
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারের আশুলিয়ায় ইসমাইল হোসেন মোল্লা নামে এক বিএনপি নেতা বাসার ফটকের সামনে বাজারের ব্যাগে করে হত্যার হুমকি দেওয়া চিঠি, কাফনের কাপড় ও একটি বুলেট রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। আজ শনিবার ভোরে রেখে যাওয়া ওই ব্যাগে গোলাপজল, আগরবাতি ও সাবানও পাওয়া যায়।
ইসমাইল হোসেন মোল্লা ইয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে তিনি বাড়ির ফটকের সামনে বাজারের ব্যাগটি দেখতে পান। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ব্যাগটি উদ্ধার করে।
হত্যার হুমকি পাওয়া বিএনপি নেতার ছেলে ইলিয়াস হোসেন বলেন, “ভোর পাঁচটা ১২ মিনিটের দিকে আমাদের বাসার ফটকের সামনে ব্যাগটি রেখে যায় অজ্ঞাত ব্যক্তি। বাবা ঘুম থেকে উঠে ব্যাগটি দেখতে পেয়ে জামগড়া পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে ব্যগটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।”
তিনি আরও বলেন, বাজারের ব্যাগের ভেতর আরেকটি লাল ব্যাগ ছিল। তার ভেতরে কাফনের কাপড়, গোলাপজল, দুই প্যাকেট আগরবাতি, সাবান ও হত্যার হুমকি দেওয়া চিঠি একটি খামে ভরা ছিল। খামের ওপর সাদা স্কচটেপ দিয়ে আটকানো একটি বুলেট ছিল।
বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা যায়, গামছা দিয়ে মুখ ঢাকা এক ব্যক্তি একটি ব্যাগ বাড়ির সামনের ফটকে রেখে চলে যাচ্ছেন।
ব্যাগে পাওয়া হাতে লেখা চিঠিতে লেখা ছিল, “প্রিয় ইসমাইল মোল্লা চাচা, ক্ষণিকের দুনিয়াতে এত বড়াই কিসের? আপনি বা আপনার পরিবারের লোকজন যেভাবে উড়তেছেন এটা তো ভালো হচ্ছে না। জামাই জন সাথে নিয়া বেশি উইড়েন না, তাহলে কে কখন সালাম দিবে নিজেও বুঝতে পারবেন না। কারণ এই জগৎ সংসারে হরেক রকমের মানুষের বসবাস। ভালোবেসে শেষ বিদায়ের সকল কিছুই দিয়ে পাঠালাম।”
চিঠিতে আরও লেখা ছিল, “যদি মনে হয় নিজেদের সংশোধন করবেন তাহলে কোনো ঝামেলা নেই। কিন্তু আজকের পরও যদি উড়তে থাকেন তাহলে আপনার নামে আমাদের তরফ থেকে অদৃশ্য কেউ পৌঁছে যাবে, সালাম দিবে। পরকালের ঠিকানাতে চলে যাবেন। ইতি— অদৃশ্য মুসাফির।”
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছি।”

সাভারের আশুলিয়ায় ইসমাইল হোসেন মোল্লা নামে এক বিএনপি নেতা বাসার ফটকের সামনে বাজারের ব্যাগে করে হত্যার হুমকি দেওয়া চিঠি, কাফনের কাপড় ও একটি বুলেট রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। আজ শনিবার ভোরে রেখে যাওয়া ওই ব্যাগে গোলাপজল, আগরবাতি ও সাবানও পাওয়া যায়।
ইসমাইল হোসেন মোল্লা ইয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে তিনি বাড়ির ফটকের সামনে বাজারের ব্যাগটি দেখতে পান। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ব্যাগটি উদ্ধার করে।
হত্যার হুমকি পাওয়া বিএনপি নেতার ছেলে ইলিয়াস হোসেন বলেন, “ভোর পাঁচটা ১২ মিনিটের দিকে আমাদের বাসার ফটকের সামনে ব্যাগটি রেখে যায় অজ্ঞাত ব্যক্তি। বাবা ঘুম থেকে উঠে ব্যাগটি দেখতে পেয়ে জামগড়া পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে ব্যগটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।”
তিনি আরও বলেন, বাজারের ব্যাগের ভেতর আরেকটি লাল ব্যাগ ছিল। তার ভেতরে কাফনের কাপড়, গোলাপজল, দুই প্যাকেট আগরবাতি, সাবান ও হত্যার হুমকি দেওয়া চিঠি একটি খামে ভরা ছিল। খামের ওপর সাদা স্কচটেপ দিয়ে আটকানো একটি বুলেট ছিল।
বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা যায়, গামছা দিয়ে মুখ ঢাকা এক ব্যক্তি একটি ব্যাগ বাড়ির সামনের ফটকে রেখে চলে যাচ্ছেন।
ব্যাগে পাওয়া হাতে লেখা চিঠিতে লেখা ছিল, “প্রিয় ইসমাইল মোল্লা চাচা, ক্ষণিকের দুনিয়াতে এত বড়াই কিসের? আপনি বা আপনার পরিবারের লোকজন যেভাবে উড়তেছেন এটা তো ভালো হচ্ছে না। জামাই জন সাথে নিয়া বেশি উইড়েন না, তাহলে কে কখন সালাম দিবে নিজেও বুঝতে পারবেন না। কারণ এই জগৎ সংসারে হরেক রকমের মানুষের বসবাস। ভালোবেসে শেষ বিদায়ের সকল কিছুই দিয়ে পাঠালাম।”
চিঠিতে আরও লেখা ছিল, “যদি মনে হয় নিজেদের সংশোধন করবেন তাহলে কোনো ঝামেলা নেই। কিন্তু আজকের পরও যদি উড়তে থাকেন তাহলে আপনার নামে আমাদের তরফ থেকে অদৃশ্য কেউ পৌঁছে যাবে, সালাম দিবে। পরকালের ঠিকানাতে চলে যাবেন। ইতি— অদৃশ্য মুসাফির।”
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছি।”

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী একটি বাসের সঙ্গে চান্দাইকোনা গরুর হাটে যাওয়ার পথে গরুবাহী ভটভটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আব্দুর রহমানের মৃত্যু হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী যাত্রীবাহী বাস নলকা ওভার ব্রিজের নিচ দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় সিরাজগঞ্জ শহর থেকে আসা পণ্যবাহী একটি ট্রাক বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসচালকসহ দুজনের মৃত্যু হয়। আহত হয় আরও কমপক্ষে ১২ জন।
১২ ঘণ্টা আগে
নড়াইল সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় মোট ১১৮টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে চালু আছে ৯০টি। বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে বাকি ২৮টির মধ্যে কিছু সিলগালা করা হয়েছে, আর কিছু প্রতিষ্ঠান নিজেরাই কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।
১ দিন আগে
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে গফরগাঁও ও হোসেনপুর উপজেলার সীমানায় ব্রহ্মপুত্র নদের মধ্যে বালু উত্তোলনের একটি ড্রেজার মেশিনের পাইপে আটকে থাকা অবস্থায় স্বজনরা মরদেহটির সন্ধান পান। নিহত সাইফুল ইসলাম ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর টানমলামারি গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে।
১ দিন আগে