
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর গুলিস্তানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার বিকেলে ফুলবাড়িয়া বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে পৃথক মিছিল চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
বংশাল থানার পরিদর্শক সোহেল হোসেন জানান, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফুলবাড়িয়া এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের পৃথক মিছিল চলাকালে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দুই পক্ষের সংঘর্ষে মো. কবির আহমেদ (৪৫) নামে জামায়াতের এক নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি জামায়াতের রোকন এবং দলের গুলিস্তান শপিং মার্কেট ইউনিটের সভাপতি। পেশায় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশের ব্যবসায়ী।
আহত কবির আহমেদের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায়। তার বাবার নাম তৌহিদ হোসেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত এক জামায়াত নেতাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। জরুরি বিভাগে তার চিকিৎসা চলছে।
আহত কবিরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া আক্তার হোসেন বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের একপর্যায়ে কে বা কারা কবির আহমেদকে কোমরের পেছনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের লাঠিসোঁটা নিয়ে মারামারিতে জড়াতে দেখা যায়। এ সময় তারা একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেলও নিক্ষেপ করেন।

রাজধানীর গুলিস্তানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার বিকেলে ফুলবাড়িয়া বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে পৃথক মিছিল চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
বংশাল থানার পরিদর্শক সোহেল হোসেন জানান, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফুলবাড়িয়া এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের পৃথক মিছিল চলাকালে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দুই পক্ষের সংঘর্ষে মো. কবির আহমেদ (৪৫) নামে জামায়াতের এক নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি জামায়াতের রোকন এবং দলের গুলিস্তান শপিং মার্কেট ইউনিটের সভাপতি। পেশায় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশের ব্যবসায়ী।
আহত কবির আহমেদের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায়। তার বাবার নাম তৌহিদ হোসেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত এক জামায়াত নেতাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। জরুরি বিভাগে তার চিকিৎসা চলছে।
আহত কবিরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া আক্তার হোসেন বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের একপর্যায়ে কে বা কারা কবির আহমেদকে কোমরের পেছনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের লাঠিসোঁটা নিয়ে মারামারিতে জড়াতে দেখা যায়। এ সময় তারা একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেলও নিক্ষেপ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে