ও আমানতকারীরা টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যাংকের শাখায় তালা ঝুলিয়ে দেন তারা।
সোমবার (৪ মে) সকালে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশনে’র ব্যানারে বন্দরনগরীর আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড়ে সমাবেশ করেন বিক্ষোভকারীরা। সমাবেশ শেষে তারা এক্সিম ব্যাংকের শাখায় গিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন।
পরে বিক্ষোভকারীরা মিছিল নিয়ে ইউনিয়ন ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখায় যান। সেখানে কর্মকর্তাদের বের করে দিয়ে শাখায় তালা লাগানো হয়। একইভাবে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শাখাতেও তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে গতকাল রোববার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ এলাকাতেও একই দাবিতে বিক্ষোভ করেন গ্রাহক ও আমানতকারীরা।
একীভূত হওয়া ব্যাংক পাঁচটি হলো— ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নওশিন জান্নাত নামের একজন বলেন, ‘আমরা রাস্তায় নামতে চাই না, আমরা শুধু আমাদের টাকা ফেরত চাই। এভাবে চলতে থাকলে গ্রাহকদের আস্থা হারাবে ব্যাংক খাত, দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
আরেক আমানতকারী নাজমুল হাসান জানান, তিনি ২০১৮ সালে ব্যাংকে টাকা রেখেছিলেন এবং আগে মুনাফাও পেয়েছেন। তবে এখন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মুনাফা হয়নি জানিয়ে মূল আমানত থেকেই টাকা কাটার কথা বলছে, যা গ্রাহকদের জন্য ক্ষতির কারণ হচ্ছে।
ইউনিয়ন ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখার ব্যবস্থাপক কায়সারুল আলম বলেন, সব গ্রাহক এক সঙ্গে টাকা তুলতে এলে তা পরিশোধ করা সম্ভব নয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আন্দোলনের কারণে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে