
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর, যা গত ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রবল বর্ষণের সঙ্গে জোয়ারের পানি যুক্ত হওয়ায় নগরের বহু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এ ছাড়া জলাবদ্ধতায় রেলপথ তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় সাড়ে ছয়শ যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনও আটকা পড়েছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানান, সোমবার বিকেল ৩টা থেকে মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে ১৯৮৩ সালের ৪ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ৫১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছিল। সে হিসাবে এবার ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে।
গত রোববার সকাল থেকে বন্দরনগরীতে বৃষ্টি শুরু হয়। সেদিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৪০ মিলিমিটার। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয় ২০৬ মিলিমিটার। মঙ্গলবার সকাল থেকে অতি ভারী বর্ষণের সঙ্গে জোয়ার যুক্ত হওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে।
বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে জোয়ার শুরু হলে ভারী বৃষ্টিতে জমে থাকা পানি খাল হয়ে নদী ও সাগরে নামতে পারেনি। ফলে একে একে নগরের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা, চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি বাড়তে থাকে। কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার বেশ কয়েকটি বাসাবাড়ির নিচতলায় পানি ঢুকে পড়ে।

জলাবদ্ধতার কারণে নগরের পোর্ট কানেক্টিং সড়কের হালিশহর আবাসিক এলাকা থেকে নয়া বাজার পর্যন্ত অংশ, অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের বড় দিঘির পাড় এবং আরাকান সড়কের সিঅ্যান্ডবি ও মৌলভী পুকুর পাড় এলাকার সড়ক তলিয়ে যায়।
এ ছাড়া কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, সিডিএ আবাসিক এলাকা, পাঁচলাইশ, কাপাসগোলা, চকবাজার, রামপুর, তিন পোলের মাথা, বাটালি রোড, কাস্টম হাউজ, জামালখান বাই লেন, রহমতগঞ্জ, হালিশহর আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ বেপারীপাড়া কাঁচাবাজার, মৌলভীপাড়া এলাকা এবং কাঠগড় মুসলিমাবাদ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

নগরের বেশির ভাগ খালের পানি উপচে সড়কে উঠে আসে। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত খালগুলোর স্লুইস গেট দুপুরে খুলে দেওয়া হয়।
হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়কের ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বড় দিঘির পাড় এলাকায় কোমরসমান পানি জমে যায়। মূল সড়কে জমে থাকা পানিতে স্থানীয়দের জাল ফেলে মাছ ধরতেও দেখা যায়।
অন্যদিকে আরাকান সড়কের সিঅ্যান্ডবি ও মৌলভী পুকুর পাড় এলাকায় মূল সড়কের পানির মধ্যে দিয়েই বড় ও মাঝারি যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। পোর্ট কানেক্টিং সড়কের হালিশহর আবাসিক এলাকা থেকে নয়া বাজার পর্যন্ত অংশেও ভারী যানবাহন পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করেছে।
এদিকে অতি ভারী বৃষ্টিতে নগরের পতেঙ্গা এলাকায় একটি বাইপাস সড়কের একাংশ ধসে পড়ে। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ষোলশহর এলাকায় রেললাইনের ওপর পানি জমে যাওয়ায় প্রায় সাড়ে ছয়শ যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন আটকা পড়ে। বিকেল ৩টার পরও বন্দরনগরীর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আবারও মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়।

টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর, যা গত ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রবল বর্ষণের সঙ্গে জোয়ারের পানি যুক্ত হওয়ায় নগরের বহু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এ ছাড়া জলাবদ্ধতায় রেলপথ তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় সাড়ে ছয়শ যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনও আটকা পড়েছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানান, সোমবার বিকেল ৩টা থেকে মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে ১৯৮৩ সালের ৪ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ৫১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছিল। সে হিসাবে এবার ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে।
গত রোববার সকাল থেকে বন্দরনগরীতে বৃষ্টি শুরু হয়। সেদিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৪০ মিলিমিটার। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয় ২০৬ মিলিমিটার। মঙ্গলবার সকাল থেকে অতি ভারী বর্ষণের সঙ্গে জোয়ার যুক্ত হওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে।
বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে জোয়ার শুরু হলে ভারী বৃষ্টিতে জমে থাকা পানি খাল হয়ে নদী ও সাগরে নামতে পারেনি। ফলে একে একে নগরের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা, চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি বাড়তে থাকে। কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার বেশ কয়েকটি বাসাবাড়ির নিচতলায় পানি ঢুকে পড়ে।

জলাবদ্ধতার কারণে নগরের পোর্ট কানেক্টিং সড়কের হালিশহর আবাসিক এলাকা থেকে নয়া বাজার পর্যন্ত অংশ, অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের বড় দিঘির পাড় এবং আরাকান সড়কের সিঅ্যান্ডবি ও মৌলভী পুকুর পাড় এলাকার সড়ক তলিয়ে যায়।
এ ছাড়া কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, সিডিএ আবাসিক এলাকা, পাঁচলাইশ, কাপাসগোলা, চকবাজার, রামপুর, তিন পোলের মাথা, বাটালি রোড, কাস্টম হাউজ, জামালখান বাই লেন, রহমতগঞ্জ, হালিশহর আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ বেপারীপাড়া কাঁচাবাজার, মৌলভীপাড়া এলাকা এবং কাঠগড় মুসলিমাবাদ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

নগরের বেশির ভাগ খালের পানি উপচে সড়কে উঠে আসে। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত খালগুলোর স্লুইস গেট দুপুরে খুলে দেওয়া হয়।
হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়কের ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বড় দিঘির পাড় এলাকায় কোমরসমান পানি জমে যায়। মূল সড়কে জমে থাকা পানিতে স্থানীয়দের জাল ফেলে মাছ ধরতেও দেখা যায়।
অন্যদিকে আরাকান সড়কের সিঅ্যান্ডবি ও মৌলভী পুকুর পাড় এলাকায় মূল সড়কের পানির মধ্যে দিয়েই বড় ও মাঝারি যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। পোর্ট কানেক্টিং সড়কের হালিশহর আবাসিক এলাকা থেকে নয়া বাজার পর্যন্ত অংশেও ভারী যানবাহন পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করেছে।
এদিকে অতি ভারী বৃষ্টিতে নগরের পতেঙ্গা এলাকায় একটি বাইপাস সড়কের একাংশ ধসে পড়ে। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ষোলশহর এলাকায় রেললাইনের ওপর পানি জমে যাওয়ায় প্রায় সাড়ে ছয়শ যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন আটকা পড়ে। বিকেল ৩টার পরও বন্দরনগরীর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আবারও মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে