
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮ নম্বর সংসদীয় আসন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে ১১ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন এ আসনের মুসলিম লীগের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মোস্তফা।
আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) তিনি মুখ্য জেলা ও দায়রা জজ এবং নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেছেন।
অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে রয়েছেন—
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মনোনয়নপত্র দাখিলের পর থেকে প্রতীক বরাদ্দের আগ পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচার নিষিদ্ধ থাকলেও অভিযুক্তরা বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে সভা-সমাবেশ করে একটি নির্দিষ্ট প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তারা খাগড়াছড়ি আসনে প্রকাশ্যে নির্বাচনি মিছিল, সভা ও প্রচারে অংশ নেন।
এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছবি ও ভিডিও প্রচারের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করা এবং মিথ্যা প্রতিশ্রুতি ও প্ররোচনার অভিযোগও আনা হয়েছে, যা নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী ‘দণ্ডনীয় অপরাধ’ বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, পোলিং অফিসারের মতো সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত থেকেও কয়েকজন কর্মকর্তা প্রকাশ্যে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছেন, যা নির্বাচনি আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুতর বাধা সৃষ্টি করছে।
সরকারি দায়িত্ব ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেও অভিযুক্তরা আর্থিক লোভে পক্ষপাতমূলক প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়ে। বলা হয়, এতে একদিকে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদেরও বেআইনি কর্মকাণ্ডে প্ররোচিত করা হচ্ছে।
অভিযোগকারী সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মোস্তফা জানান, অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্যপ্রমাণ ও তথ্য-উপাত্ত আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮ নম্বর সংসদীয় আসন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে ১১ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন এ আসনের মুসলিম লীগের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মোস্তফা।
আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) তিনি মুখ্য জেলা ও দায়রা জজ এবং নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেছেন।
অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে রয়েছেন—
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মনোনয়নপত্র দাখিলের পর থেকে প্রতীক বরাদ্দের আগ পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচার নিষিদ্ধ থাকলেও অভিযুক্তরা বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে সভা-সমাবেশ করে একটি নির্দিষ্ট প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তারা খাগড়াছড়ি আসনে প্রকাশ্যে নির্বাচনি মিছিল, সভা ও প্রচারে অংশ নেন।
এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছবি ও ভিডিও প্রচারের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করা এবং মিথ্যা প্রতিশ্রুতি ও প্ররোচনার অভিযোগও আনা হয়েছে, যা নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী ‘দণ্ডনীয় অপরাধ’ বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, পোলিং অফিসারের মতো সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত থেকেও কয়েকজন কর্মকর্তা প্রকাশ্যে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছেন, যা নির্বাচনি আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুতর বাধা সৃষ্টি করছে।
সরকারি দায়িত্ব ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেও অভিযুক্তরা আর্থিক লোভে পক্ষপাতমূলক প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়ে। বলা হয়, এতে একদিকে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদেরও বেআইনি কর্মকাণ্ডে প্ররোচিত করা হচ্ছে।
অভিযোগকারী সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মোস্তফা জানান, অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্যপ্রমাণ ও তথ্য-উপাত্ত আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে