
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারের হেমায়েতপুরের শ্যামপুর এলাকা থেকে বোমা উদ্ধারের পর সেখানকার একটি ভবনের একটি বাসায় বোমা ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্যরা ওই বাসাকে বোমা তৈরির কারখানা হিসেবে ব্যবহার করছিলেন। সাভার থেকেই আরিফ নামে জেএমবির সক্রিয় এক সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকার ওই ভবনে অভিযান শুরু করেন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমসহ (সিটিটিসি) স্থানীয় পুলিশ সদস্যরা। এর আগে সন্ধ্যা থেকেই ভবনটি ঘিরে রাখা হয়।
এ দিন সন্ধ্যার দিকে হেমায়েতপুরে একটি ব্যাগসহ আরিফকে আটক করা করে পুলিশ। ব্যাগটি তল্লাশি করে ছয়টি পাইপ বোমাসহ বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান পাওয়া যায়। আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, শ্যামপুরের ওই ভবনের একটি বাসায় তার কাছে পাওয়া বোমাগুলো তৈরি করা হয়েছে।
আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পুলিশ ওই ভবন ঘিরে ফেলে। ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিটিটিসিকে ডাকা হয়। সবার উপস্থিতিতে রাতে শুরু হয় অভিযান। পরে ওই বাসায় আরও ৯টি পাইপ বোমা, গান পাউডার, সায়ানাইডসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। আরিফের কাছে পাওয়া ছয়টিসহ সব মিলিয়ে ১৫টি পাইপ বোমা নিষ্ক্রিয় করে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, সবগুলো বোমা বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট নিষ্ক্রিয় করেছে। আরিফের কাছে জেএমবির দাওয়াতি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের লিফলেটও পাওয়া গেছে। কী উদ্দেশ্যে ওই বাসায় বোমা তৈরি করা হচ্ছিল, বিস্ফোরক ও রাসায়নিক কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত— এসব জানতে আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ওই বাসায় যাতায়াত ছিল ‘বোমারু মামুন’ নামে একজনের, যিনি বোমা তৈরিতে দক্ষ। তিনিই শ্যামপুরের ওই ভবনে বোমা তৈরির কার্যক্রম তদারকি করতেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ মাসের শুরুতেই গাড়িচালক পরিচয় দিয়ে আব্বাস আলী নামে একজন শ্যামপুরের ওই ভবনটিতে বাসা ভাড়া নেন। পরিবার নিয়ে থাকতে শুরু করেন তিনি। ১০ দিন যেতে না যেতেই সে বাসাতেই মিলল জেএমবির বোমা তৈরির আস্তানা।

সাভারের হেমায়েতপুরের শ্যামপুর এলাকা থেকে বোমা উদ্ধারের পর সেখানকার একটি ভবনের একটি বাসায় বোমা ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্যরা ওই বাসাকে বোমা তৈরির কারখানা হিসেবে ব্যবহার করছিলেন। সাভার থেকেই আরিফ নামে জেএমবির সক্রিয় এক সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকার ওই ভবনে অভিযান শুরু করেন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমসহ (সিটিটিসি) স্থানীয় পুলিশ সদস্যরা। এর আগে সন্ধ্যা থেকেই ভবনটি ঘিরে রাখা হয়।
এ দিন সন্ধ্যার দিকে হেমায়েতপুরে একটি ব্যাগসহ আরিফকে আটক করা করে পুলিশ। ব্যাগটি তল্লাশি করে ছয়টি পাইপ বোমাসহ বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান পাওয়া যায়। আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, শ্যামপুরের ওই ভবনের একটি বাসায় তার কাছে পাওয়া বোমাগুলো তৈরি করা হয়েছে।
আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পুলিশ ওই ভবন ঘিরে ফেলে। ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিটিটিসিকে ডাকা হয়। সবার উপস্থিতিতে রাতে শুরু হয় অভিযান। পরে ওই বাসায় আরও ৯টি পাইপ বোমা, গান পাউডার, সায়ানাইডসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। আরিফের কাছে পাওয়া ছয়টিসহ সব মিলিয়ে ১৫টি পাইপ বোমা নিষ্ক্রিয় করে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, সবগুলো বোমা বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট নিষ্ক্রিয় করেছে। আরিফের কাছে জেএমবির দাওয়াতি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের লিফলেটও পাওয়া গেছে। কী উদ্দেশ্যে ওই বাসায় বোমা তৈরি করা হচ্ছিল, বিস্ফোরক ও রাসায়নিক কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত— এসব জানতে আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ওই বাসায় যাতায়াত ছিল ‘বোমারু মামুন’ নামে একজনের, যিনি বোমা তৈরিতে দক্ষ। তিনিই শ্যামপুরের ওই ভবনে বোমা তৈরির কার্যক্রম তদারকি করতেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ মাসের শুরুতেই গাড়িচালক পরিচয় দিয়ে আব্বাস আলী নামে একজন শ্যামপুরের ওই ভবনটিতে বাসা ভাড়া নেন। পরিবার নিয়ে থাকতে শুরু করেন তিনি। ১০ দিন যেতে না যেতেই সে বাসাতেই মিলল জেএমবির বোমা তৈরির আস্তানা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে