
বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দাম মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার দুপুরে যশোর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান এই ছাত্রনেতা।
পরে সন্ধ্যায় সাদ্দাম সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামের বাড়িতে ফিরে তার স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও তার নয় মাস বয়সী ছেলে নাজিফ হাসানের কবর জিয়ারত করেন। গত সোমবার উচ্চ আদালত সাদ্দামের ছয় মাসের জামিন মঞ্জুর করে।
ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দাম রাতে সাংবাদিকদের বলেন, গত বছরের ৫ এপ্রিল গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হই। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাগেরহাটের অন্তত ১১টি মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আমার বিরুদ্ধে যেসব মামলা হয়েছে প্রতিটি মামলার সময় আমি চিকিৎসার জন্য দেশের (ভারতে ছিলাম) বাইরে ছিলাম। আমি যদি অপরাধী হতাম তা হলে দেশে ফিরতাম না।
আদালতে পাসপোর্ট দেখিয়েও আমার জামিন হয়নি। আমাকে জামিনে বের করার জন্য আমার স্ত্রী স্বর্ণালী আদালতের দ্বারে দ্বারে দৌড়ে বেড়িয়েছে। এক পর্যায়ে আমার জামিন করাতে না পেরে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। আমি ছাত্রলীগের একজন সাধারণ কর্মী। মামলায় জেলে যাওয়ার পর আমাকে তিনটি মাস সেলবন্দি করে রাখা হয়েছে। আমি রাষ্ট্রের একজন নাগরিক। রাষ্ট্রের কাছে একজন নাগরিক অধিকার পেয়ে থাকে।
তিনি আরও বলেন, জেলবন্দিরা (প্রত্যেক আসামি) ফোনকলের সুবিধা পেয়ে থাকে। আমি সেই সুবিধা পাইনি। আমাকে যদি ফোন কলের সুযোগ দেওয়া হতো তাহলে আমার হতাশাগ্রস্ত স্ত্রীকে আমি বুঝাতে পারতাম শান্তনা দিতে পারতাম। আমাকে বাগেরহাট কারাগার থেকে যশোরের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। যার কারণে আমার স্ত্রী আমার সাথে নিয়ম অনুযায়ি দেখা করতে পারেনি। যদি বাগেরহাটে থাকতে পারতাম তাহলে স্ত্রীর সাথে আমার দেখা হতো, তাকে বুঝাতে পারতাম, তাহলে হয়ত সে হতাশাগ্রস্ত হতো না। যশোর কারাগারে থাকার কারণে আমার স্ত্রী ধরে নিয়েছে আমি মনে হয় আর কোনদিন ছাড়া পাব না।
তার স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে তিনি আরও বলেন, আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। স্ত্রী সন্তানের মৃত্যুর পর প্যারোলে মুক্তি পাইনি তার লাশ ধরতে পারিনি। তাদের পাশে থাকতে পারিনি। আজ স্ত্রী সন্তানের লাশের বিনিময়ে আমার জামিনটা হলো। আমার মতো যেন আর কোন মানুষের এমন ক্ষতি না হয়। জেলবন্দিরা যেন তার পরিবারের সাথে স্বাক্ষাতের সুযোগ পায়। স্ত্রী সন্তান হারানোর যে অপূরণীয় ক্ষতি তার সঠিক তদন্ত চাই।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে জেল সুপারের দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার আসিফ উদ্দীন রাতে সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার দুপুর দুইটার পর উচ্চ আদালতের জামিনের আদেশের কপি হাতে পেয়ে বাগেরহাটের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। বাগেরহাটের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে সাদ্দাম যশোর কারাগারে বন্দি ছিলেন।
এর আগে গত শুক্রবার দুপুরে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও তার নয় মাস বয়সী ছেলে নাজিফ হাসানের মরদেহ সদর উপজেলার সাবেকডাঙা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণার মরদেহ ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে ঝুলানো অবস্থায় এবং তার নয় মাস বয়সী ছেলে নাজিফের দেহ মেঝেতে পাওয়া যায়। এই ঘটনার পরদিন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের শ্বশুর মো. রুহুল আমিন হাওলাদার বাদী হয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। স্ত্রী সন্তানের মৃত্যুর পর প্যারোলে মুক্তি না মেলায় যশোর কারাগারে তাদের মরদেহ জেলগেটে দেখানো হয় ওই ছাত্রনেতাকে।
এর আগে গত শুক্রবার দুপুরে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও তার নয় মাস বয়সী ছেলে নাজিফ হাসানের মরদেহ সদর উপজেলার সাবেকডাঙা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণার মরদেহ ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে ঝুলানো অবস্থায় এবং তার নয় মাস বয়সী ছেলে নাজিফের দেহ মেঝেতে পাওয়া যায়। এই ঘটনার পরদিন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের শ্বশুর মো. রুহুল আমিন হাওলাদার বাদী হয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। স্ত্রী সন্তানের মৃত্যুর পর প্যারোলে মুক্তি না মেলায় যশোর কারাগারে তাদের মরদেহ জেলগেটে দেখানো হয় ওই ছাত্রনেতাকে।

বাগেরহাটের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দাম মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার দুপুরে যশোর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান এই ছাত্রনেতা।
পরে সন্ধ্যায় সাদ্দাম সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামের বাড়িতে ফিরে তার স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও তার নয় মাস বয়সী ছেলে নাজিফ হাসানের কবর জিয়ারত করেন। গত সোমবার উচ্চ আদালত সাদ্দামের ছয় মাসের জামিন মঞ্জুর করে।
ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দাম রাতে সাংবাদিকদের বলেন, গত বছরের ৫ এপ্রিল গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হই। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাগেরহাটের অন্তত ১১টি মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আমার বিরুদ্ধে যেসব মামলা হয়েছে প্রতিটি মামলার সময় আমি চিকিৎসার জন্য দেশের (ভারতে ছিলাম) বাইরে ছিলাম। আমি যদি অপরাধী হতাম তা হলে দেশে ফিরতাম না।
আদালতে পাসপোর্ট দেখিয়েও আমার জামিন হয়নি। আমাকে জামিনে বের করার জন্য আমার স্ত্রী স্বর্ণালী আদালতের দ্বারে দ্বারে দৌড়ে বেড়িয়েছে। এক পর্যায়ে আমার জামিন করাতে না পেরে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। আমি ছাত্রলীগের একজন সাধারণ কর্মী। মামলায় জেলে যাওয়ার পর আমাকে তিনটি মাস সেলবন্দি করে রাখা হয়েছে। আমি রাষ্ট্রের একজন নাগরিক। রাষ্ট্রের কাছে একজন নাগরিক অধিকার পেয়ে থাকে।
তিনি আরও বলেন, জেলবন্দিরা (প্রত্যেক আসামি) ফোনকলের সুবিধা পেয়ে থাকে। আমি সেই সুবিধা পাইনি। আমাকে যদি ফোন কলের সুযোগ দেওয়া হতো তাহলে আমার হতাশাগ্রস্ত স্ত্রীকে আমি বুঝাতে পারতাম শান্তনা দিতে পারতাম। আমাকে বাগেরহাট কারাগার থেকে যশোরের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। যার কারণে আমার স্ত্রী আমার সাথে নিয়ম অনুযায়ি দেখা করতে পারেনি। যদি বাগেরহাটে থাকতে পারতাম তাহলে স্ত্রীর সাথে আমার দেখা হতো, তাকে বুঝাতে পারতাম, তাহলে হয়ত সে হতাশাগ্রস্ত হতো না। যশোর কারাগারে থাকার কারণে আমার স্ত্রী ধরে নিয়েছে আমি মনে হয় আর কোনদিন ছাড়া পাব না।
তার স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে তিনি আরও বলেন, আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। স্ত্রী সন্তানের মৃত্যুর পর প্যারোলে মুক্তি পাইনি তার লাশ ধরতে পারিনি। তাদের পাশে থাকতে পারিনি। আজ স্ত্রী সন্তানের লাশের বিনিময়ে আমার জামিনটা হলো। আমার মতো যেন আর কোন মানুষের এমন ক্ষতি না হয়। জেলবন্দিরা যেন তার পরিবারের সাথে স্বাক্ষাতের সুযোগ পায়। স্ত্রী সন্তান হারানোর যে অপূরণীয় ক্ষতি তার সঠিক তদন্ত চাই।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে জেল সুপারের দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার আসিফ উদ্দীন রাতে সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার দুপুর দুইটার পর উচ্চ আদালতের জামিনের আদেশের কপি হাতে পেয়ে বাগেরহাটের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। বাগেরহাটের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে সাদ্দাম যশোর কারাগারে বন্দি ছিলেন।
এর আগে গত শুক্রবার দুপুরে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও তার নয় মাস বয়সী ছেলে নাজিফ হাসানের মরদেহ সদর উপজেলার সাবেকডাঙা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণার মরদেহ ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে ঝুলানো অবস্থায় এবং তার নয় মাস বয়সী ছেলে নাজিফের দেহ মেঝেতে পাওয়া যায়। এই ঘটনার পরদিন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের শ্বশুর মো. রুহুল আমিন হাওলাদার বাদী হয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। স্ত্রী সন্তানের মৃত্যুর পর প্যারোলে মুক্তি না মেলায় যশোর কারাগারে তাদের মরদেহ জেলগেটে দেখানো হয় ওই ছাত্রনেতাকে।
এর আগে গত শুক্রবার দুপুরে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও তার নয় মাস বয়সী ছেলে নাজিফ হাসানের মরদেহ সদর উপজেলার সাবেকডাঙা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণার মরদেহ ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে ঝুলানো অবস্থায় এবং তার নয় মাস বয়সী ছেলে নাজিফের দেহ মেঝেতে পাওয়া যায়। এই ঘটনার পরদিন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের শ্বশুর মো. রুহুল আমিন হাওলাদার বাদী হয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। স্ত্রী সন্তানের মৃত্যুর পর প্যারোলে মুক্তি না মেলায় যশোর কারাগারে তাদের মরদেহ জেলগেটে দেখানো হয় ওই ছাত্রনেতাকে।

কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মাহবুবুল হাসান নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১০ জন শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২ দিন আগে
এ নিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের একই ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিতীয়বারের মতো বন্ধ হয়ে গেল। এর আগে গত ৩১ জুলাই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দুদিন পর ২ আগস্ট ইউনিটটি সচল হয়। ১২ দিন পর ফের ইউনিটটির উৎপাদন বন্ধ হলো।
২ দিন আগে
এলাকাবাসী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রংছাতি ইউনিয়নের আমগড়া বাজার মোড় এলাকায় কবরস্থানের পাশেই পুলিয়া পানেশ্বর গ্রামের লোকজন দোকান ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। শুক্রবার সকালে এ ঘটনার সময় আমগড়া গ্রামের লোকজন তাদের বাধা দেন। এতে দুই গ্রামের বাসিন্দারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
২ দিন আগে
প্রতিবেশীরা জানান, কনিকার বাড়ি পাশের ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার ঝুরঝুরিয়া গ্রামে। বছর বছর ছয়েক আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকা রাজীবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই ছিল। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হলে রাজীব বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান।
২ দিন আগে