
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় স্বামীর সঙ্গে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে এক গৃহবধূকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সময় জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে স্বামীর কল পেয়ে পুলিশ এসে ওই নারীকে উদ্ধার ও চারজনকে গ্রেপ্তার করে। অভিযুক্ত অপর একজন পালিয়ে গেছেন।
গতকাল রোববার দিবাগত ১২টার দিকে চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের কামারখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে উদ্ধার নারী ধর্ষণের অভিযোগ এনে চান্দিনা থানায় মামলা করেছেন। তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মাদারপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আশিক (৩১), কামারখোলা গ্রামের মেহেদী হাসান তারেক (২৪), মো. আরিফ (৩৪) ও মো. ইসমাইল (৩৭)। আজ সোমবার (৪ মে) পুলিশ তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
লিখিত অভিযোগের বরাতে থানা-পুলিশ জানিয়েছে, বরুড়া উপজেলার একটি গ্রামের ওই দম্পতি গতকাল রাত ৯টার দিকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে চান্দিনার একটি গ্রামে আত্মীয়ের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে রাত ১০টার দিকে কামারখোলা এলাকায় পৌঁছালে অটোরিকশার চালক জানান, ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেছে। এরপর তাদের নামিয়ে দেন। নিরুপায় হয়ে ওই দম্পতি হেঁটে গন্তব্যে রওনা হন।
এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েক যুবক তাদের পথ রোধ করেন এবং বাগ্বিতণ্ডা শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা আরও কয়েকজনকে ডেকে আনেন। পরে ওই নারীর স্বামীকে দূরে সরিয়ে দিয়ে তাকে পাশের একটি খেতে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়।
বাদীর স্বামী জানান, পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি জাতীয় জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজনকে আটক করে। পরে মামলা হলে আটক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
ভুক্তভোগী নারী বলেন, ‘আমাকে তারা জোরপূর্বক ভুট্টাখেতে নিয়ে ধর্ষণ শুরু করে। আমি তাদের পায়ে ধরেছি, চিৎকার করে কান্না করেছি, তবু রেহাই পেলাম না।’
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে পাঁচজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুজন সরাসরি ধর্ষণে জড়িত ছিলেন, অন্যরা সহযোগী ছিলেন। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই একজন পালিয়ে যান। অন্য চারজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
ওসি আরও বলেন, ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন। তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কুমেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। আটক যুবকদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় স্বামীর সঙ্গে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে এক গৃহবধূকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সময় জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে স্বামীর কল পেয়ে পুলিশ এসে ওই নারীকে উদ্ধার ও চারজনকে গ্রেপ্তার করে। অভিযুক্ত অপর একজন পালিয়ে গেছেন।
গতকাল রোববার দিবাগত ১২টার দিকে চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের কামারখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে উদ্ধার নারী ধর্ষণের অভিযোগ এনে চান্দিনা থানায় মামলা করেছেন। তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মাদারপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আশিক (৩১), কামারখোলা গ্রামের মেহেদী হাসান তারেক (২৪), মো. আরিফ (৩৪) ও মো. ইসমাইল (৩৭)। আজ সোমবার (৪ মে) পুলিশ তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
লিখিত অভিযোগের বরাতে থানা-পুলিশ জানিয়েছে, বরুড়া উপজেলার একটি গ্রামের ওই দম্পতি গতকাল রাত ৯টার দিকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে চান্দিনার একটি গ্রামে আত্মীয়ের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে রাত ১০টার দিকে কামারখোলা এলাকায় পৌঁছালে অটোরিকশার চালক জানান, ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেছে। এরপর তাদের নামিয়ে দেন। নিরুপায় হয়ে ওই দম্পতি হেঁটে গন্তব্যে রওনা হন।
এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েক যুবক তাদের পথ রোধ করেন এবং বাগ্বিতণ্ডা শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা আরও কয়েকজনকে ডেকে আনেন। পরে ওই নারীর স্বামীকে দূরে সরিয়ে দিয়ে তাকে পাশের একটি খেতে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়।
বাদীর স্বামী জানান, পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি জাতীয় জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজনকে আটক করে। পরে মামলা হলে আটক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
ভুক্তভোগী নারী বলেন, ‘আমাকে তারা জোরপূর্বক ভুট্টাখেতে নিয়ে ধর্ষণ শুরু করে। আমি তাদের পায়ে ধরেছি, চিৎকার করে কান্না করেছি, তবু রেহাই পেলাম না।’
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে পাঁচজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুজন সরাসরি ধর্ষণে জড়িত ছিলেন, অন্যরা সহযোগী ছিলেন। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই একজন পালিয়ে যান। অন্য চারজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
ওসি আরও বলেন, ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন। তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কুমেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। আটক যুবকদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে