
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড় থেকে পড়ে গুরুতর আহত বন্য একটি মা হাতি মারা গেছে।
রোববার (১২ জুলাই) সকাল পৌনে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাতিটির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
বন বিভাগ জানায়, শনিবার দুপুরে টেকনাফ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাইট্যাংপাড়ার শিয়ালঘোনা পাহাড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয় হাতিটি। টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় লতাপাতা খাওয়ার সময় ভারসাম্য হারিয়ে এটি পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে পড়ে যায়।
প্রায় ১০০ থেকে ৩০০ ফুট নিচে পড়ে যাওয়ার পর হাতিটির পেছনের দুটি পা ভেঙে যায়। পাশাপাশি পেটেও গুরুতর আঘাত লাগে। বন কর্মকর্তাদের ধারণা, হাতিটির বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে টেকনাফ উপজেলা প্রাণিসম্পদ ভেটেরিনারি হাসপাতাল ও চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের চিকিৎসকদের সহায়তায় হাতিটির চিকিৎসা শুরু হয়।
তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় আহত হাতিটিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে ঘটনাস্থলেই রেখে চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছিল।
টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশিদ বলেন, ‘হাতিটির চিকিৎসা চলছিল এবং সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। কিন্তু রোববার সকালে সেটি মারা গেছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনীক চৌধুরী জানান, আহত হাতিটিকে বাঁচাতে চিকিৎসকেরা চেষ্টা চালিয়েছেন। বর্তমানে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, দুর্ঘটনার পর হাতিটির চিৎকার শুনে তারা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে প্রাণীটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বন বিভাগের কর্মীরা এসে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
বন বিভাগ জানিয়েছে, শিয়ালঘোনা পাহাড় এলাকায় এশীয় প্রজাতির প্রায় ২৩টি বন্য হাতির বিচরণ রয়েছে। চলমান ভারী বর্ষণে পাহাড়ি এলাকার ঢাল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় বন্য প্রাণীর দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেড়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড় থেকে পড়ে গুরুতর আহত বন্য একটি মা হাতি মারা গেছে।
রোববার (১২ জুলাই) সকাল পৌনে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাতিটির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
বন বিভাগ জানায়, শনিবার দুপুরে টেকনাফ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাইট্যাংপাড়ার শিয়ালঘোনা পাহাড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয় হাতিটি। টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় লতাপাতা খাওয়ার সময় ভারসাম্য হারিয়ে এটি পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে পড়ে যায়।
প্রায় ১০০ থেকে ৩০০ ফুট নিচে পড়ে যাওয়ার পর হাতিটির পেছনের দুটি পা ভেঙে যায়। পাশাপাশি পেটেও গুরুতর আঘাত লাগে। বন কর্মকর্তাদের ধারণা, হাতিটির বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে টেকনাফ উপজেলা প্রাণিসম্পদ ভেটেরিনারি হাসপাতাল ও চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের চিকিৎসকদের সহায়তায় হাতিটির চিকিৎসা শুরু হয়।
তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় আহত হাতিটিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে ঘটনাস্থলেই রেখে চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছিল।
টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশিদ বলেন, ‘হাতিটির চিকিৎসা চলছিল এবং সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। কিন্তু রোববার সকালে সেটি মারা গেছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনীক চৌধুরী জানান, আহত হাতিটিকে বাঁচাতে চিকিৎসকেরা চেষ্টা চালিয়েছেন। বর্তমানে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, দুর্ঘটনার পর হাতিটির চিৎকার শুনে তারা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে প্রাণীটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বন বিভাগের কর্মীরা এসে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
বন বিভাগ জানিয়েছে, শিয়ালঘোনা পাহাড় এলাকায় এশীয় প্রজাতির প্রায় ২৩টি বন্য হাতির বিচরণ রয়েছে। চলমান ভারী বর্ষণে পাহাড়ি এলাকার ঢাল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় বন্য প্রাণীর দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেড়েছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে